এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নদীয়া-২৪ পরগনা > খোদ অভিষেকের গড়ে পদ্ম ফোটাতে ভরসা সেই দিলীপ ঘোষ, নিলেন বড়সড় পদক্ষেপ!

খোদ অভিষেকের গড়ে পদ্ম ফোটাতে ভরসা সেই দিলীপ ঘোষ, নিলেন বড়সড় পদক্ষেপ!



গত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বাংলায় ভালো ফল করেছিল। কিন্তু বঙ্গ বিজেপি ভালো ফল করলেও, দলের অন্দরে যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব জাঁকিয়ে বসেছে, তাতে রীতিমত হিমশিম খাওয়ার জোগাড় বিজেপি নেতৃত্বের। পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখা ভারতীয় জনতা পার্টি নানা সাংগঠনিক কাজকর্ম করলেও, দলের অন্দরে যেভাবে নেতায়-নেতায় গন্ডগোল শুরু হয়েছে, তাতে দলীয় সমস্যা সমাধানই এখন মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে বিজেপির কাছে।

বস্তুত, গত লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ডহারবার পৌরসভার 16 টি ওয়ার্ডের মধ্যে 12 টি ওয়ার্ডে লিড পেয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। সেদিক থেকে অভিষেক ব্যানার্জীর খাসতালুকে বিজেপি এত ভালো ফল করায় রীতিমতো উজ্জীবিত হয়েছিল পদ্ম শিবির। কিন্তু পৌরসভা নির্বাচনের আগে বর্তমানে ডায়মন্ডহারবার পৌরসভা এলাকায় বিজেপির দলীয় কোন্দল নিঃসন্দেহে বিজেপির কাছে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পরিস্থিতি সামলাতে মাঠে নেমেছেন স্বয়ং বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। জানা গেছে, ইতিমধ্যেই তিনি দুই গোষ্ঠীর সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের জন্য তৎপর হয়েছেন। কিন্তু কার কার মধ্যে তৈরি হল বিবাদ? প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রীর সভা নিয়ে পূর্বতন জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাসের অনুগামীদের সঙ্গে ডায়মন্ডহারবার টাউন মন্ডল বিজেপির সভাপতি তথা আইনজীবী দেবাংশু পান্ডা গোষ্ঠীর বিরোধ তৈরি হয়।

জানা গিয়েছে, ওই সময়ে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপির তরফে যাকে প্রার্থী করা হয়েছিল, তাকে অভিজিৎ দাস এবং তার অনুগামীরা অনেকেই মেনে নিতে পারেনি। অনেকে সেই সময় চুপচাপ বসে যাওয়ায় ডায়মন্ডহারবারের ভোটারদের উজ্জীবিত করতে বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রীর সভার পরিকল্পনা করা হয়। আর এতেই অভিজিৎ দাসের অনুগামীরা বাধা দিতে থাকে বলে অভিযোগ।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

শুধু তাই নয়, সভায় যাতে লোক না হয়, তার জন্য অভিজিৎবাবুর তরফ থেকে চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ বিজেপির একাংশের। আর তখনই প্রধানমন্ত্রীর সেই সভা সফলের জন্য দেবাংশু পান্ডাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। আর এরপরই অভিজিৎ দাসকে জেলা সভাপতি থেকে সরিয়ে দেয় বিজেপি। পরবর্তীতে দেবাংশুবাবু লোকসভা নির্বাচনে ভালোভাবে কাজ করায়, তার উত্থান ঘটতে শুরু করে গেরুয়া শিবিরে। আর এতেই রীতিমত ক্ষুব্ধ হন অভিজিৎ দাস এবং তার অনুগামীরা।

দুই শিবিরের মধ্যে তৈরি হয় বিরোধ। দুই নেতার বিবাদের ফলে অনেকেরই ডানা ছাটা যায় বলে খবর। আর এবার পৌরসভা নির্বাচনেও বিজেপির এই দুই নেতার বিবাদের কারণে দলের ফলাফল ডায়মন্ডহারবারে খারাপ হতে পারে বলে মনে করছে একাংশ। এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপির এক নেতা বলেন, “দক্ষিণ 24 পরগনা ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রের সাংগঠনিক জেলার ঘরোয়া কোন্দলে অনেকে বসে গিয়েছেন।

বিশেষ করে ডায়মন্ডহারবার পৌরসভা এলাকার প্রতিটি ওয়ার্ডে বিজেপির সংগঠন যেভাবে চাঙ্গা হয়েছিল, তা এখন ঝিমিয়ে পড়েছে।” কিন্তু বিজেপি যেভাবে বিধানসভা নির্বাচনের আগে পৌরসভা নির্বাচনের সাফল্য পেতে চাইছে, তাতে তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে বিজেপির অবস্থা ভালো থাকলেও, শুধুমাত্র দলীয় কোন্দলে কেন বিজেপিকে খারাপ ফলাফল দেখতে হবে! তা নিয়ে নানা মহলে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। কেন বিজেপির নেতৃত্বরা এই ব্যাপারে দলকে শৃংখলায় বাধতে পারছেন না! প্রশ্নটা থেকেই যাচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!