এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > এবার মারধোরের ঘটনায় অভিযুক্ত খোদ পুলিশকর্মী, ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য

এবার মারধোরের ঘটনায় অভিযুক্ত খোদ পুলিশকর্মী, ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – রাত শেষ হলেই শুরু হতে চলেছে ষষ্ঠ দফার নির্বাচন। এই মুহূর্তে টানটান উত্তেজনা বাংলার বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে। তবে এবার নির্বাচন ঘিরে উঠে এলো অন্যরকম খবর। ভোট করাতে গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারকে মারধোরের মুখোমুখি হতে হল। এবং এই মারধরে যুক্ত থাকায় অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে আসছে এক পুলিসকর্মীর।

খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার দুপুরে তেহট্ট পলিটেকনিক কলেজ ডিসিআরসি কেন্দ্রে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনা উপস্থিত ভোট কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করে এবং তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। ওই কেন্দ্রে দীর্ঘক্ষণ পর বিশৃংখলা আয়ত্তে আসে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ওই কেন্দ্রে পৌঁছান জেলার ভূমি সংস্কার আধিকারিক অনীশ দাশগুপ্ত, তেহট্ট 2 ব্লকের বিডিও শুভ সিংহ রায়, এসডিপিও প্রসেনজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অন্যান্য পুলিশকর্মীরা। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, পলাশীপাড়া বিধানসভার ডিসিআরসি কেন্দ্র তেহট্টের বেতাই পলিটেকনিক কলেজ।

নির্বাচন উপলক্ষে বুধবার দুপুরে সেখানে ভোট কর্মীরা উপস্থিত হন। তার মধ্যেই ছিলেন প্রিসাইডিং অফিসার সুকান্ত বিশ্বাস। তিনি পুলিশ ট্র্যাক করতে যান এদিন দুপুরবেলা। তাঁর অভিযোগ, ঠাকুরদাস মাহাতো নামে এক পুলিশকর্মীকে বারবার মাইকে ডাকা সত্ত্বেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বেশ কিছুক্ষণ পর তাঁকে পাওয়া গেলে গাড়িতে ওঠার কথা বলামাত্রই ঠাকুরদাস মাহাতো পাল্টা প্রিসাইডিং অফিসার সুকান্ত বিশ্বাসের ওপর হামলা চালান। পালাতে গিয়ে পড়ে গেলে সুকান্ত বাবুকে বেধড়ক মারধর করা হয়। গুরুতর জখম হন তিনি। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় সুকান্ত বিশ্বাস নামক প্রিসাইডিং অফিসার কোমরে ও মাথায় গুরুতর চোট পান।

প্রশাসনিক আধিকারিকরা তাঁকে তেহট্ট মহকুমা হাসপাতালেই নিয়ে যান। তবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মী ঠাকুরদাস মাহাতোর সাথে কোনরকম যোগাযোগ করা যায়নি। অন্যদিকে প্রশাসনের অন্য একটি অংশের দাবি, এই ঘটনায় প্রিসাইডিং অফিসার এবং পুলিশকর্মীদের মতবিরোধের ফলেই হয়েছে।

তেহট্টের এসডিপিও প্রসেনজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জেলাশাসক পার্থ ঘোষ জানিয়েছেন, উপযুক্ত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় এলাকা জুড়েও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।হঠাৎ করে কি এমন ঘটলো, যাতে প্রিসাইডিং অফিসারকে ধরে মারধর করতে হলো তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিভিন্ন জল্পনা। আপাতত এই ঘটনার তদন্ত সূত্র ধরে নতুন কোন ঘটনার সন্ধান পাওয়া যায় কিনা সেদিকেই এখন নজর ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!