এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > কংগ্রেস > গঙ্গার ভাঙনে গৃহহীন বহু! আর সেই ভাঙনের নামে চাঁদার তোলাবাজি নিয়ে লড়াই দুই হেভিওয়েট বিধায়কের

গঙ্গার ভাঙনে গৃহহীন বহু! আর সেই ভাঙনের নামে চাঁদার তোলাবাজি নিয়ে লড়াই দুই হেভিওয়েট বিধায়কের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার রাজনৈতিক দলগুলির তরজা ক্রমশ বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। এবার দুই বিরোধী বিধায়কের চূড়ান্ত বিবাদ দেখা গেল গঙ্গা ভাঙ্গন ঘিরে। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরগরম হয়ে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক মহল। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বর্ষার সাথে সাথে গঙ্গার জল বেড়ে উঠেছে এবং শুরু হয়েছে ভাঙ্গন। গঙ্গার ভাঙন যে কি সর্বগ্রাসী হতে পারে, তা এতদিনে মর্মে মর্মে বুঝে গেছেন গঙ্গার কিনারে বাস করা হাজার হাজার মানুষ।

সম্প্রতি গঙ্গার ভাঙন দেখতে যান ফারাক্কার কংগ্রেস বিধায়ক মইনুল হক এবং ধানগড়ায় গঙ্গা ভাঙ্গন দেখতে এসে তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন। সরাসরি তিনি সামশেরগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সামশেরগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক আমিরুল ইসলাম পাল্টা আক্রমণ করেছেন মইনুল হককে। তাঁর কথায় তোলাবাজির সর্দার হলেন মইনুল।

আমিনুল ইসলাম একপ্রকার চ্যালেঞ্জ করলেন তোলাবাজির অভিযোগ নিয়ে। তিনি জানান, তাঁর বিরুদ্ধে তোলাবাজি প্রমাণ করা গেলে তিনি পদত্যাগ করবেন। আর বপ্রর তোলাবাজি নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা বিধানসভা নির্বাচনের আগে তোলাবাজি নিয়ে অভিযোগ খুব স্বাভাবিকভাবেই দুই দলকেই অস্বস্তির মুখে ফেলেছে। বিতর্কের সূত্রপাত, ধানগড় অঞ্চলে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে। জানা গেছে, ওই ধানগড়ের গঙ্গা ভাঙনে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই গ্রামের কিছু দুর্গত মানুষের জন্য চাঁদা যাওয়া হচ্ছিল।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে সামশেরগঞ্জ এর বিধায়ক মঙ্গলবার 627 জনের একটি তালিকা প্রকাশ করে ঘোষণা করেন, রাজ্য সরকার তাঁদের পুনর্বাসন দেবে। কিন্তু এদিন ধানগড় গ্রামে এসে ফারাক্কার বিধায়ক মইনুল হক জানান, পুরোটাই রাজ্য সরকারের ধাপ্পাবাজি। সাথেই তিনি সামশেরগঞ্জের বিধায়কের বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ তুলেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল বিধায়ক পাল্টা তোলাবাজ বলে ব্যাখ্যা করেছেন ফারাক্কার কংগ্রেস বিধায়ক মইনুল হককে। আর উদাহরণ হিসেবে তিনি টেনে এনেছেন এনটিপিসিকে। তার সঙ্গেই তিনি আরো বলেছেন, ধানগড়ায় তাঁর নাম করে যদি কেউ টাকা তোলে, তার প্রমাণ তিনি চেয়েছেন।

তবে তিনি জানিয়েছেন, গ্রামের বিশিষ্টজনেরা দুর্গতদের জন্য সাহায্য চাইছে, সেই টাকা তুলে গৃহহারাদের সাহায্য দেওয়া হচ্ছে। তার সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই। একইভাবে ধানগড়ায় চাঁদা তুলছেন যারা, তাঁদের মধ্যে থেকেও জানা গেছে এর সাথে কোন রাজনৈতিক যোগাযোগ নেই। সাধারণ মানুষই চাঁদা তোলায় উদ্যোগী হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, দুই বিরোধীদলের রেষারেষিতে গঙ্গা ভাঙ্গন এর মতন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাটি হারিয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে একুশের বিধানসভা নির্বাচন দোরগোড়ায় কড়া নাড়ছে। এই অবস্থায় দুই দলের বিধায়কের দিকে যেভাবে তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে, তা কিন্তু যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে জানা যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!