এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > বিজেপি > দিলীপের গুরুত্ব কি কমছে? কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন শুভেন্দু? জেনে নিন!

দিলীপের গুরুত্ব কি কমছে? কোন দায়িত্ব পাচ্ছেন শুভেন্দু? জেনে নিন!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –  বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই বাংলার সংগঠনকে নতুন করে তৈরি করতে চাইছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বলে জল্পনা তৈরি হয়েছে। বহু চেষ্টা করেও এবার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল করতে পারেনি ভারতীয় জনতা পার্টি। 200 আসন দখলের স্লোগান তুলে শেষ পর্যন্ত 77 টি আসন দখল করে থেমে গেছে বিজেপির বিজয়রথ। তবে বিজেপি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও নিজের সাংগঠনিক দক্ষতা দেখিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রথম থেকেই তিনি জানিয়ে এসেছিলেন, নন্দীগ্রামের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি প্রার্থী হন, তাহলে তার বিরুদ্ধে বিজেপির পক্ষ থেকে যাকে প্রার্থী করা হবে, তিনিই জয়লাভ করবেন।

অবশেষে নিজের কথা রাখতে পেরেছেন শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে তাকে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে প্রার্থী করা হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করে নন্দীগ্রামের বিধায়ক হয়েছেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে বিজেপির পক্ষ থেকে বিরোধী দলনেতা করা হয়েছে। আর শুভেন্দু অধিকারী যখন নিজের কথা রাখতে সক্ষম হয়েছেন,‌ তখন সারা রাজ্যজুড়ে সবুজ ঝড় বয়ে গেলেও, নন্দীগ্রামে বজায় ছিল গেরুয়া ঝড়।

ফলে শুভেন্দু অধিকারী না থাকলে যে এই অসম্ভব সম্ভব হত না, তা বুঝতে পেরেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর বর্তমানে বিজেপির অন্দরে যখন বিদ্রোহ চরম আকার নিয়েছে, ঠিক তখনই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয় শুভেন্দু অধিকারীকে। আর তারপর থেকেই জল্পনা তৈরি হয়েছে, এবার রাজ্যের সংগঠনে বড় জায়গা হতে পারে শুভেন্দু অধিকারীর।

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাইরে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বেশ আত্মপ্রত্যয়ী মন্তব্য করতে দেখা গেছে তাকে। দিল্লি থেকে ফিরে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে যে আরও বেশি করে তিনি সরব হবেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

আর এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু অধিকারীকে দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে ডেকে পাঠালেন কেন, তা জানেন না দিলীপ ঘোষ। এখন এটাই অনেকের মধ্যে প্রশ্নের বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অনেকে বলছেন, দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে এবার ভারতীয় জনতা পার্টি বাংলায় লড়াই করেছে। ফলাফল ভালো হয়নি। সেভাবে দিলীপ ঘোষের মত মুখকে বাংলার মানুষ মেনে নিতে পারেনি, তাই শুভেন্দু অধিকারীকে বাংলার সংগঠনের দায়িত্ব দিয়ে আগামী দিনে পথ চলতে চাইছে ভারতীয় জনতা পার্টি।

অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, তৃণমূলের অন্দরমহলের খবর খুব ভাল করেই জানেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানেন, কাঁটা দিয়ে কিভাবে কাঁটা তুলতে হয়। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে তৃণমূলকে বিস্তার লাভ করার পেছনে এখন দায়িত্ব পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করার পেছনে এবং বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পেছনে শুভেন্দু অধিকারীর অন্যতম কারণ ছিল এই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে অভিষেকবাবু সর্বভারতীয় স্তরে তৃণমূলের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পাওয়ার পর তাকে কাবু করতে বাংলার শুভেন্দু অধিকারীকে দিয়ে এই যে অসম্ভব সম্ভব করা যাবে, তা অনুভব করতে পেরেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

তাই দিলীপ ঘোষকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা দিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি করার জল্পনা প্রবল হয়ে উঠেছে। তবে এখনই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে যত সময় যাচ্ছে, ততই জল্পনা জোরালো হয়ে উঠতে শুরু করেছে। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!