এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > ডিও/বিএলও ডিউটি কেমন হচ্ছে খুঁটিয়ে দেখছেন খোদ ডিএম, অব্যবস্থায় চূড়ান্ত ক্ষোভ প্রকাশ

ডিও/বিএলও ডিউটি কেমন হচ্ছে খুঁটিয়ে দেখছেন খোদ ডিএম, অব্যবস্থায় চূড়ান্ত ক্ষোভ প্রকাশ



নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী ভোটার লিস্টে নাম তোলার জন্য এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের স্পেশাল ক্যাম্পেন ডে পালন করা হয়। সকাল থেকেই নানার অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই দিনভর কর্মসূচি সম্পন্ন করা হয়। এর পাশাপাশি বৃক্ষরোপণও করা হয় কুমারগঞ্জ এবং গঙ্গারামপুরের একাধিক কেন্দ্রে। নতুন ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করার কাজ খতিয়ে দেখতে বুথ-পরিদর্শন করেন প্রশাসনের আধিকারিকরা। তবে জেলা শাসক দীপাপ্রিয়া পি পরিদর্শনে গিয়ে কয়েকটি বুথের কাজকর্ম দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে যান।

অনেক যায়গায় বুথে উপস্থিত ছিলেন না ডিও, এমনকি কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদেরও টিকি দেখা যায়নি। অথচ প্রত্যেকটি বুথে বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার), ডেজিগনেটেড অফিসার(ডিও) এবং রাজনৈতিক দলের একজন করে প্রতিনিধি উপস্থিত থাকার কথা। এ প্রসঙ্গে মতামত জানাতে জেলা শাসক দীপাপ্রিয়া পি নিজের ক্ষোভ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে, সেগুলি সমাধান করা হবে। এছাড়া রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তাঁরা কেন হাজির ছিলেন না এটা নিয়েও বেশ উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা যায় তাঁকে।

জানা গিয়েছে, নতুন ভোটারদের নাম তোলার বিষয়টি অনেকেরই অজানা ছিল। তার ফলে অনেকেই এদিন ভোটার লিস্টে নাম তোলার জন্য আবেদন পত্র সংশোধন করতে পারেননি বলে অভিযোগ। ফলত অধিকাংশ কেন্দ্রেই বিএলওদের ফাঁকা বসেই কাটাতে হয়। বুথগুলো এই দুরবস্থা দেখেই রীতিমত ক্ষোভ প্রকাশ করেন জেলাশাসক। অনেক জায়গায় ডিওদের অনুপস্থিতির কারণও জানতে চান সংশ্লিষ্ট অফিসারদের কাছে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এ প্রসঙ্গে আরএসপি জেলা সম্পাদক বিশ্বনাথ চৌধুরী বলেন, প্রত্যেকটি কর্মীকে ভোটার লিস্টের কাজে প্রশাসনের সহায়তা করারই নির্দেশ ছিল – সাধ্যমতোই সহযোগিতা করা হয়েছে। তবে, এ বিষয়ে নাকি কোনো চিঠিই পাননি – এমনটাই দাবী করলেন জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি প্রবীর রায়। অন্যদিকে, অধিকাংশ বুথে প্রতিনিধি দেওয়া হয়েছে বলে জানানো হল বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক মানস সরকারের তরফ থেকে। তবে কিছু স্থানে সমস্যার কারণে প্রতিনিধি দেওয়া সম্ভব হয়নি বলেও জানালেন তিনি।

এদিকে, এই ডিও বা বিএলও ডিউটি করা নিয়ে রীতিমত ক্ষোভ জমেছে প্রাথমিক শিক্ষকদের মনে। অনেকেই এই ডিউটি থেকে অব্যাহতি চান, এই নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রখ্যাত আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করেছে শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চ নামে একটি সংগঠন এবং সেই আলোচনায় উঠে এসেছে প্রাথমিক শিক্ষকদের এই ডিউটি কাড়ানোতেই আইনগত বাধা আছে। ফলে অনেক প্রাথমিক শিক্ষকই ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে নিজেদের বিডিওকে আবেদন করেছেন এই ডিউটি থেকে তাঁদের অব্যাহতি দিতে – যদিও তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা যায় নি। আর তাই এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চ আজ কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করতে চলেছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!