এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > এবার রাজ্যপালকে কান ধরে ওঠবোস করাতে চান তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ! উঠল তীব্র বিতর্কের ঝড়

এবার রাজ্যপালকে কান ধরে ওঠবোস করাতে চান তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ! উঠল তীব্র বিতর্কের ঝড়



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত দীর্ঘসময়ের। রাজ্যের সাংবিধানিক দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই রাজ্যের নানা বিষয় নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। সম্প্রতি তিনি ভোট পরবর্তী হিংসার পরিস্থিতি নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছেন। এ বিষয় নিয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণের আর্জি জানিয়েছেন তিনি।

এবার এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালকে কঠোর ভাষায় আক্রমণ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেছেন, রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা সমস্তটাই সাজানো। এই ঘটনা যদি সত্যি হয়, তাহলে রাজ্যপাল নিজে অভিযোগ লিখুন। আর যদি এই ঘটনা মিথ্যা হয়, তাহলে রাজ্যপালের উচিত কান ধরে উঠা-বসা করা। তাঁর এই বক্তব্য তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে রাজ্যের রাজনীতি মহলে।

রাজ্যে নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকে বারবার রাজনৈতিক হিংসার অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। নানা স্থান থেকে বারবার অভিযোগ পাওয়ার পর কিছুদিন আগে কোচবিহার পরিদর্শন করেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর। এরপর গতকাল নন্দীগ্রাম পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। নন্দীগ্রামে একাধিক এলাকায় পায়ে হেঁটে, বাইকে চেপে রাজ্যপাল পরিদর্শন করেছিলেন। ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অবস্থা খতিয়ে দেখেন রাজ্যপাল। মানুষের কষ্ট দেখে চোখের জল চেপে রাখতে পারেনি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রাজ্যপাল জানান, মুখ্যমন্ত্রী করোনার সঙ্গে লড়াই করুন, কিন্তু সাধারণ মানুষকেও তিনি সুরক্ষা দিন। এই ভয়ানক পরিস্থিতি দেখে হৃদয় কাঁপছে তাঁর। রাজ্যপাল জানান, বারবার সাধারণ মানুষ, নিরীহ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রীর বিষয়টি দেখা উচিত। যেখানে তিনি যাচ্ছেন, সেখানেই দেখছেন যে, লোকজন নেই। সকলে ঘর ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। যারা ঘরে আছেন, তাদেরকে মারধর করা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভোট-পরবর্তী হিংসার এমন ছবি দেশের আর কোথাও দেখা যায়নি। এই নৃশংসতা অকল্পনীয়।

রাজ্যপালের এই বক্তব্যের পর তাঁকে পাল্টা কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এ প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, সমস্ত সাজানো ঘটনা। এই ঘটনা যদি সত্যি হয়, তাহলে রাজ্যপাল নিজেই তার অভিযোগ লিখুন। আর যদি মিথ্যা হয়, তবে রাজ্যপালের উচিত কান ধরে উঠা-বসা করা। গণমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে করে জানালেন, তাদের মাধ্যমেই তিনি রাজ্যপালকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চান। তিনি চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবেন কিনা? সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের দ্বারাই তা জানিয়ে দিন রাজ্যপাল।

রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানকে কটাক্ষ করে এমন ধরণের বক্তব্য রাখা কতটা শোভনীয়? তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্যের রাজনীতিমহলে। সাংবিধানিক প্রধানের সঙ্গে মতের অমিল থাকতে পারে, কিন্তু তাঁর উদ্দেশ্যে এই ধরনের কুরুচিকর বক্তব্য, তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে রাজনৈতিক মহলে। প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের একাধিক বিষয় নিয়ে বারবার মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যপাল একাধিক বিষয়ে অভিযোগ করার পরেই, তাঁকে ঘিরে শুরু হয়েছে পাল্টা কটাক্ষ শাসকদলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!