এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > পুজো, শাস্ত্র ও ভাগ্য > গনেশ চতুর্থীর আগে টানা দু-দিনের লকডাউন কি অনেকের অনেক হিসেব পাল্টে দিল? জল্পনা চরমে!

গনেশ চতুর্থীর আগে টানা দু-দিনের লকডাউন কি অনেকের অনেক হিসেব পাল্টে দিল? জল্পনা চরমে!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –এখনকার প্রজন্মের কাছে বর্তমান পরিস্থিতি একেবারে আলাদা। জীবনে প্রথমবার এই রকম অবস্থার মধ্যে পড়েছে মানুষ। প্রাত্যহিক জীবন থেকে উৎসব আনন্দ সবেতেই করোনার কোপ পড়েছে। তবে সর্বত্রই চলছে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা। বিগত কয়েক মাস ধরে চলছে করোনা পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা। আর তাতেই নতুন সংযোজন হয়েছে, প্রতি সপ্তার লকডাউন।

এই সপ্তায় লকডাউন চলছে বৃহস্পতি ও শুক্রবার। তবে মুশকিল হয়েছে অন্যজায়গায়। কারণ শনিবার রয়েছে গণেশ চতুর্থী। প্রতিবছরের মতো এবছর পুজোর জৌলুস অনেকটা কম হলেও ছোট করে পুজোয় আয়োজন করতে চান অনেকেই। তবে লকডাউনে জরুরি পরিষেবা ছাড়া অন্যান্য সমস্ত দোকানপাটই বন্ধ। এমনকী আমজনতারও বাড়ি থেকে বেরনোর উপায় নেই। এই অবস্থায় মাথায় হাত সকলের। সেক্ষেত্রে কি কি মুশকিলে পড়লেন মানুষ, দেখে নেওয়া যাক।

প্রতিমা:- প্রতি বছর অনেকদিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় প্রতিমা তৈরির কাজ। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলে কার প্রতিমা কত বড় সেই প্রতিযোগিতা। তবে এই বছরের হিসেবটা একটু আলাদা। এবছর তুলনামূলক অনেক কম মূর্তি বানিয়েছেন শিল্পীরা। প্রতিমা শিল্পীদের দাবি, একদিকে করোনা পরিস্থিতি আর অন্যদিকে কাঁচামালের আগুন দাম। তাই চাইলেও খুব সস্তায় বিক্রি করা যাবে না প্রতিমা। তার উপর আবার রাজ্যজুড়ে পরপর দু’দিন লকডাউন। তাই বিক্রি যে আদৌ কতটা হবে তা নিয়েও যথেষ্ট চিন্তা ছিল। তবে অনেকেই লকডাউনের আগের দিন অর্থাৎ বুধবারই প্রতিমা কিনে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

ফুল-ফল-মিষ্টি :- পুজোতে ফুল আর ফল মাস্ট। তবে লকডাউনের মধ্যে আগে থেকে ফল কিনে রাখলেও ফুল মালা কি করে কিনে রাখবেন সেই নিয়ে মুশকিল হয়েছে। সাথে ফুলের ব্যবসায়ীদের মাথাতেও হাত পড়েছে। কারণ এই পুজোপার্বন উপলক্ষেই তাদের দুটো আয় হয়। এছাড়া বাকি সব দোকানের মত মিষ্টির দোকানও বন্ধ। আর তাছাড়া করোনা আবহে দোকান থেকে মিষ্টি কেনা কতটা সুরক্ষিত হবে সেই নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

প্যান্ডেল:- করোনা আবহে বেশ ধাক্কা খেয়েছে প্যান্ডেল ব্যবসায়ীরা। একে বিয়ে, জন্মদিন, পৈতে ইত্যাদি কোনো অনুষ্ঠানই এখন হচ্ছে না। তারপর করোনা আবহে বাড়িতে বাইরের লোক এসে প্যান্ডেল করে দিয়ে যাবে, বা সেখানে মানুষ আসবে সেই ভরসাও পাচ্ছে না কেউ। আর পুরো প্যান্ডেল স্যানিটাইজ করা সম্ভব হয়না। ফলে সমস্যা এতরফেও আছে।

এছাড়াও পুরোহিত এলেই বা মাস্ক পরে তিনি কি করে পুজো করবেন বা সকলে একসঙ্গে অঞ্জলী দেবে কি করে সব মিলিয়ে অনেক সমস্যাই রয়েছে। তবে শেষমেশ যাঁর পুজো তাঁর ওপরই ভরসা রেখেছেন মানুষ। যেভাবে হোক এ যাত্রায় পার করে দাও ঠাকুর! এই কথাই এখন মুখে মুখে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!