এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > স্মরণসভায় এলেন না রাজ্যের হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী, হতাশা বাড়ছে কর্মীদের – জেনে নিন

স্মরণসভায় এলেন না রাজ্যের হেভিওয়েট নেতা মন্ত্রী, হতাশা বাড়ছে কর্মীদের – জেনে নিন



2019 এর লোকসভা ভোটের পর থেকেই বিজেপি তাদের সংগঠন বাড়িয়ে 2021 এর ভোট পর্বের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই অনুযায়ী শুরু হয়েছে প্রচার। ভোট রাজনীতি মেনেই যথারীতি রাজ্য তৃণমূল দলকে একের পর এক অভিযোগের ফলায় আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। অন্যদিকে তৃণমূল সেই অর্থে কিছুটা পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিনের খড়গপুর এর ঘটনা অন্তত সেটাই প্রমাণ করল।

খড়গপুর শহরে বারবার হানাহানির ঘটনায় রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, খড়্গপুরে তৃণমূল মাফিয়া রাজ চলছে। এই বক্তব্যের জবাব দিতে এদিন নিহত যুবনেতা গৌতম চৌবের স্মরণসভায় রাজ্যের পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চেয়েছিল এলাকার তৃণমূল দল। বহু কাজে বারংবার খড়গপুর এলেও এদিন কথা দিয়েও এলেন না শুভেন্দু অধিকারী। এই ঘটনায় এলাকার তৃণমূল নেতা কর্মীরা যথেষ্ট হতাশ বলে জানা গেছে।

বুধবার খড়্গপুরে 2001 সালের 11ই সেপ্টেম্বরে প্রয়াত সিপিআই সাংসদ নারায়ন চৌবের বড় ছেলে গৌতম চৌবের হত্যা হয়েছিল দুষ্কৃতীদের গুলিতে। সেই দিনটিকে মনে রাখতেই প্রতিবছর তৃণমূল নেত্রীর নির্দেশে খড়গপুরে মালঞ্চ তে স্মরণ সভা করা হয়। এবার সেই স্মরণসভায় শুভেন্দু অধিকারী কথা দিয়েছিলেন উপস্থিত হবেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু তৃণমূল সূত্রে জানানো হয়েছে, অনিবার্য কারণবশত তিনি উপস্থিত হননি। এই ঘটনায় চরম হতাশ এক তৃণমূল কর্মীর বক্তব্য, “একসময় মাফিয়ারা গৌতম দার প্রাণ কেড়ে নিয়েছিল। আর এখন দিলীপ ঘোষ বলছেন, তৃণমূল মাফিয়া রাজ কায়েম করছে। এর জবাব দেওয়ার উপযুক্ত মঞ্চ এই গৌতমদা স্মরণ সভা। শুভেন্দুদা আসতে না পারায় আমরা সত্যিই হতাশ।”

সেদিনের ঘটনায় খড়্গপুরের জনসভায় সেই অর্থে জনসমাবেশ ঘটেনি। এ বিষয়ে সেখানকার তৃণমূলের সভাপতি রবি শংকর পান্ডে জানিয়েছেন, “শুভেন্দু অধিকারী আসতে পারেননি। তাই উনি থাকলে যে জমায়েত আশা করেছিলাম সেটা হয়নি।” অন্যদিকে পুরপ্রধান প্রদীপ সরকারের বক্তব্যে উঠে এসেছে হতাশা। তিনি বলেন, “শুভেন্দু দা বিশেষ কারণে আসতে পারেননি। একটু তো খারাপ লাগছেই।”

এই ঘটনায় খড়্গপুরের ভোটব্যাংকে যে কিছুটা ফারাক পড়বে তৃণমূলের জন্য সে বিষয়ে নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল‌। আর এই ঘটনার বিজেপি যে সম্পূর্ন সুযোগ নেবে, ভোটযুদ্ধে সেটাই স্বাভাবিক বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!