এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > এবার নির্বাচনের আগেই বুথের সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙার ঘটনা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির চাপানউতোর তুঙ্গে

এবার নির্বাচনের আগেই বুথের সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙার ঘটনা নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির চাপানউতোর তুঙ্গে



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট চলেছে রাজ্যের পঞ্চম দফার নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ভোট গ্রহণ কেন্দ্র হচ্ছে বর্ধমান উত্তর বিধানসভা। বরাবরই বর্ধমান উত্তর বিধানসভা নিয়ে টানাপোড়েন চলে। অন্যদিকে গত চার দফা নির্বাচনে বাংলা দেখেছে রক্তপাত, বাংলা দেখেছে চরম নাটকীয় রাজনৈতিক মোড়। শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে এখনো পর্যন্ত টানাপোড়েন চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। কিন্তু তার মধ্যেই বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের কপিবাগান এলাকায় ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙ্গার ঘটনায় তীব্র উত্তেজনা ছড়াল।

সূত্রের খবর, বুধবার সকালে বর্ধমান উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রে 205, 206 এবং 206 এ এই তিনটে বুথ হয়েছে একটি শিশুশিক্ষা কেন্দ্রে। সুতরাং সমস্ত প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যেই ঘটে গেল একটি অতি সন্দেহজনক ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই ভোটকেন্দ্রের চাবি যার কাছে ছিল বুধবার তাঁর কাছে দুটি ছেলে যায় এবং তাঁরা নিজেদের পরিচয় দেয় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি বলে। তাঁদের হাতে চাবি দেওয়া হলে তাঁরা ভোট কেন্দ্রে যায় এবং কাজ সেরে চাবি ফেরত দেয়।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু  এলাকার মানুষ ওই ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখেন, সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙ্গা এবং একটি চিপ পড়ে আছে। মুহূর্তের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ওই ভোটকেন্দ্রে ছুটে আসেন পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী। এই ঘটনায় গেরুয়া শিবির তৃণমূলের বিরুদ্ধেই চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছে। তৃণমূল অবশ্য তাঁদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছে। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির স্থানীয় নেতা গৌতম ঘোষ জানিয়েছেন, এর পেছনে তৃণমূলের ষড়যন্ত্র কাজ করছে।

যাদের বাড়িতে চাবি রাখা ছিল তাঁদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যারা চাবি নিয়েছে, তাঁরা চেনা নন। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস জানিয়েছেন, বর্ধমান উত্তরে তৃণমূল যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই সেখানে এ ধরনের কাজ করার কোন প্রয়োজন পড়েনা। পাশাপাশি তৃণমূল দাবি করেছে প্রশাসনিক তদন্তের। খুব স্বাভাবিক ভাবেই শীতলকুচির ঘটনার পর আর কোনো রকম ভুল করতে রাজি নয় কেন্দ্রীয় বাহিনী বা প্রশাসন। সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙার ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূল ও বিজেপির চাপানউতোর তুঙ্গে। আপাতত এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা রয়েছে তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!