এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > বিজেপি > ফের বিজেপিতে যোগদান নেতাদের, 2021 এর আগে শক্তি বাড়াচ্ছে গেরুয়া শিবির

ফের বিজেপিতে যোগদান নেতাদের, 2021 এর আগে শক্তি বাড়াচ্ছে গেরুয়া শিবির



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – ধীরে ধীরে রাজ্যে তাদের শক্তি বাড়াতে শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। যত দিন যাচ্ছে, ততই বিজেপির প্রভাব বাড়ছে রাজ্যে। হাতে আর কয়েকটা মাস বাকি। তারপরেই বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে এখন ক্রমশ বিভিন্ন দল থেকে নেতাকর্মীদের নিজেদের দলে যোগদান করানো কার্যত বিজেপির কাছে প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এবার একদা বামেদের শক্ত ঘাঁটি বলে পরিচিত হলদিয়ায় সিপিএমের প্রচুর নেতাকর্মী যোগ দিলেন গেরুয়া শিবিরে। বিশেষ সূত্রের খবর, সিপিএমের জেলা সম্পাদক মন্ডলীর প্রাক্তন সদস্য শ্যামল মাইতি সদলবলে যোগ দিতে চলেছেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে। যেখানে তার হাত ধরেই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন আরএসপি রাজ্য কমিটির অন্যতম সদস্য অশ্বিনী জানা এবং সিপিএম এরিয়া কমিটির সদস্য অর্জুন মন্ডল সহ অন্যান্যরা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একসময় সিপিএমের শক্ত ঘাঁটি ছিল হলদিয়া। লক্ষ্মণ শেঠের দাপটে এখানে বিরোধীরা কার্যত মাথা তুলতে পারত না। কিন্তু কালের নিয়মে সেখানে তৃণমূলের দাপট দেখা গেছে। তবে গত লোকসভা নির্বাচন থেকেই রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণে কিছুটা হলেও বদল এসেছে। সিপিএমের দিকে যারা সমর্থন করতেন, তাদের অনেকেরই সমর্থন চলে গিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির দিকে। যার ফলে অনেক জায়গাতেই সাফল্য পেয়েছে গেরুয়া শিবির।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

স্বাভাবিকভাবেই বিধানসভা নির্বাচনের আগে এবার তৃণমূলের পাশাপাশি বামফ্রন্টেরও প্রচুর নেতাকর্মী বিজেপিতে যোগ দিতে শুরু করলেন। যার ফলে বাম-কংগ্রেস জোট করে বিজেপি এবং তৃণমূলকে চাপে ফেলার স্বপ্ন দেখলেও, যেভাবে বিজেপিতে তাদের নেতাকর্মীরা যেতে শুরু করেছেন, তাতে তাদের এই স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে বলে দাবি করছেন একাংশ।

কিভাবে তারা এই ভাঙ্গনকে সামাল দেবে? এদিন এই প্রসঙ্গে সিপিএমের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এতে দলের কোনো ক্ষতি হবে না. অতীতে লক্ষ্মণ শেঠের মত নেতা দল ছেড়েছেন। আর সেই ক্ষত সামলানো গিয়েছে। তাই এই ভাঙ্গনে পার্টি আরও শক্তিশালী হয়েছে। যদিও বা বিজেপির পক্ষ থেকে হুংকার দিয়ে দাবি করা হচ্ছে, এ তো সবে শুরু হয়েছে। পিকচার বাকি আছে। স্বাভাবিকভাবেই ভবিষ্যতে যে এরকম যোগদান আরও হবে, সেই ব্যাপারটি কার্যত স্পষ্ট বিজেপি নেতাদের কথা থেকেই।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, তত এই দলবদলের প্রবণতা দেখা যাবে রাজ্যে। পর্যবেক্ষকদের মতে, যদি এভাবে ভাঙ্গন ঘটতে শুরু করে এবং তার ফলে তৃণমূল সহ বামফ্রন্ট থেকে নেতাকর্মীরা যোগ দিতে শুরু করেন ভারতীয় জনতা পার্টিতে, তবে গেরুয়া শিবির আরও সমৃদ্ধ এবং শক্তিশালী হবে। যার প্রভাব পড়বে ভোটব্যাংকে। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – দ্বিতীয় পর্ব – 

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – প্রথম পর্ব – 

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!