এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে মারধর শাসকদলের কর্মীদের, উত্তাল সন্দেশখালি

কর্তব্যরত সরকারি কর্মীকে মারধর শাসকদলের কর্মীদের, উত্তাল সন্দেশখালি



নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তাল হয়ে উঠেছিল। যে ঘটনায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অভিযোগের তীর উঠেছিল শাসক দল তৃণমূলের দিকে। আর এবার সরকারি আধিকারিকের গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উঠল সেই শাসকদলের বিরুদ্ধেই।

সূত্রের খবর, এদিন সন্দেশখালি 2 বিডিও কৌশিক ভট্টাচার্যের ঘরে ঢুকে তাকে বেধড়ক মারধর করে শাসক দলের কর্মী-সমর্থকরা। অভিযোগ, প্রায় কুড়ি পঁচিশ জন মিলে বিডিও সাহেবের ঘরে ঢুকে প্রথমে সিসিটিভি ভাঙচুর এবং তারপর সেই বিডিওকে ব্যাপক মারধর করে। তবে শুধু বিডিও সাহেবই নয়, একজন সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারের গায়েও আঘাত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।কিন্তু কেন তার উপর এইভাবে হামলা হল?


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সন্দেশখালি 2 বিডিও কৌশিক ভট্টাচার্য বলেন, “আমি এখন সার্জিকাল ওয়ার্ডে ভর্তি। দুপুর বারোটা নাগাদ আমার চেনা পরিচিত পঞ্চায়েত প্রতিনিধিরা আমার অফিসে এসে উত্তেজনা শুরু করে। তারপর আমাকে মারতে শুরু করে। আমার কান দিয়ে রক্ত পরছে। মাথায় চোট লেগেছে। সিটি স্ক্যান করতে হবে। ভেবেছিলাম কোনো আলোচনা করতে এসেছে। কিন্তু মনে হয়, এটাই ওদের পরিকল্পনা ছিল।”

কেন এমনটা হল! এদিন এই প্রসঙ্গে সন্দেশখালির তৃণমূল বিধায়ক সুকুমার মাহাতো বলেন, “আমি এই ব্যাপারে কিছু জানি না।” অন্যদিকে সন্দেশখালির প্রাক্তন সিপিএম বিধায়ক নিরাপদ সর্দার বলেন, “অফিসে ঢুকে তৃণমূলের লোকজন বিডিওকে মারধর করল। আমরা কোন জগতে বাস করছি। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।”

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পরই যেভাবে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়েছে, তা দেখে আতঙ্কে তটস্থ বঙ্গবাসী। কিন্তু এবার যেভাবে সরকারি আধিকারিকের গায়ে হাত পড়ল খোদ শাসক দলের কর্মী-সমর্থকদের দ্বারা, তাতে রাজ্যের নিরাপত্তা ঠিক কোন দিকে পৌঁছচ্ছে, তা নিয়ে একটা প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!