এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > হেভিওয়েট নেতার তৃনমূলে যোগদান, জোর অস্বস্তি!

হেভিওয়েট নেতার তৃনমূলে যোগদান, জোর অস্বস্তি!



বিগত 2016 সালের বিধানসভা নির্বাচন থেকে রাজ্যে বাম এবং কংগ্রেস জোট বেঁধেছিল। যা দেখে আশ্চর্য হয়ে গিয়েছিলেন প্রত্যেকেই। দুই ভিন্ন মেরুর দুটো রাজনৈতিক দল কিভাবে একত্রিত হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গিয়েছিল অনেককেই। এমনকি সেই সময় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এই বিষয়টি তুলে ধরে দুই রাজনৈতিক দলকে তীব্র কটাক্ষ করা হচ্ছিল। তবে এখন বাম এবং কংগ্রেসের জোট স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। যার দিকে তাকিয়ে দুই রাজনৈতিক দল জোটের ব্যাপারে তাদের প্রস্তুতি শুরু করেছে। তবে বাম এবং কংগ্রেসের জোট যে অনেকেই মেনে নিতে পারেনি, তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

সূত্রের খবর, এবার এই দুই রাজনৈতিক দলের জোটের তীব্র বিরোধিতা করে কংগ্রেস ত্যাগ করলেন জলপাইগুড়ি পৌরসভা 2 নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন কংগ্রেস কাউন্সিলার স্বরূপ মন্ডল। পৌরসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেসের এই হেভিওয়েট নেতার দলত্যাগ এবং তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান বাম এবং কংগ্রেসের জোটে বড়সড় ফাটল ধরাবে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের। জানা গেছে, সোমবার জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের কার্যালয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের নেতা স্বরূপ মন্ডল। যেখানে তার হাতে তৃণমূলের পতাকা তুলে দেন জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূলের সভাপতি কিষাণ কুমার কল্যাণী। কিন্তু হঠাৎ তিনি পৌরসভা নির্বাচনের মুখে কেন কংগ্রেস ছাড়লেন!


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে তৃণমূলে যোগ দেওয়া স্বরূপ মন্ডল বলেন, “বাম কর্মীদের হাতে একাধিক কংগ্রেস কর্মী খুন হয়েছেন। বাম কর্মীদের অত্যাচারে বহু কংগ্রেস কর্মীরা দীর্ঘদিন ঘরছাড়া হয়েছিল। সেই বাম কর্মীদের সাথে একসাথে রাজনীতি করা সম্ভব নয়। তাই আমি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলাম।” এদিকে স্বরূপবাবুর মত দীর্ঘদিনের কংগ্রেস নেতাকে নিজেদের দলে পেয়ে রীতিমতো উজ্জীবিত তৃণমূল কংগ্রেস।

এদিন এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল সভাপতি কিষাণকুমার কল্যাণী বলেন, “স্বরূপ একজন দক্ষ রাজনীতিবিদ। এর ফলে আমাদের দল আরও শক্তিশালী হবে। যারা বাম-কংগ্রেস জোটকে মেনে নিতে পারছে না, তাদের জন্য তৃণমূলের দরজা খোলা আছে। আমরা সবাইকে স্বাগত জানাই।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিজেপি এবং তৃণমূল দুই রাজনৈতিক দলকে কুপোকাত করতে এবারের পৌরসভা নির্বাচনে ভালো ফল করবার জন্য ব্লু প্রিন্ট তৈরি করছে বাম এবং কংগ্রেস। কিন্তু যেভাবে তাদের সেই পরিকল্পনাতে ধাক্কা দিয়ে আপত্তি জানিয়ে কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা দলত্যাগ করলেন, তাতে এই দুই দলের জোট প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল বলেই মত ওয়াকিবহাল মহলের। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!