এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > গ্রেপ্তার হলেন প্রভাবশালী তৃণমূল সভাপতি, তৃণমূলে যোগ দিয়েই বিজেপিতে ফিরলেন সভাপতির ভাইপো

গ্রেপ্তার হলেন প্রভাবশালী তৃণমূল সভাপতি, তৃণমূলে যোগ দিয়েই বিজেপিতে ফিরলেন সভাপতির ভাইপো



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই নিত্য নতুন সমীকরণ তৈরি হতে দেখা যাচ্ছে রাজ্য জুড়ে। এবার একাধিক মামলায় জড়িত দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুরের ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি মৃনাল সরকার থানায় আত্মসমর্পন করলেন। জানা গেছে, এই গঙ্গারামপুর থানার নন্দনপুর এলাকায় থাকেন তিনি। এদিন পাঁচটি মামলায় অভিযুক্ত মৃনাল সরকার গঙ্গারামপুর থানায় পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন।

যার মধ্যে দুটি মামলার জামিন হলেও তিনটি মামলায় এখনও পর্যন্ত তার জামিন হয়নি। যার ফলে বিচার 14 দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই নির্বাচনের আগে গঙ্গারামপুর ব্লকে শাসক দলের সভাপতি এভাবে গ্রেফতার হওয়ায় রীতিমত আলোড়ন পড়ে গিয়েছে জেলা জুড়ে। একজন তৃণমূল নেতা যদি এইভাবে গ্রেপ্তার হন, তাহলে শাসকদলের ভাবমূর্তি যে যথেষ্ট প্রশ্নচিহ্নের মুখে পড়ে যাবে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত একাংশ।

এদিন এই প্রসঙ্গে গঙ্গারামপুর মহাকুমার আদালতের আইনজীবী প্রতুল মৈত্র বলেন, “পাঁচটি মামলায় অভিযুক্ত মৃণাল সরকার গঙ্গারামপুর থানার পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাকে আদালতে তোলা হয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে দুটিতে জামিন হয়েছে। তিনটি মামলায় জামিন হয়নি। বিচারক তার 14 দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।” কিন্তু দলীয় সভাপতি গ্রেপ্তার হওয়ায় দল কি অস্বস্তিতে পড়ল না?

এদিন এই প্রসঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গৌতম দাস বলেন, “আমাদের দলের গঙ্গারামপুর ব্লকের সভাপতির বিরুদ্ধে মামলা ছিল শুনেছি। তবে কারও বিরুদ্ধে মামলা হওয়া মানেই তিনি অভিযুক্ত নন। অভিযোগ এখনও প্রমাণিত নয়। এতে গঙ্গারামপুরে আমাদের সংগঠনে কোনো প্রভাব পড়বে না।” তবে জেলা সভাপতি যে কথাই বলুক না কেন, গোটা ঘটনায় যে যথেষ্ট অস্বস্তি তৈরি হয়েছে শাসকদলের অন্দরমহলে, তা বলাই যায়। আগামী দিনে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে বিজেপি যদি ময়দানে নামে, তাহলে তার পাল্টা মোকাবিলা কীভাবে করবে তৃণমূল কংগ্রেস, সেটাই এখন দেখার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলের কাছে।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিকে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার তিনদিন পরেই ফের বিজেপিতে ফিরতে দেখা গেল মালদহ জেলা বিজেপির সভাপতির ভাইপো কাশীনাথ মন্ডলকে। যে ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে গৌড়বঙ্গে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত 10 জানুয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন মালদহ জেলা বিজেপির সভাপতি গোবিন্দ মন্ডলের ভাইপো কাশীনাথ মন্ডল। কিন্তু এদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গাজলের বৈরগাছি 2 নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অর্জুন মোড়ে একটি কর্মীসভায় আবার তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে দেখা যায় তাকে। স্বাভাবিক ভাবেই ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসায় এখন কিছুটা হলেও খুশি ভারতীয় জনতা পার্টি।

এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা বিজেপির মুখপাত্র অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “জেলা সভাপতির ভাইপো দলবদল করেনি। তাকে ভুল বুঝিয়ে ডেকে ওখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে তিনি ভুল বুঝতে পেরেছেন।” তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য এই ব্যাপারে পাল্টা অভিযোগ করা হয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এদিন এই ব্যাপারে গাজোল ব্লক তৃণমূল সভাপতি মানিক প্রসাদ বলেন, “কাকা ক্রমাগত ভাইপোকে চাপ দিচ্ছিলেন। তিনি আবার দলবদল করেছেন।” তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং দলবদলের প্রবণতা রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে, তা যে মালদহ জেলায় চরম মাত্রা ধারণ করল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!