এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > প্রার্থী নিয়ে বিজেপির চরম কোন্দল, আলাদা করে বৈঠক হেভিওয়েট নেতার অস্বস্তি তুঙ্গে!

প্রার্থী নিয়ে বিজেপির চরম কোন্দল, আলাদা করে বৈঠক হেভিওয়েট নেতার অস্বস্তি তুঙ্গে!



লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে অনেক আসন হারাতে হয়েছিল তাদের দলের কোন্দলের কারণে। তবে লোকসভায় সাফল্য পাওয়ার পর সেই একই রোগ বাসা বেধেছে ভারতীয় জনতা পার্টিতেও। বিভিন্ন জায়গায় পদ পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে সমস্যা। আর এবার ফালাকাটা বিধানসভা উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে তৈরি হল বিজেপির কোন্দল। বস্তুত, এখনও পর্যন্ত ফালাকাটা বিধানসভা উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হয়নি। আর এরই মাঝে জেলা বিজেপির সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা দলের কিছু ব্যক্তিকে নিষ্ক্রিয় নেতা আখ্যা দেওয়ায় সেই সমস্ত বিজেপির পুরনো নেতাকর্মীরা এবার আলাদাভাবে বৈঠক করলেন।

সূত্রের খবর, রবিবার ফালাকাটা্য প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি গৌতম সরকারের বাড়িতে বিজেপির পুরনো বিক্ষুব্ধ নেতৃত্বরা একটি বৈঠক করেন। দুপুর 12 টা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ফালাকাটায় বিজেপির বিভিন্ন মন্ডল থেকে প্রায় 50 জন পুরনো পদাধিকারী এবং নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে খবর। আশ্চর্যজনক ভাবে এই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় জেলা বিজেপির বর্ষিয়ান নেতা হেমন্ত রায়কেও‌।

একাংশ বলছেন, অতীতে ফালাকাটা বিধানসভা উপনির্বাচনে হেমন্তবাবুকে প্রার্থী করতে চেয়ে অনেকে দাবি তুলেছিলেন। আর রবিবার ফালাকাটায় এই বৈঠকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে হেমন্তবাবুকেই যাতে প্রার্থী করা হয়, তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিলেন বিজেপির একাংশ। যা নির্বাচনের আগে বিজেপির বিড়ম্বনাকে অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এদিন এই বৈঠকের পর হেমন্ত রায় বলেন, “এমনিতেই নব্যদের বাড়বাড়ন্তে দলের পুরোনো কর্মীরা মর্যাদা পাচ্ছে না। তার ওপর জেলা সভাপতি পুরনো নেতাদের নিষ্ক্রিয় বলে কটাক্ষ করেছেন। রবিবারের বৈঠকে আমরা স্থির করেছি, উপনির্বাচনে দলের প্রার্থীর হয়ে কাজ করব। কিন্তু দল যদি আমাদের স্বীকৃতি না দেয়, তাহলে ফালাকাটার উপনির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে আমরা অন্যরকম কিছু ভাবতে বাধ্য হব।”


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু নির্বাচনের আগে এই প্রার্থী নিয়ে আলাদাভাবে দলের বিক্ষুব্ধ এবং পুরনো নেতাকর্মীরা বৈঠক করায় দল কি অস্বস্তিতে পড়বে না! এই প্রসঙ্গে জেলা বিজেপির সভাপতি গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা বলেন, “যার বাড়িতে এদিন হেমন্তবাবুরা বৈঠক করেছেন, সেই গৌতমবাবু আগেই দল ছেড়েছেন। হেমন্ত রায় এবং মানিক সাহা এখনও দলের সক্রিয় কর্মী। কিন্তু নেতৃত্বকে ও দলকে এড়িয়ে এই ভাবে বৈঠক করে তারা দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন। দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। এভাবে ক্রমাগত দলের শৃঙ্খলাভঙ্গ করলে তাদের দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদ কেড়ে নেওয়ার জন্য দলের কাছে সুপারিশ করা হবে।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিজেপি এখন বাংলা দখলের স্বপ্ন দেখছে। কিন্তু দলের কে প্রার্থী হবে, আর কে প্রার্থী হবে না, তা নিয়ে যদি দলের নেতাদের মধ্যে মতের অমিল তৈরি হয় এবং তাকে কেন্দ্র করে যদি গোষ্ঠী কোন্দল তৈরি হয়, তাহলে বিজেপির এই স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে। এখন দলীয় কোন্দল মেটাতে বিজেপি নেতৃত্ব কতটা উদ্যোগী হন, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!