এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ক্রমশ বাড়ছে অভিমান? বিধানসভার আগে মুকুল-দিলীপদের চিন্তা বাড়িয়ে এই হেভিওয়েট কি তৃণমূলের পথে?

ক্রমশ বাড়ছে অভিমান? বিধানসভার আগে মুকুল-দিলীপদের চিন্তা বাড়িয়ে এই হেভিওয়েট কি তৃণমূলের পথে?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- ভোটের আগে নিজেদের দল গুছিয়ে নিতে উঠে পড়ে লেগেছে সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। এই প্রসঙ্গে কিছুদিন আগে বিজেপির তরফ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল মুকুল রায়কে বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি পদ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে তাঁর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেওয়া অনুপম হাজরাও পেয়েছেন বড় পদ। তাঁকে করা হয়েছিল বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সম্পাদক।

বস্তুত, তৃণমূলকে চাপে রাখতেই বিজেপি এমন পদক্ষেপ করেছিল বলে মনে করেছিলেন রাজনীতিবিদরা। তবে এর মাঝখানে রাহুল সিনহাকে নতুন কোন পদ দেওয়া হয়নি বলেই জানা গিয়েছিল। দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক হিসেবে ভোটের আগে তিনি পাননি কোনো কাঙ্খিত পদ। ফলে তা নিয়ে দলের অন্দরে জল্পনা শুরু হয়েছিল বলে খবর পাওয়া যায়।

এ প্রসঙ্গে রাহুল সিনহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তিনি আপাতত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছেন এবং তা নিয়ে তিনি যে বিশেষ কোনো মন্তব্য করতে চান না সেই কথাই বোঝা গিয়েছিল। তবে এরই মধ্যে জানা যায়, তৃণমূলের শীর্ষস্থানীয় দুই নেতা তাঁকে নিজেদের দলে যোগ দেওয়ার জন্য ফোন করেছিলেন। বস্তুত এ প্রসঙ্গে রাহুল সিনহা জানান যে তিনি আপাতত এ বিষয়ে কিছু ভাবছেন না। কারণ সমস্ত দল থেকেই নাকি তাঁর কাছে ফোন আসছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সেইসঙ্গে, সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর দলের বিরুদ্ধে অভিমান প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। তবে সেখানে মুকুল রায় নয়, অনুপম হাজরার বিরুদ্ধেই তাঁর অভিমান প্রকাশিত হয়েছিল। যদিও এ বিষয়ে রাহুল সিনহা জানিয়েছিলেন যে, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে তিনি কিছুদিনের মধ্যেই সর্বসমক্ষে আসবেন। কিন্তু সময় সীমা পেরিয়ে গেলেও তাঁর কাছ থেকে আশাপ্রদ কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি।

তবে তারই মাঝে তৃণমূলের দুই নেতার ফোন বিতর্ক তৈরি করেছিল রাজনীতিবিদদের মনে। অনেকেরই কথায়, নিজের দলের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ পেয়ে তিনি যথেষ্ট আহত হয়েছেন। তাই তৃণমূল যদি রাহুল সিনহাকে নিজের দলে আনতে পারেন, তবে মুকুল রায়কে দলে নিয়ে বিজেপি যেভাবে তৃণমূলের উপর চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে, সেই একই চাপ তৃণমূল বিজেপির উপর সৃষ্টি করতে সক্ষম হবে বলে মনে করা হয়েছিল।

তবে সম্প্রতি রাহুল সিনহার মন্তব্যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সম্প্রতি তাঁকে বলতে শোনা গেছে, “অবস্থা যা ছিল তাই আছে। এতদিন কাজ করলাম, এখন বিশ্রাম নিচ্ছি। তৃণমূলের সম্মানীয় নেতা যারা ফোন করেছিলেন, তাঁরা ভবিষ্যতে কী ভাবনা জানতে চেয়েছেন।” তবে বিজেপিতে থাকবেন না তৃণমূলে যাবেন? এই প্রশ্নের জবাবে তাঁকে বলতে শোনা গেছে, ‘সময় হলে ঠিক জানতে পারবেন।’ তাই আপাতত ভোটের আগে কোন দলে পা রাখেন তিনি, সেটাই দেখার অপেক্ষা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!