এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > পুরভোটের আগে মেয়রের অস্বস্তি বাড়িয়ে বহিস্কৃত দাপুটে নেতা! যোগ দিতে পারেন বিপক্ষ শিবিরে!

পুরভোটের আগে মেয়রের অস্বস্তি বাড়িয়ে বহিস্কৃত দাপুটে নেতা! যোগ দিতে পারেন বিপক্ষ শিবিরে!



তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের ক্ষমতা দখল করলেও, উত্তরবঙ্গের হেভিওয়েট পৌরসভা বলে পরিচিত শিলিগুড়ি পৌরসভা তারা এতদিন দখল করতে পারেনি। সেদিক থেকে বামেদের গোটা রাজ্যে অবস্থা ভালো না হলেও, শিলিগুড়ি পৌরসভা দখলে যে তারাই সবার আগে এগিয়ে রয়েছে, তা প্রমাণ করে দিয়েছিল বাম শিবির। বর্তমানে শিলিগুড়ি পৌরসভা বামফ্রন্টের দখলে রয়েছে।

কিন্তু এবার যেন-তেন প্রকারেণ বামেদের কাছ থেকে সেই পৌরসভা দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে তৃণমূলকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ দিয়ে এই পৌরসভা তাদের দখলেই থাকবে বলে দাবি করছেন বাম নেতারা। কিন্তু পৌরসভা ভোটের মুখে শিলিগুড়িতে যেভাবে সিপিএমে ভাঙন ধরল, তাতে বামেদের চিন্তা ক্রমশ বৃদ্ধি হতে শুরু করছে বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।

বস্তুত, দলীয় পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার তিন মাস পর মঙ্গলবার শিলিগুড়ি পৌরসভার কাউন্সিলর পরিমল মিত্র ষকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। সূত্রের খবর, এদিন সন্ধ্যায় বিবৃতি জারি করে সিপিএম নেতৃত্ব তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেয়। আর পরিমলবাবুকে সিপিএম তাদের দল থেকে বহিষ্কার করার পরই, তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে জল্পনা ছড়িয়ে পড়ল।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

যা নিঃসন্দেহে তৃণমূলের কাছে ভালো খবর হলেও, সিপিএমের কাছে অত্যন্ত চাপের কারণ বলেই মনে করছে একাংশ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শিলিগুড়িতে এই পরিমল মিত্র এতদিন সিপিএমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা ছিলেন। গত কুড়ি বছর ধরে তিনি একটানা শিলিগুড়ি পৌরসভার কাউন্সিলর হয়েছেন। পাশাপাশি সিপিএমের একগুচ্ছ সাংগঠনিক পদেও থাকতে দেখা গেছে তাকে।

কিন্তু গত 16 নভেম্বর তিনি এই পদগুলো থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর, শিলিগুড়ি পৌরসভার মেয়র পরিষদ পদ থেকেও ইস্তফা দেন তিনি। আর এদিন তাকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা ঘোষণা করে সিপিএম। এদিকে পরিমলবাবুকে সিপিএমের পক্ষ থেকে বহিষ্কার করার পর তার মত সিপিএমের দাপুটে নেতা এখন তৃণমূলে যোগ দিয়ে তৃণমূলের হাত শক্ত করতে পারেন বলে মনে করছে একাংশ।

তাহলে কি তিনি তৃণমূলে যোগ দেবেন? এদিন এই প্রসঙ্গে পরিমল মিত্র বলেন, “16 ই নভেম্বর দলের সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছি। এবার দলের সদস্যপদ রিনিউ করিনি। কাজেই এটা কিসের বহিষ্কার! তবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ ঠিক নয়। তৃণমূলের অনেকেই আমার বন্ধু রয়েছেন।” কিন্তু পরিমলবাবুর তৃণমূলে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে কি বলছেন গৌতম দেব!

এদিন এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা কলেজে পড়ার সময় একসঙ্গে রাজনীতি করেছি‌। তবে দুজন দুটি দল করতাম। ওর সঙ্গে আমার কথা হয়। আমি এখন কলকাতায় রয়েছি। এখান থেকে ফিরে আবার কথা বলব।” এখন সব মিলিয়ে পৌরসভা নির্বাচনের আগে যদি সিপিএম থেকে বহিস্কৃত নেতা পরিমল মিত্র তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন, তাহলে তা তৃণমূলের পক্ষে অত্যন্ত চিন্তার কারন হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। এখন গোটা পরিস্থিতি কোনদিকে গড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!