এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > মমতা তোষণের রাজনীতি করছেন বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ

মমতা তোষণের রাজনীতি করছেন বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ



তোষণের রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ। এদিন তিনি বলেন,তিনি বলেন, ‘রাজ্যে এত মানুষ খুন হচ্ছেন, কই কোনও তৃণমূল নেতাকে তো মিছিল করতে দেখিনি, তাঁদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে দেখিনি। তবে আফরাজুলের বেলায় এত ন্যাকামি করা হচ্ছে কেন? আফরাজুল সংখ্যালঘু বলে!’তিনি এদিন আরো বলেন, ‘রাজ্য সরকার নিজেদের অপদার্থতা ঢাকতেই এসব করছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সংখ্যালঘুদের নিয়ে রাজনীতি করছে। সত্যিই যদি সরকার তাঁদের সামাজিক অবস্থা বুঝত, তাহলে এই পরিস্থিতি তৈরি হত না। এত সংখ্যালঘু মানুষকে পেটের টানে ভিনরাজ্যে যেতেও হত না, আর অপরাধও বাড়ত না।’পাশাপাশি এই অভিযোগ তোলেন , ‘সংখ্যালঘুদের পিছিয়ে থাকার জন্য বর্তমান রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ দায়ী। তারা শুধু মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সংখ্যালঘুদের ভোটের জন্য ব্যবহার করে। আদতে তাঁদের জন্য কোনও উন্নয়ন করেনি। তাঁদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা করেনি। সেই কারণেই রুটি-রুজির জন্য তাঁদের ভিনরাজ্যে যেতে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সংখ্যালঘুদের জন্য সত্যিই হামদরদী হলে এত সংখ্যালঘু ক্রিমিনাল তৈরি হত না।’ ‘সংখ্যালঘুরা পিছিয়ে আছে বলেই এত ক্রিমিনালের সংখ্যা বাড়ছে। মাত্র দেড় শতাংশ সংখ্যালঘু চাকরি পায় রাজ্যে। তারপর চালাকি করে ওবিসি করে দেওয়া হয়েছে সংখ্যালঘুদের। এখন নিজেদের অসফলতা ঢাকতে ন্যাকামির রাজনীতি করা হচ্ছে।’ তাঁর কথায়, ‘যেকোনও মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। যেকোনও খুনই নিন্দনীয়। আর তাকে নিয়ে রাজনীতি করাও একইরকম নিন্দাজনক। মমতার সরকার সেই কাজটাই করে চলেছে।’
এরপর তিনি রাস্তায় মোমবাতি মিছিল করা নিয়ে বলেন, ‘রোজ মারামারি কাটাকাটি হচ্ছে। দিনদুপুরে গুলি চলছে, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। গত তিনমাস ২২ জন রাজনৈতিক কর্মী খুন হয়েছে। এদের বেশিরভাগই তৃণমূলের নেতা-কর্মী। সম্প্রতি খুন হলেন একজন পুরসভার চেয়ারম্যানও। তখন তৃণমূল তো কই কারও বাড়িতে গিয়ে সহানুভূতি দেখায়নি, আর্থিক অনুদান তুলে দেয়নি? কোনওদিন তো ‘যুবরাজ’কে দেখিনি রাস্তায় নামতে? আসলে এসব হচ্ছে আফরাজুল সংখ্যালঘু বলেই।’এরপর আফরাজুলের মৃত্যুর জন্য বর্তমান তৃণমূল কংগ্রেসই দায়ী। বর্তমান রাজ্য সরকারকে এদিন কাঠগড়ায় দাঁড় করান তিনি। এদিন তিনি বলেন , ‘সংখ্যালঘুদের পিছিয়ে থাকার জন্য বর্তমান রাজ্য সরকার সম্পূর্ণ দায়ী। তারা শুধু মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সংখ্যালঘুদের ভোটের জন্য ব্যবহার করে। আদতে তাঁদের জন্য কোনও উন্নয়ন করেনি। তাঁদের রুটি-রুজির ব্যবস্থা করেনি। সেই কারণেই রুটি-রুজির জন্য তাঁদের ভিনরাজ্যে যেতে হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার সংখ্যালঘুদের জন্য সত্যিই হামদরদী হলে এত সংখ্যালঘু ক্রিমিনাল তৈরি হত না।’

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!