এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > দিনেদিনে ভাস্বর হয়ে উঠছেন অভিষেক, আগামীর সম্ভাবনাময় নেতৃত্তের পথে বিরাট উত্তরণ

দিনেদিনে ভাস্বর হয়ে উঠছেন অভিষেক, আগামীর সম্ভাবনাময় নেতৃত্তের পথে বিরাট উত্তরণ



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দিনদিন জনপ্রিয়তা বাড়ছে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিধানসভা নির্বাচনে যথাযোগ্য ভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করেছেন, পেয়েছেন সাফল্য। এবার দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে এসেছেন তিনি। এই দায়িত্ব নেবার পরই দলের বর্ষীয়ান নেতাদের কাছে গিয়ে আশীর্বাদ নিলেন তিনি। তাঁর এই পদক্ষেপ আপ্লুত করেছে দলের বর্ষীয়ান নেতাদের। উত্তরোত্তর জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি নতুন হ্যাশট্যাগ চালু হলো। যেখানে লেখা রয়েছে আগামীর অভিষেক।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দিতে পেরেছেন যে, প্রবীনদের বাদ দিয়ে কখনই দল চলতে পারে না। তাঁদের আশীর্বাদ ও ভালোবাসা নিয়েই আগামীর পথে এগিয়ে যাবেন তিনি। গত রবিবার পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি। এ বছরই পঞ্চায়েত মন্ত্রী পরিষদীয় রাজনীতির অঙ্গনে ৫০ বছরে পদার্পণ করলেন।

তাঁর এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতাতে তিনি জানালেন যে, যে সৌজন্য প্রকাশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তা অভূতপূর্ব। তিনি জানালেন, তাঁদের সময় ভোটে জয়লাভ করলে তাঁরা দেবীপ্রসাদ ঘোষাল, সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় প্রমুখ বরিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের প্রণাম করতেন। তবে, সেসব নিয়ে খুব বেশি কিছু আলোচনা হতো না।

একটা বিশেষ কিছু ঘটলেও তাঁরা বরিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতাদের প্রনাম করতেন। দলের সভাপতিকে যেমন প্রণাম করতেন, তেমনি প্রিয়রঞ্জন দাশমুন্সির মতো নেতাদেরও শ্রদ্ধা জানাতেন। কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেছেন, সেরকম কখনোই হয়নি ইতিপূর্বে। তিনি জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেছেন তা অত্যন্ত ভালো। বড়দের মধ্যে যাতে অহংকার না আসে। বয়সে ছোট বলে কেউ যেন মনে না করতে পারেন যে, এতোটুকু ছেলে কি পারবে?

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

সে সমস্ত প্রশ্ন দূর হয়ে গেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে যে একটা মেধা আছে, তা তাঁর সঙ্গে আলোচনা করে বুঝতে পেরেছেন তিনি। বাঙালির মধ্যে রয়েছে সৌজন্যবোধ, বড়দের প্রণাম করে আশীর্বাদ নেওয়ার রীতি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উদ্যোগের একটা বিরাট মূল্য আছে। এই পদক্ষেপে রাজনৈতিক সম্পর্ক মজবুত হয়। দলের কর্মীদের কাছে একটা সাংস্কৃতিক বার্তা পৌছায়, যা অত্যন্ত ভালো।

আবার, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রসঙ্গে দমদমের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানালেন যে, একজন নেতা যিনি সবে দায়িত্ব পেলেন, দলের বর্ষীয়ান নেতাদের কাছে গিয়ে প্রণাম করে তাঁর পরামর্শ নেওয়া, বাংলা কেন ভারতের রাজনৈতিক ক্ষেত্রেও কখনো ঘটেছে বলে, তিনি জানেন না। বিষয়টি অত্যন্ত ভালো লেগেছে তাঁর।

দায়িত্ব পাওয়ার পর নতুন প্রজন্ম তাঁদের কাছে আসবে, এটা অভিনব। নতুন প্রজন্ম যেন একটা বার্তা দিলেন যে, পুরনো প্রজন্মকে বাদ দিয়ে কিছু নয়, পুরনোর সঙ্গে পরামর্শ করে নতুন আগামীর পথে চলতে চায়। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে জানিয়েছেন, কিভাবে পরামর্শ নেওয়া হবে? কর্মপন্থা কি হবে? দল কিভাবে চলতে পারে? সেসব নিয়ে তাঁর সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করবেন।

এছাড়াও তিনি তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সী, তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে গিয়েছেন, তাঁদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন। তাদের থেকেও আগামী দিনে পরামর্শ নেবেন বলে জানিয়েছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই পদক্ষেপ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই রাজনৈতিক মহলের দাবি। দিনে দিনে দক্ষ রাজনীতিবিদ হিসেবে নিজেকে উজ্জ্বল করে তুলছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী শিবির থেকে তাঁর বিরুদ্ধে অহংকারি মনোভাব, রগচটা কথাবার্তা এমনও অভিযোগ আনা হয়েছিল। কিন্তু দলের বর্ষীয়ানদের তিনি যেভাবে শ্রদ্ধা জানালেন, এরপর এই সমস্ত অভিযোগ আর ধোপে টিকবে না বলেই, মনে করছেন একাধিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!