এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > সবং জিততে মুকুল-দিলীপের ‘বিশেষ’ পরিকল্পনা সামনে এল, উৎসাহিত বিজেপি কর্মীরা

সবং জিততে মুকুল-দিলীপের ‘বিশেষ’ পরিকল্পনা সামনে এল, উৎসাহিত বিজেপি কর্মীরা



আসন্ন সবং উপনির্বাচনে শাসকদলের হেভিওয়েট প্রার্থী মানস ভূঁইয়ার পত্নী গীতারানি ভূঁইয়াকে হারিয়ে সেখানে পদ্মফুল ফোটাতে মরিয়া রাজ্য বিজেপি। আর সেইদিকে নজর রেখে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন বিজেপির তরফে এই নির্বাচনের দায়িত্ত্বে থাকা মুকুল রায়। এর আগে তিনি রাজ্যের বর্তমান শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে বহু নির্বাচনী তরী পার করেছেন, আর ভোট ম্যানেজার হিসাবে তিনি যে বাংলায় এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী সেকথাটা আবারো প্রমান করতে চান সবং উপনির্বাচনের মাধ্যমে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক মহল। এমনিতেই রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন শাসকদলের প্রার্থী নিয়ে স্থানীয় স্তরে যথেষ্ট ক্ষোভ আছে খোদ শাসকদলের মধ্যেই আর সেই ক্ষোভ যদি প্রশমিত না হয়, যদি তা গড়ায় ভোটবাক্স পর্যন্ত তাহলে কিন্তু ‘অঘটন’ ঘটে যেতেই পারে। আর এই ‘অস্ত্রটিকেই’ এবার সুনিপুনভাবে কাজে লাগাতে আসরে নামছেন মুকুল রায়।
সূত্রের খবর, সবং জয়ের জন্য রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্গে বসে মুকুল রায় তৈরি করেছেন এক মাস্টার প্ল্যান আর সেই প্ল্যানেই মাটি দিতে চান বাকি প্রতিদ্বন্দ্বীদের। কি সেই মাস্টারপ্ল্যান? সূত্র মারফত যা জানা যাচ্ছে, আগামী ১৭ ডিসেম্বর সবং বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের জন্য জনসভা করবে বিজেপি, যেখানে থাকবেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ, রাহুল সিনহা, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্ব। সেই জনসভা সেরে বাকিরা ফিরে গেলেও সবংয়ের মাটি কামড়ে পরে থাকবেন মুকুল রায় ও দিলীপ ঘোষ। ফিরবেন একেবারে ২১ ডিসেম্বর ভোট করিয়ে। আর মাঝের এই কদিন দুজনে মিলে সবং জুড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রচার করবেন।
প্রসঙ্গত যে কোনো নির্বাচনেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রচার হয়। প্রতিটা রাজনৈতিক দলই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রচার করে থাকে। কিন্তু এই ভোটপ্রচার চলে প্রধানত আঞ্চলিক নেতৃত্বকে দিয়ে। আর এবার সেই প্রচলিত ধারণাকে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে, উপনির্বাচনের প্রচারকে অন্যমাত্রা দিতে বিজেপি ময়দানে নামাচ্ছে দিলীপ ঘোষ ও মুকুল রায়কে। আঞ্চলিক নেতাদের সাধারণ মানুষের বাড়িতে গিয়ে ভোট চাওয়া আর বিজেপির দুই শীর্ষনেতার সেই কাজ করার মধ্যে আসমান-জমিন ফারাক মেনে নিচ্ছেন ভোট বিশেষজ্ঞরা। আর এই খবর সামনে আসতেই উৎসাহে ফেটে পড়ছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এতো কিছুর পরেও যদি সবংয়ে ঘাসফুল ফোটা আটকানো না যায় তাহলে পঞ্চায়েতের আগে তা এক বিশাল ধাক্কা হবে গোটা রাজ্যজুড়ে। আর তাই সেই সম্ভবনাকে সমূলে উৎপাটন করে এখন মানস গড়ে পদ্ম ফোটানোর স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ত্ব।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!