এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দুর্গাপুজো মিটতেই বড়সড় সুখবর বঙ্গ-বিজেপিতে, বিরোধ ভুলে এক হয়ে গেলেন দুই হেভিওয়েট শীর্ষনেতা

দুর্গাপুজো মিটতেই বড়সড় সুখবর বঙ্গ-বিজেপিতে, বিরোধ ভুলে এক হয়ে গেলেন দুই হেভিওয়েট শীর্ষনেতা



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – সামনেই আসছে একুশের বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের শাসক ও বিরোধী দলগুলি উভয়েই উঠে পড়ে লেগেছে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের স্বার্থে। আর সেক্ষেত্রে দলের সাংগঠনিক জোর বাড়ানোই প্রথম পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু সাম্প্রতিককালে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের পাশাপাশি বিরোধী শিবির বিজেপির অন্দরেও দেখা দিয়েছিল তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। আর সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে পুজোর মধ্যেই  যখন দেখা যায় দিলীপ ঘোষ জেলা যুব বিজেপি সভাপতিদের তালিকা বাতিল করেছেন। তবে পুজো মিটতেই সব সমস্যার সমাধান।

পুজোর প্রাক্কালে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, তর্ক বিতর্ক নিমেষেই মিটে গেল মঙ্গলবার সকালে। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলে তুমুল আলোচনা শুরু হয় কয়েকইন ধরেই সৌমিত্র খাঁ এবং দিলীপ ঘোষের দ্বন্দ্ব নিয়ে। কিন্তু মঙ্গলবার বিজয়া দশমীর পরেরদিন সৌজন্যে প্রদর্শন করে সৌমিত্র খাঁ প্রমাণ করে দিলেন রাজনৈতিক মহলে যতই আলোচনা হোক না কেন, গেরুয়া শিবিরের ঐক্য রয়েছে এক জায়গাতেই। মঙ্গলবার সকালেই দিলীপ ঘোষের বাড়িতে বিজয়ার প্রণাম সেরে এলেন দলের যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ।

তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠক) সুব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং সায়ন্তন বসু। উল্লেখ্য বিতর্কের সূত্রপাত পূজোর মধ্যেই। পূজার মধ্যে হঠাৎ যুব মোর্চার সব জেলা কমিটি সাংগঠনিক কারণে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ আর সে অনুযায়ী তিনি কাজ করেন। কিন্তু তারপরেই বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ এর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের তিক্ততা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র জল্পনা। কারণ এই জেলা কমিটিগুলি তৈরী করেছিলেন রাজ্য যুব বিজেপি সভাপতি সৌমিত্র খাঁ।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

তাই এমনও শোনা যাচ্ছিল, সৌমিত্র খাঁ পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন গেরুয়া শিবির থেকে। এমনকি যুব মোর্চার হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকেও তিনি বেরিয়ে গেছেন বলে শোনা যায়। কিন্তু মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপি সভাপতির বাড়িতে গিয়ে সৌমিত্র খাঁ বার্তা দিলেন, সমস্ত কিছুই ঠিক আছে। দলে রাজ্য সভাপতির সঙ্গে তাঁর কোনো রকম ব্যক্তিগত সমস্যা নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, একুশের লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের দিকেই বিশেষ নজর দিচ্ছে গেরুয়া শিবির আর সে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতানৈক্যে হলেও তা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে দুই পক্ষই।

দিন দুয়েক আগেই বিজেপির সর্বভারতীয় পদাধিকারী অনুপম হাজরা কিন্তু দলের সমস্ত কর্মীদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে সতর্ক করেছেন। আজ সৌমিত্র খাঁও একই ভাবে বুঝিয়ে দিলেন রাজনৈতিক মতানৈক্য ব্যক্তিগত সম্পর্কে কোনো রকম প্রভাব ফেলবে না। 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে জেতা এই মুহূর্তে পাখির চোখ গেরুয়া শিবিরের আর সেই লক্ষ্যে কোনো রকম বাধা বিপত্তি টিকতে দিচ্ছেন না বিজেপি নেতারা। তাই বলা যায়, রাজনৈতিক মহলের সমস্ত আলোচনা এই মুহূর্তে পিছনে চলে গেল দুই হেভিওয়েট শীর্ষনেতার সৌজন্য বিনিময়ের হাত ধরে।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!