এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > হেভিওয়েট মন্ত্রী কি পৌরসভা দখলে নিষ্ক্রিয়! সক্রিয়তা ঘিরে উঠছে জোর জল্পনা!

হেভিওয়েট মন্ত্রী কি পৌরসভা দখলে নিষ্ক্রিয়! সক্রিয়তা ঘিরে উঠছে জোর জল্পনা!



এককালে গোটা কোচবিহার জেলার দায়িত্ব ছিল তার কাঁধে। তিনিই ছিলেন কোচবিহার জেলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সারথি। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনে তার ওপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভরসা রাখলেও, দলীয় প্রার্থীকে জয়লাভ করাতে পারেননি তৎকালীন কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। যারপর তার ডানা ছাটতে শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে এখনও পর্যন্ত তিনি রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী। আর তাই কোচবিহারের বাসিন্দা হয়েও, তিনি কি এবার পৌর নির্বাচনে কোচবিহার পৌরসভা সহ জেলার অন্যান্য পৌরসভা উদ্ধার করতে ময়দানে ঝাপাবেন না! এখন সেই প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে জেলা জুড়ে।

কেননা বর্তমানে এই রবীন্দ্রনাথ ঘোষ শুধুমাত্র তুফানগঞ্জ পৌরসভা এলাকাতেই পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ময়দানে নামছেন। তাই অন্যান্য পৌরসভায় তার কর্মসূচি কী হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়‌। অনেকে বলছেন, গত লোকসভা নির্বাচনে দলের এক পক্ষের সঙ্গে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পরে নিজের ঠিক করা প্রার্থী পরেশ অধিকারীকে জেতানোর জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কথা দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।

কিন্তু তারপরও নিজ দায়িত্বে তিনি পরেশবাবুকে জেতাতে পারেননি। যার ফলে দলে কোণঠাসা হয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে। ‌তাই বাড়তি দায়িত্ব নিয়ে আর চাপে থাকতে চাইছেন না তিনি। যতটুকু দায়িত্ব, ততটুকুই সুষ্ঠুভাবে পালন করতে তুফানগঞ্জ পুরসভার দিকেই নজর দিচ্ছেন রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী। কিন্তু একসময় তো তিনি কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন!

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সেক্ষেত্রে তিনি কি জেলার অন্যান্য পৌরসভার নির্বাচনে প্রচার করবেন না! এদিন এই প্রসঙ্গে রাজ্যের উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, “তুফানগঞ্জ শহরের অর্ধেকের বেশি এলাকা আমার বিধানসভা কেন্দ্রে রয়েছে। প্রতিবার ওই জায়গাতে আমি কাজ করি। যেহেতু আমার বিধানসভা এলাকার দশটি গ্রাম পঞ্চায়েত তুফানগঞ্জের সঙ্গে যুক্ত, ওটাই আমাদের হেডকোয়ার্টার। তাই তুফানগঞ্জকে আমি আলাদা গুরুত্ব দিচ্ছি। কোচবিহার পৌরসভার পাচ ছয়টি ওয়ার্ড আমার বিধানসভার মধ্যে পড়ে। আমাকে প্রচারের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য দলকে বলব। তার পরেও কেউ কোথাও যেতে বললে যাব। দল আমাকে যা নির্দেশ দেবে, সেই নির্দেশ অনুসারে কাজ করব।” তবে রবিবাবু একথা বললেও, দল তাকে এখন কতটা প্রচারে চায়, বা তিনি কতটা দলের অন্যান্য প্রচারে যান! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!