এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > গেরুয়া ফ্যাক্টরকে ধূলিস্যাৎ করতে মরিয়া তৃণমূল? বিজেপির ডাকা বনধ কার্যত অকেজো করল প্রশাসন

গেরুয়া ফ্যাক্টরকে ধূলিস্যাৎ করতে মরিয়া তৃণমূল? বিজেপির ডাকা বনধ কার্যত অকেজো করল প্রশাসন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিজেপি কর্মী হত্যার প্রতিবাদে আজ 12 ঘন্টার বাগনান বন্ধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। সম্প্রতি রাজ্যজুড়ে একের পর এক বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মৃত্যু হয়ে চলেছে। আর তাই নিয়ে গেরুয়া শিবিরের ক্ষোভ চরমে। সম্প্রতি বাগনানে হয়ে গেল বিজেপি নেতা কিংকর মাজির মৃত্যু এই ক্ষোভ আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় বলে মনে করা হচ্ছে। খুব স্বাভাবিকভাবেই বিজেপি সমস্ত ঘটনার জন্য তৃণমুলকেই দায়ী করেছে। যদিও তৃণমূল সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

বাগনানে মহাষ্টমীর রাতে ফুল ব্যবসায়ী তথা বিজেপি নেতা কিংকর মাজি বাড়ি ফিরছিলেন। সেসময় পথে তাঁর এক প্রতিবেশীর সঙ্গে দেখা হয়, বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। প্রতিবেশী হঠাৎ করেই কিংকর মাজির দিকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সঙ্গে সঙ্গেই কিংকরবাবু লুটিয়ে পড়েন। তাঁকে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর অস্ত্রোপচার হয়। তবে কিংকর মাজি আর প্রাণে বাঁচেননি। বুধবার বিকেলে তাঁর মৃত্যুসংবাদ এলাকায় আসে। সঙ্গে সঙ্গেই এলাকা হয়ে পড়ে অগ্নিগর্ভ।

বেশ কয়েকটি বাড়িতে শুরু হয় ভাঙচুর। দফায় দফায় মুম্বাই রোড অবরোধ করে স্থানীয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। বাগনান থানা ঘেরাও করা হয় বলে জানা গিয়েছে। এই মৃত্যুর প্রতিবাদে 12 ঘন্টার বাগনান বনধ ডেকেছে বৃহস্পতিবার গেরুয়া শিবির। সেক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে, এলাকায় এই বন্ধের মিশ্র প্রভাব পড়েছে। বাগনান স্টেশনের দক্ষিণ পাশে দোকানপাট খোলা রয়েছে। তবে স্টেশনের উত্তর দিকের দোকানপাট বন্ধ। যদিও বৃহস্পতিবার এমনিতেই বাগনান স্টেশনের উত্তর দিকের দোকানপাট বন্ধই থাকে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বাসস্ট্যান্ডেও দেখা যাচ্ছে অটোর ভিড়। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় কিছুটা যান চলাচল কম বলেই খবর। অন্যদিকে পুলিশের তরফ থেকে বিজেপি নেতার দেহ তাঁর পরিবারের হাতে দেওয়া হচ্ছেনা বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের। সেক্ষেত্রে পুলিশ জানিয়েছে, ওই বিজেপি কর্মীর অস্ত্রোপচারের আগে তাঁর করোনা পরীক্ষা হয়। সেখানে রিপোর্ট পজেটিভ আসে। কিন্তু একথা গেরুয়া শিবির মোটেই মানতে রাজি নয়। তাঁদের দাবি, দেহ হস্তান্তর করবে না বলেই পুলিশ মিথ্যে করোনার অজুহাত দিচ্ছে।

আর এসবের পেছনে তৃণমূলের মস্তিষ্ক রয়েছে বলেই অভিযোগ বিজেপির। অন্যদিকে বিধায়ক অরুণাভ সেন এ কথা মোটেই মেনে নেননি। তার বদলে তিনি জানিয়েছেন, জমি সংক্রান্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করেই বাগনানে গুলি চলেছে এবং তাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে। সমস্ত মৃত্যুই দুঃখজনক বলেন তিনি, তবে এই ঘটনার সাথে রাজনৈতিক কোনো সম্পর্ক নেই। বিজেপি স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত করার জন্যই বন্ধ ডেকেছে। তবে সে ক্ষেত্রে জানা যাচ্ছে বাগনানে কিন্তু অন্য আর পাঁচটা দিনের মতো ততটা স্বাভাবিক না হলেও বৃহস্পতিবার প্রায় স্বাভাবিক জনজীবন বাগনানে।

আর এর পুরোটাই সম্ভব হয়েছে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে। আপাতত জানা গেছে 6 নম্বর জাতীয় সড়কেও স্বাভাবিক রয়েছে যান চলাচল। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় মোতায়েন রয়েছে প্রচুর পুলিশ। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, লক্ষ্মী পুজোর মুখে এই বনধ বহু মানুষের ব্যবসায়িক ক্ষতি ডেকে আনবে। অসুবিধার পড়বেন সাধারণ মানুষ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, বিজেপির ডাকা বনধকে রীতিমতো অকেজো করতে এই মুহূর্তে তৃণমূল এবং প্রশাসন মরিয়া।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!