এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নির্বাচনের আগে নতুন এই ‘আতঙ্ক’ নিয়ে টালমাটাল হতে চলেছে শাসকশিবির? জানুন বিস্তারিত

নির্বাচনের আগে নতুন এই ‘আতঙ্ক’ নিয়ে টালমাটাল হতে চলেছে শাসকশিবির? জানুন বিস্তারিত



সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার মাত্র ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই নিজেদের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করে দিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে বাকি রাজনৈতিক দলগুলিকে বেশ কয়েক কদম পিছনে ফেলে দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে রাজ্য থেকে ৪২ এ ৪২ করার লক্ষ্যে জোরকদমে চলছে প্রচার – কর্মীসভা থেকে শুরু করে দেওয়াল লিখন, জনসংযোগ – সবেতেই বেশ কয়েক কদম এগিয়ে রয়েছে ঘাসফুল শিবির – তা যেন প্রমান করে দিচ্ছে প্রতি পদে।

কিন্তু, এর মাঝেই নতুন এক ‘আতঙ্ক’ তাড়া করতে পারে শাসকদলের বেশ কিছু হেভিওয়েট নেতাকে, যাঁদের মধ্যে অনেককেই এবার প্রার্থী করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কি সেই ‘আতঙ্ক’? সূত্রের খবর অবশেষে ‘নারদ স্টিং অপারেশনের’ চার্জশীট জমা পড়তে চলেছে। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে, বিজেপির রাজ্য সদর দপ্তর থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে একে একে বেশ কয়েকটি ভিডিও সামনে আনা হয়। যে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ছদ্মবেশী সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েলের কাছ থেকে গোছা গোছা টাকা নিচ্ছেন রাজ্য-রাজনীতির একাধিক হেভিওয়েট।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

পরবর্তীকালে ম্যাথু স্যামুয়েলের দাবি ছিল, ওই ভিডিও বা স্টিং অপারেশন তিনি করেছিলেন ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই টালমাটাল হয়ে ওঠে রাজ্য-রাজনীতি, কিন্তু রাজ্যের শাসকদলের তরফে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল – ওই ভিডিও ‘জাল’। যদিও সেখান থেকে ১৮০ ডিগ্রি সরে এসে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে তৃণমূল নেত্রী জানিয়েছিলেন, এই ঘটনা তিনি আগে জানলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নাকি টিকিটই দিতেন না! কিন্তু, পরবর্তীকালে নির্বাচনে জিতে ওই ভিডিওতে যাঁদের দেখা গেছে বলে দাবি – তাঁদের সকলকেই তিনি মন্ত্রীত্ব দেন।

সেই সময়ে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়, ছদ্মবেশী ম্যাথুর কাছ থেকে দলীয় নেতারা নির্বাচনের চাঁদা নিয়েছিলেন। এমনকি সাংবাদিক ম্যাথু স্যামুয়েল কোথা থেকে অত টাকা পেলেন তার তদন্ত আগে হওয়া উচিত বলেও শাসকদলের তরফে দাবি করা হয়। আর এত কিছুর পরেও, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে সেই ‘স্টিং অপারেশনে’ দেখা গিয়েছিল এরকম একাধিক দলীয় নেতাকে টিকিট দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী। আর সূত্রের খবর, অবশেষে নারদ মামলার চার্জশীটও নাকি জমা পড়তে চলেছে শীঘ্রই। সেই চার্জশীটে যদি কোনও তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী নাম থাকে – তাহলে কি হবে, সেই দিকেই আপাতত তাকিয়ে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!