এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ফিরহাদ হাকিমের নির্দেশে মানতে গিয়ে বেধড়ক মার খেলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা, জোর চাঞ্চল্য!

ফিরহাদ হাকিমের নির্দেশে মানতে গিয়ে বেধড়ক মার খেলেন হেভিওয়েট তৃণমূল নেতা, জোর চাঞ্চল্য!



সামনেই পৌরসভা নির্বাচন। তার আগে এখন তৃণমূল নিজেদের মতো করে প্রচার প্রক্রিয়া শুরু করে দিয়েছে। প্রার্থী তালিকা ঠিক না হলেও, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ শুরু করেছেন তৃণমূল নেতারা। কিন্তু এবার প্রচার করতে গিয়েই যে দলের কর্মীদের হাতে মার খেতে হবে তৃণমূলের হেভিওয়েট কাউন্সিলরকে, তা আঁচ করতে পারেননি কেউ। বস্তুত, ইতিমধ্যেই বর্ধমান জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম নির্দেশ দিয়েছেন, পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বিদায়ী কাউন্সিলরদের জনসংযোগ রক্ষা করতে। আর সেই মতই দলের হেভিওয়েট নেতাদের নির্দেশ রক্ষা করতে ময়দানে নেমে পড়েছেন তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলররা।

সূত্রের খবর, গত সোমবার সন্ধ্যায় শাখারিপুকুরে অরুণ দাস সরণির কাছে বস্তিতে জনসংযোগ করতে যান 15 নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলর শঙ্খশুভ্র ঘোষ। অভিযোগ, সেই সময়ে বেশ কয়েকজন দুষ্কৃতী লাঠি, শাবল নিয়ে এসে তার ওপর চড়াও হয়। আর এতেই চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলার প্রচার করতে আসার সময় হঠাৎ কে বা কারা আক্রমন করল তার ওপরে, তা নিয়ে রীতিমতো উত্তেজনা তৈরি হয়ে যায় এলাকায়। জানা গেছে, ইতিমধ্যেই শুভ্রবাবু বর্ধমান থানায় 5 জনের নামে অভিযোগ করেছেন। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই দুর্গাপদ দাস এবং আপু সাহা নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কিন্তু কে বা কারা তার ওপর এভাবে আক্রমণ করল!

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিন এই প্রসঙ্গে শঙ্খশুভ্র ঘোষ বলেন, “আমি কোনোরকমে বেঁচে গিয়েছি। আমার বুকের উপর বসে খুন করার উদ্দেশ্যে ওরা শ্বাসরোধ করতে গিয়েছিল। দলের কর্মী খোকন ঘোষ বাঁচাতে এলে তাকেও মারধর করা হয়েছে। আশেপাশের লোকজনের চিৎকারে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। প্রাণ ফিরে পেলেও প্রচন্ড ভয়ে আছি। ঘটনার পরে শহর সভাপতিকে ফোন করেছি। উনি বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে লোকজন পাঠিয়ে আমাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন। জেলা সভাপতি খুব সহানুভূতি দেখিয়েছেন। তার নির্দেশেই থানায় অভিযোগ করেছি। দলের এক প্রভাবশালী নেতার মদতেই আমার ওপর আক্রমণ করা হয়েছে। সেটা সবাই জানে।”

আর শঙ্খশুভ্রবাবুর এই কথা থেকেই কার্যত স্পষ্ট যে, তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলরের ওপর এই আক্রমণ আদতে তৃণমূলের কোনো নেতার দ্বারাই হয়েছে। কিন্তু পৌরসভা নির্বাচনের মুখে এই ঘটনা তৃণমূলকে যে এখন প্রবল বিড়ম্বনায় ফেলেছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত প্রত্যেকেই। এদিন এই প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ বলেন, “পর্যবেক্ষককে আমরা পুরো ঘটনা জানিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে বলা হয়েছে।” কিন্তু আর কতদিন এরকম চলবে! শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশ থাকা সত্বেও প্রচারে গিয়ে কেন আক্রান্ত হবেন তৃণমূলের বিদায়ী কাউন্সিলর? এটা কি তৃণমূলের ভেতরকার অনৈক্যকে বারবার প্রকাশ করে দিচ্ছে না! প্রশ্নটা উঠছে দলের অন্দরেই।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!