এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > প্রাক্তন দলের নেতাদের নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া তৃণমূলনেত্রী

প্রাক্তন দলের নেতাদের নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া তৃণমূলনেত্রী



মুকুল রায়ের হাত ধরে গত ২৮ ডিসেম্বর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন শিখা চ্যাটার্জি। কেন বিজেপিতে যোগ দিলেন এই বিষয়েই কোনো কথা বলেন নি তিনি। কিন্তু এদিন কলকাতার একটি পোর্টালকে সাক্ষাৎকার দিয়ে পুরানো অনেক দলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন শিখাদেবী। তিনি বলেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আমার কোনও ক্ষোভ নেই। তিনি যে আদর্শ নিয়ে কাজ করছেন সেই আদর্শ সবাই মেনে চললে ডাবগ্রামের অবস্থা আজ এরকম হত না।

পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করছেন নেতারাই। দিন দিন তোলা হচ্ছে দেদার টাকা। ভাগ-বাটোয়ারা হচ্ছে তার। কোথাও বুজিয়ে দেওয়া হচ্ছে নদী, কোথাও দখল হচ্ছে রাস্তা। স্থানীয় পঞ্চায়েত, প্রশাসন সবেতেই দলের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও এবং নিজেও পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ থাকাকালীনও এসব রুখতে পারেননি। গৌতমদেবের বিরুদ্ধেও তিনি অভিযোগ এনেছেন বলে ওই পোর্টালে দাবি করা হয়েছে। এদিন তিনি বলেছেন এসব নিয়ে গৌতম দেবকে অভিযোগ জানালে তিনি বলেছেন পুলিশে অভিযোগ জানাতে। অভিযোগের সেই কপি জমাও দিয়েছি মন্ত্রীর কাছে। কিন্তু অদৃশ্য শক্তির অঙ্গুলিহেলনে বহাল তবিয়তে চলছে জমির জমজমাট কারবার। বেঘর হচ্ছে অসহায় মানুষ। আর এসবের প্রতিবাদ করেছি বলেই শাসক দলের নেত্রী হয়েও মার খেতে হয়েছে। যারা মেরেছেন তারাও দলের নেতা, জমির দালাল। হাসপাতালে আমায় দেখতে গিয়েছেন মন্ত্রী। বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু মজার বিষয় হল এফআইআর -এ নির্দিষ্ট নাম দেওয়া সত্ত্বেও আসল অভিযুক্তদের পুলিশ ধরেনি। অন্য এক নিরীহ লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর আসল অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিন নিয়ে গ্রেপ্তারি এড়িয়েছেন পুলিশের মদতেই।তিনি অভিমানের সুরে বলেন যে দলের নানা পদে যারা এসেছে তারা হয় জমির দালাল, না হয় চিটফান্ডের কারবারি। কেউ ইন্দিরা আবাসের টাকা মেরেছে, কেউ আবার দাগি অপরাধী। অথচ তাদের হাতেই কার্যত একটু একটু করে চলে গিয়েছে দলের রাশ। অসহায় মানুষগুলোকে মামলায় জর্জরিত করে কেড়ে নেওয়া হচ্ছে তাদের জমিজমা, ভিটেবাড়ি। প্রতিবাদ করতে একা এগিয়েছি। আর সেই কারণেই শাসকদলের নেত্রী হয়েও মার খেতে হয়েছে। যারা মেরেছেন তারাও তৃণমূলের লোক।
এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম নেতা রঞ্জন শীলশর্মা শিখাদেবীর বক্তব্যকে মান্যতা দিয়ে বলেন এটুকু বলতে পারি ওর প্রতি অত্যাচার হচ্ছিল।বিজেপিতে যাওয়া প্রসঙ্গে শিখাদেবী বলেন শাসকদলের পদে থেকে রুখতে না পারলেও সব বলতে পারতাম না। বিজেপি -তে এসে এবার খোলামেলা সব আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারছি। মানুষকে বোঝাতে পারছি। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। জলপাইগুড়ি জেলার অন্তর্গত এই এলাকার মানুষকে বলছি আগামী নির্বাচনে দল দেখে নয়, মানুষ দেখে ভোট দিন। জমির কারবারিকে নিয়, সৎ মানুষদের ভোট দিন।

 প্রিয়বন্ধু বাংলার তরফে এই খবরের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি। এই প্রবন্ধ সম্পূর্ণরূপে ওই পোর্টালে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে করা, কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত নয়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!