এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > বিজেপি > দলীয় কর্মীদের হেনস্থার পরিবেশে দলের পাশে দাঁড়াবার ঘোষণা দলের হেভিয়েটদের

দলীয় কর্মীদের হেনস্থার পরিবেশে দলের পাশে দাঁড়াবার ঘোষণা দলের হেভিয়েটদের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই বিজেপি কর্মীদের ওপর বারবার ধেয়ে আসছে আক্রমণ। মারধর করা হচ্ছে, বাড়িঘর ভাঙচুর করা হচ্ছে, করা হচ্ছে বোমাবাজি, এমনকি হত্যা পর্যন্ত করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের পাশে দাঁড়াবার কথা জানালেন বিজেপির একাধিক হেভিওয়েট নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা জানালেন, এই সময়ে দলের কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো দরকার। দলের কর্মীদের এখন উদ্ধার করা দরকার। এটাই হবে প্রথম কাজ। পরে, দলের পরাজয়ের বিভিন্ন কারণের ময়নাতদন্ত করা যাবে।

বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানালেন, তাঁরা কোনদিন পালিয়ে যাবার রাজনীতি করেননি। তাঁরা লড়াই করেছেন। এটা অসম যুদ্ধ। আজ পর্যন্ত বিজেপি রেকর্ড আসনে জয়লাভ করেছে, যা কেউ কল্পনাও করেননি। তাঁরা এখনো লড়াই করছেন। যে কর্মীরা নিজেদের প্রাণ হাতে নিয়ে লড়াই করছেন তাঁরা তাঁদের সঙ্গে আছেন। আগামী দিনেও তাঁরা লড়াই করবেন। আজ না হলে কাল বাংলায় বিজেপির হাত ধরেই পরিবর্তন আসবে।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বিজেপি নেতা অনির্বান গঙ্গোপাধ্যায় জানালেন, বাংলার নিজের মেয়ে যখন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, তখন থেকে পশ্চিমবঙ্গে মা বোনের অবস্থা একেবারে অসহ্য হয়ে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ফ্যাসিজমের নগ্ন নাচ শুরু হয়েছে গত কিছুদিন ধরে। এটা যে সুপরিকল্পিত ও সুনিয়োজিত চেষ্টা, তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। তিনি জানালেন, বিজেপি এখন প্রধান রাজনৈতিক দল। বিজেপি কর্মীদের সাথে একজোট হয়ে রয়েছে। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গে থাকবেন ও আক্রান্তদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন, তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন।

বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং জানালেন, রাজ্যজুড়ে বিজেপি সমর্থকদের মারা হচ্ছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর হিংসা চলছে চারদিকে। তাঁদের দলের ১৮ জন সাংসদ রয়েছেন, ৭৭ জন বিধায়ক রয়েছেন। এই অবস্থায়ও তাঁরা মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছেন না। এটা তাঁর ব্যক্তিগত মত যে, সাধারণ মানুষকে যদি তাঁরা নিরাপত্তা না দিতে পারেন, তাহলে জনপ্রতিনিধিদের উচিত ইস্তফা দিয়ে দেওয়া। তিনি অভিযোগ করেছেন, রাজ্যে কোন গণতন্ত্র নেই। সন্ত্রাসের পরিবেশ চলছে চতুর্দিকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!