এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > দুয়ারে সরকার নিয়ে যেতে চাইছেন মমতা আর তার ‘দখল’ নিয়ে গোষ্ঠীকোন্দলে উত্তাল হচ্ছে তাঁর দল!

দুয়ারে সরকার নিয়ে যেতে চাইছেন মমতা আর তার ‘দখল’ নিয়ে গোষ্ঠীকোন্দলে উত্তাল হচ্ছে তাঁর দল!



আপনাদের সুবিধার্থে খবরের শেষে বিধানসভা ২০২১ উপলক্ষে আমাদের করা সর্বশেষ সমীক্ষার প্রতিটির লিঙ্ক দেওয়া আছে।

আপনার মতামত জানান -

প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – সরকারি প্রকল্পের সুবিধা মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে সদ্যই তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু করেছেন ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। প্রথম দিন থেকেই মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে আসছেন, এই ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির হাত ধরে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দলমত নির্বিশেষে সবাই পাবেন। কিন্তু ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি শুরু হতেই মাত্র চার দিনের মধ্যেই তাল কাটলো। সরকারি কর্মসূচির দখল কে নেবে, তাই নিয়েই গোষ্ঠী কোন্দল শুরু। যা রীতিমতো অস্বস্তিতে ফেলেছে রাজ্যের শাসক দলকে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি বর্ধমানে তৃণমূলের শাসক শিবিরের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ব্যাপক গোষ্ঠী সংঘর্ষ হয়ে গেল।

এই সংঘর্ষের জেরে দুই গোষ্ঠীর বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার পূর্ব বর্ধমানের লোকো কলোনিতে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে বর্ধমানের 6 নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির চালু হয়েছে। আর ওই শিবিরের দখলদারি ঘিরেই শুরু হয় গন্ডগোল। সূত্রের খবর, বর্ধমানের জেলা তৃণমূল সম্পাদক খোকন দাসের অনুগামীদের সঙ্গে ওই ওয়ার্ডের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম গোষ্ঠীর বিবাদ শুরু হয়। যদিও দুই গোষ্ঠী একে অপরকে দোষারোপ করে চলেছে।

এদিন খোকন দাস দাবি করেছেন, তাঁর অনুগামী শিবু ঘোষ তাঁর পরিবারের লোকজন নিয়ে যখন স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের কার্ডের জন্য অপেক্ষা করছিলেন, সেসময় মহাম্মদ সেলিম এবং তাঁর দলবল খোকন দাসের অনুগামী শিবু ঘোষকে আক্রমণ করেন। শিবু ঘোষ বাঁচার জন্য একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেই বাড়িতে গিয়েও তাঁকে মারধর করা হয় বলে দাবি করেছেন খোকন। পাশাপাশি তিনি এও দাবি করেন, বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর আইনুল হক, সেলিম এবং মেহেবুব রহমান মিলে এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। রাতারাতি তৃণমূলে যোগ দিয়ে তাঁরা বৃহস্পতিবার তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালান এবং ভাঙচুর করেন।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে খোকন দাসের অনুগামীর বিরুদ্ধে হামলা চালানোর অভিযোগ এককথায় নস্যাৎ করেছেন প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম। তিনি পাল্টা জানিয়েছেন, ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পে শিবু ঘোষ এবং তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা দাদাগিরি চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সে সময় এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করে। এই নিয়ে বাদানুবাদ শুরু হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের তাড়ার মুখে পড়ে শিবু ও তাঁর দলবল ছুটে পালাতে গিয়ে আহত হন। তাঁদের ওপর কেউ কোনো রকম হামলা করেনি। পাশাপাশি তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় খোকন দাস যে দাবি করেছেন সেলিম গোষ্ঠীকে অভিযুক্ত করে, সেই ঘটনা পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন সেলিম। তাঁর দাবি, তৃণমূলের কোনো পার্টি অফিস নেই ওই এলাকায়।

একটা ঘরে বসে শিবু ঘোষ এবং তাঁর দলবল মিলে মদ্যপান করে। অন্যদিকে শিবু ঘোষ আবার দাবি করেছে, সেলিমের নেতৃত্বে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়েছে। সব মিলিয়ে পূর্ব বর্ধমান জেলায় ‘দুয়ারে ‌সরকার’ ক্যাম্প ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা বর্ধমানে। শুক্রবার সন্ধ্যায় খোকন দাসের নেতৃত্বে বর্ধমান থানাতেও বিক্ষোভ, ঘেরাও করা হয় অভিযুক্ত মহম্মদ সেলিমকে গ্রেপ্তারের দাবিতে। দীর্ঘক্ষণ থানার সামনে বিক্ষোভ চলে বলে জানা গিয়েছে। ঘন্টা দেড়েক বিক্ষোভ চলার পর এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ওঠে পুলিশি আশ্বাসে।

অন্যদিকে গোলমালের খবর পেয়ে প্রশাসন তৎপর হয়ে ওঠে এবং এলাকায় পৌঁছায়। তবে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন সমালোচনা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে কোন কর্মসূচি গ্রহণ করুন না কেন, সব কিছুর মধ্যেই গোষ্ঠী কোন্দল বা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব একটা বড় ভূমিকা গ্রহণ করছে বর্তমানে। আর এই গোষ্ঠী কোন্দল একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল শিবিরকে যে বিপর্যয়ের মুখে ফেলবে সে ব্যাপারে সন্দেহ নেই কারোর। আপাতত এই পরিস্থিতি সামলাতে তৃণমূল নেত্রী কি ব্যবস্থা গ্রহণ করেন, সে দিকেই নজর সবার।

আপনার মতামত জানান -

 

একনজরে দেখে নিন আমাদের সর্বশেষ বিধানসভা ২০২১ ওপিনিয়ন পোল –

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – দ্বিতীয় পর্ব – 

# মুর্শিদাবাদ জেলার ওপিনিয়ন পোল – প্রথম পর্ব – 

# মালদহ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# উত্তর দিনাজপুরে জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# জলপাইগুড়ি ও কালিম্পঙ জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# আলিপুরদুয়ার ও দার্জিলিং জেলার ওপিনিয়ন পোল –

# কুচবিহার জেলার ওপিনিয়ন পোল –

আপনার মতামত জানান -
আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!