এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > বিজেপি > কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সমস্যা মেটালেও রাজ্যের একাংশের কারণে আবারো কি বিজেপির কাননে অকাল-বৈশাখী?

কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সমস্যা মেটালেও রাজ্যের একাংশের কারণে আবারো কি বিজেপির কাননে অকাল-বৈশাখী?



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –সাম্প্রতিককালে রাজ্যে এসেছিলেন অমিত শাহ। আর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নানা কর্মসূচি থাকলেও তার সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করতে দেখা গিয়েছিল বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। এদিকে দলে যোগদানের পর থেকেই কার্যত সমস্ত রকম রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে দূরে থেকেছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং তার বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, শুক্রবার রাতে গোলপার্কের কাছে বিজেপির কেন্দ্রীয় সম্পাদক অরবিন্দ মেনন এবং রাজ্য বিজেপির সহকারী সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী সহ বেশ কয়েকজন নেতার শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে এসে তার সঙ্গে বৈঠক করেন। এদিকে এই ঘটনার পরই শনিবার সকালে রাজ্য বিজেপির পক্ষ থেকে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করে রবিবার দলের বিজয়া সম্মিলনীতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কিন্তু সেখানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

স্বাভাবিকভাবেই এককালে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে গুরুত্ব না দেওয়ার ব্যাপারটি সামনে আসাতেই এখন শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিজেপির দূরত্ব আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করছে একাংশ। যার ফলে এই দুই নেতা নেত্রীকে নিয়ে বিজেপির সমস্যা আরও ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় দুজনেই বিজেপির রাজ্য কমিটির অন্যতম সদস্য। কিন্তু মাঝে মধ্যেই তারা দলের কোনো কর্মসূচিতে ডাক পেলেও উপস্থিত হননি। কিন্তু সাম্প্রতিককালে অমিত শাহ রাজ্যে আসার পর এই ব্যাপারে সমস্যার সমাধান হতে শুরু করেছিল বলে মনে করা হয়। তবে রাজ্য বিজেপির অনেকেই চাইছেন, শোভনবাবু এবং বৈশাখীদেবী যাতে যৌথভাবে একসাথে দলের কাজ না করেন। যার ফলে সমস্যা বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

যদি এই সিদ্ধান্তে অনড় থাকে বিজেপির একাংশ, তাহলে একসাথে পথ চলতে না পেরে গোটা পরিস্থিতি আরও সমস্যাসঙ্কুল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন একাংশ। কেননা দলে প্রবেশ করা থেকে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শোভন চট্টোপাধ্যায় একসাথে সমস্ত কাজ করতে চেয়েছেন। কিন্তু শোভন চট্টোপাধ্যায়কে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হলেও, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে অতটা গুরুত্ব দেওয়ার কথা বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে শোনা যায়নি।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

আর তারপর থেকেই বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে এই দুই জুটির দূরত্ব বাড়তে শুরু করেছিল। কিন্তু মাঝে তাদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার পর সেই দূরত্ব মিটে যাবে বলেই আশা করা হয়েছিল। তবে সেই বৈঠকের পর শোভন চট্টোপাধ্যায়কে বিজয়া সম্মিলনীতে ফোন করা হলেও তার বান্ধবি বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন না করায় সমস্যা নতুন করে মাথাচাড়া দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হল না? এদিন এই প্রসঙ্গে বিজয়া সম্মেলনীর আয়োজন করা সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “কারও মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। দল যাকে ডাকা প্রয়োজন বলে মনে করেছে, তাঁকেই ডাকা হয়েছে। এর পেছনে অন্য উদ্দেশ্য খুজতে যাওয়ার অর্থ হয় না।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির আরও ঐক্যবদ্ধভাবে সকলকে নিয়ে পথ চলা উচিত। কিন্তু তা না করে যেভাবে গেরুয়া শিবির শোভন চট্টোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানালেও, বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়কে সেখান থেকে বাদ রাখলেন, তা নিয়ে আরও জলঘোলা হতে শুরু করেছে পরিস্থিতি। সব মিলিয়ে গোটা ঘটনা পরম্পরা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

 

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!