এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > কপাল পুড়ছে অনেক হেভিওয়েট নেতার, হারাবেন পদও, জোর চাঞ্চল্য!

কপাল পুড়ছে অনেক হেভিওয়েট নেতার, হারাবেন পদও, জোর চাঞ্চল্য!



 

পৌরসভা নির্বাচনে টিকিট নিয়ে হা পিত্যেশ করেছিলেন প্রায় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরাই। নিজের ওয়ার্ডে প্রার্থী হওয়া নিয়ে আশায় প্রহর গুনছিলেন অনেকেই। কিন্তু সংরক্ষণের কোপে এবার সেই টিকিট পাওয়া থেকে বঞ্চিত হতে চলেছেন শাসক-বিরোধী অনেক রাজনৈতিক দলের নেতারাই। যা নিঃসন্দেহে হতাশগ্রস্ত করে তুলেছে তাদের। কোথাও বাদ যাচ্ছেন পৌরসভার চেয়ারম্যান, আবার কোথাও বা বাদ যাচ্ছেন পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান।

সূত্রের খবর, শুক্রবার রাজ্যের পৌরসভাগুলো আসন সংরক্ষণের খসড়া তালিকা প্রকাশিত হয়। আর তারপরেই রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ করতে শুরু করে শাসক দল তৃণমূল বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের মধ্যে। জানা গেছে, কোচবিহার পৌরসভার বিরোধী দলনেতা সিপিএমের মহানন্দ সাহা আর নিজের ওয়ার্ডে দাঁড়াতে পারছেন না। অন্যদিকে পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যানের ছেলে তথা তৃণমূল কাউন্সিলর শুভজিত কুন্ডুও দাঁড়াতে পারছে না নিজের ওয়ার্ডে। অন্যদিকে দিনহাটা পৌরসভার উপ পৌরপ্রধান শুভময় চক্রবর্তী এবং দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর অসীম নন্দীও নিজের ওয়ার্ডে টিকিট পাবেন না এবার।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

একইভাবে তুফানগঞ্জ পুরসভার তৃণমূলের চেয়ারম্যান অনন্ত বর্মা এবং মাথাভাঙ্গা পৌরসভার তৃণমূলের ভাইস চেয়ারম্যান চন্দন দাসের ওয়ার্ড সংরক্ষিত হয়ে যাওয়ায় তারাও নিজের ওয়ার্ডে দাঁড়াতে পারছেন না। আর নিজের ওয়ার্ডে এবং নিজের খাসতালুকে সংরক্ষণের জন্য দাঁড়াতে না পারায়, এখন শাসক-বিরোধী সমস্ত নেতাদের মধ্যে তীব্র গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। তাহলে কি এই সমস্ত নেতারা টিকিট পাবেন না, নাকি তাদের অন্য ওয়ার্ডে নিয়ে যাওয়া হবে!

একাংশের মতে, যদি অন্য ওয়ার্ডে এই সমস্ত নেতাদের দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে যে তারা নিশ্চিতভাবেই জিতবেন, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তাই সেদিক থেকে নিজের ওয়ার্ডের মত সেফসিটে দাঁড়াতে না পেরে হতাশ হয়েছেন অনেকেই। এদিন এই ব্যাপারে সিপিএমের কোচবিহার জেলার সম্পাদক অনন্ত রায় বলেন, “বাস্তবতার ওপর দাঁড়িয়ে আসন সংরক্ষণ হলে আমাদের কিছু অসুবিধে নেই। সেক্ষেত্রে আমরা নির্বাচনে লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেব।”

অন্যদিকে আসন সংরক্ষণ নিয়ে কোচবিহার জেলা বিজেপির সভানেত্রী মালতি রাভা রায় বলেন, “তালিকা নিয়ে আমরা আলোচনায় বসব।” তবে এই ব্যাপারে কি বলছেন শাসকদলের নেতৃত্বরা! এদিন এই প্রসঙ্গে তুফানগঞ্জ পৌরসভার পৌরপ্রধান তৃণমূলের অনন্ত বর্মা বলেন, “সরকারিভাবে যা হওয়ার হয়েছে।” কিন্তু তাদের দলের অনেক কাউন্সিলার তো নিজের ওয়ার্ডে সংরক্ষণের ফলে দাঁড়াতে পারবেন না। এতে কি তাদের অসুবিধা হবে না!

এদিন এই প্রসঙ্গে কোচবিহার জেলা তৃণমূলের সভাপতি বিনয় কৃষ্ণ বর্মন বলেন, “আমরা নিজেদের মধ্যে ওই বিষয় নিয়ে আলোচনায় বসব। তবে কোথাও কোনো অসুবিধা হবে না।” অন্যদিকে এই ব্যাপারে জেলা তৃণমূলের কার্যকরী সভাপতি পার্থ প্রতিম রায় বলেন, “কোথায় কে পার্থী হবেন, তা নিয়ে দল সিদ্ধান্ত নেবে। আমরা ইতিমধ্যেই সব জায়গায় প্রচার শুরু করেছি।” তবে মুখে বিভিন্ন দলের নেতারা অসুবিধার কথা তুলে না ধরলেও, তলায় তলায় যে তারা চিন্তিত, সেই ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত সকলেই। এখন সংরক্ষণের কোপে পড়ে অনেক হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা নিজের ওয়ার্ডে দাঁড়াতে না পারায়, তাদের ভবিষ্যৎ কি হয়! সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!