এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > ফের বাড়ল রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের তিক্ততা, জেনে নিন কারণ!

ফের বাড়ল রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সম্পর্কের তিক্ততা, জেনে নিন কারণ!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – মাঝেমধ্যেই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে সরব হন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। আর এবার আবার নতুন করে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গেল তাকে। সূত্রের খবর, রবিবার পটাশপুরের বিজেপি কর্মী মদন কুমার ঘোড়ুইয়ের মৃত্যু নিয়ে সরব হলেন রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। যেখানে সেই বিজেপি কর্মীর ওপর অমানবিক অত্যাচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পাশাপাশি এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি চিঠি লিখেছেন রাজ্যপাল। যে ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এভাবে আরও একবার পুলিশ প্রশাসনকে কটাক্ষ করায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে রাজ্যপাল রাজ্য সরকারের ওপর যে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

সূত্রের খবর, এদিন ট্যুইটে রাজ্যপাল লেখেন, “জেল হেফাজতে থাকাকালীন মদন কুমার ঘোড়ুইয়ের মৃত্যু একটি ভয়ংকর ঘটনা। ওই বিজেপি কর্মীর অমানবিকভাবে অত্যাচার করা হয়েছে।” এদিকে এদিন রাজ্য পুলিশের ডিজি এবং কলকাতা পুলিশকে ট্যাগ করে তাদের ভূমিকা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করতে দেখা গেছে রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুর থানার কিশোর ঘোড়ুই কয়েকদিন আগেই বাসুদেবপুর এলাকার এক যুবতীকে নিয়ে পালিয়ে যায়।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

জানা যায়, তাদের দুজনের মধ্যে আগে থেকেই প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এরপর যুবতীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হলে সেই ছেলের মা আত্মগোপন করেন। দীর্ঘদিন খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁদেরকে পাওয়া। পরবর্তীতে গত 26 সেপ্টেম্বর ওই যুবকের কাকা মদন কুমার ঘোড়ুইকে পটাশপুর থানার পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তারপর জেল হেফাজতে থাকাকালীন তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর এরপরই গত মঙ্গলবার দুপুরে জানা যায় যে, মদনবাবুর মৃত্যু হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার পরেই সেই মদনবাবু তাদের দলের কর্মী বলে তার উপর অত্যাচার করে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করে ভারতীয় জনতা পার্টি।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর প্রথম থেকেই বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর এবার গোটা ঘটনায় এই ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি দিলেন রাজ্যপাল। শুধু তাই নয়, রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করতে দেখা গেল তাকে। যে ঘটনায় সরকার এবং সাংবিধানিক প্রধানের মধ্যে আরও দূরত্ব বৃদ্ধি পেল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!