এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > দিলীপ-মুকুলদের নিয়ে আলাদা বৈঠক অমিত শাহের, বাংলার রণকৌশল চূড়ান্ত হতে এখনো এক সপ্তাহ?

দিলীপ-মুকুলদের নিয়ে আলাদা বৈঠক অমিত শাহের, বাংলার রণকৌশল চূড়ান্ত হতে এখনো এক সপ্তাহ?



পুরানে রাধাকে পেতে কৃষ্ন সবসময় জপ করত “রাধে রাধে”। এবার বঙ্গ জয় করতে দুদিনের জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বর মুখে শুধুই শোনা গেল বাংলার নাম। প্রথমদিনের বৈঠকে দেশের সমস্ত রাজ্যের নেতারা উপস্থিত থাকলেও প্রত্যেক নেতাকেই বাংলার প্রতি বেশি করে দৃষ্টি দিতে বলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ।

কিন্তু যেখানে গোটা ভারতে মোদী ম্যাজিক রয়েছে বলে দাবি করছেন বিজেপি নেতারা সেখানে এই বাংলাই কেন এত গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠছে গেরুয়া শিবিরের কাছে? দলীয় সূত্রের খবর, সাম্প্রতিককালে একাধিক নির্বাচনে এই বাংলায় শাসকদল তৃনমূলের বিরুদ্ধে লড়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে বিজেপি। তাই জনসাধারনের মনে তৃনমূল সম্পর্কে বিরোধী মত তৈরি করে আগামী লোকসভায় এই বাংলা থেকেই 22 টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে চাইছেন অমিত শাহ-নরেন্দ্র মোদীরা

। জানা গেছে, এদিন কর্মসমিতির বৈঠকের আগে দলের পদাধিকারীদের সাথে এক বৈঠকে করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। সেখানেই আগামী লোকসভার আগে যে বাংলার সভাপতি পদে যে দিলীপ ঘোষই থাকছেন এদিন সেই সিদ্ধান্তও নেয় গেরুয়া শিবির। শুধু তাই নয়, বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ এবার বঙ্গ জয়ের স্বপ্নে এতটাই বিভোর যে, আজ রাতেও বাংলা নিয়ে একটি পৃথক বৈঠক করেন তিনি।

সূত্রের খবর, এদিনের এই বৈঠকে অমিত শাহ ছাড়াও ছিলেন রাজ্যের ভারপ্রাপ্ত নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, সুব্রত চট্টোপাধ্যায়ের মত নেতৃত্বরা। কিন্তু এই বৈঠকে ঠিক কি নিয়ে আলোচনা হল? একাংশের দাবি,  রাজ্যের সংগঠনের হালহকিকত নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। পাশাপাশি বাংলায় ঠিক কি ভাবে এগোনো দরকার সেই ব্যাপারেও রাজ্য নেতৃত্বকে নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

জানা গেছে, আগামী 14 এবং 15 সেপ্টেম্বর রাজ্য কমিটির বৈঠকে এই ব্যাপারে দলীয় রনকৌশল ঠিক করতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বঙ্গ ব্রিগেড। তবে শুধু দলের অভ্যন্তরে সংগঠন বৃদ্ধি করতে নেতাদের বার্তাই নয়, এদিন তৃনমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি বিরোধী জোট নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ বলেন, “মমতা বিরোধী ফ্রন্ট করছেন। 2014 তে আমরা উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, তেলেঙ্গানায় লড়েছি এবং জিতেওছি। তাই এই জায়গাগুলিতে এই বিরোধী ফ্রন্ট থাবা বসাতে পারবে?”

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

রাজনৈতিক মহলের মতে, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে 2019 সালেই। আর এবার সেই 2019 এ যাতে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক এই বাংলাতে বাড়ানো যায় সেই ব্যাপারে এখন থেকেই বঙ্গ বিজেপির দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়দের দলীয় সংগঠনের শ্রীবৃদ্ধিতে এবং তৃনমূলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্ত্রে শান দিতে বললেন তিনি।

 

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!