এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > বাঁকুড়া ও বীরভূমে ‘আক্রান্ত’ বিজেপির পাল্টা মার, ‘আরও বাড়বে’ দাবি দিলীপ ঘোষের

বাঁকুড়া ও বীরভূমে ‘আক্রান্ত’ বিজেপির পাল্টা মার, ‘আরও বাড়বে’ দাবি দিলীপ ঘোষের



মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়া নিয়ে সমগ্র রাজ্যের জেলায় জেলায় শুরু হয়েছে মারধর। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মনোনয়নের কাগজও। প্রতি ক্ষেত্রেই অভিযোগের তীর তৃণমূলের দিকে। উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কোচবিহার, মালদহ, পশ্চিম মেদিনীপুর, হুগলি, মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান বা দক্ষিণ ২৪ পরগনা- একের পর এক জেলা। সিউড়িতে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক কালাসোনা মণ্ডলকে চুরি দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। নন্দীগ্রামের দক্ষিণ রুক্মিণী গ্রামের অন্তঃসত্ত্বা বিজেপি কর্মীকে

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

মারধর করা হয়। এছাড়াও খড়গপুর-২, আরামবাগ, ডোমকল, কান্দি, কাটোয়া, মন্তেশ্বর, ভাঙড় বা বজবজের মতো নানা এলাকাতে কোথাও ছুরি কোথাও কাঁচি নিয়ে হামলা করা হয় বিজেপি কর্মীদের ওপর। আবার এদিকে তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দও লেগেই আছে। কোন্দলের কারণে প্রাণহানিও ঘটেছে কালিয়াচকে। এই সমস্ত কারণ নিয়ে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সহ বিজেপি নেতা মুকুল রায়, শমীক ভট্টাচার্য, মুর্শিদাবাদ জেলা কংগ্রেস সভাপতি আবু তাহের ও রিজু ঘোষাল কমিশন ও রাজভবনের দ্বারস্থ হন। এদিন দিলীপ বাবু বলেন, ”আমরা পড়ে পড়ে মার খাব না। পাল্টা মার শুরু হয়েছে। ওটা আরও বাড়বে! যে সব বিজেপি প্রার্থী দু’দিন ধরে মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি, তাঁদের রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দফতরে নিয়ে আসা হবে।”এর পরিপ্রেক্ষিতে তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, ”বিজেপির সভাপতি বলছেন, আমরাও মারতে শুরু করব! তাঁরা গণতান্ত্রিক উপায়ে বিশ্বাস রাখছেন না।” এরপ তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ”অভিযোগ থাকলে রাজ্য নির্বাচন কমিশন দেখবে। বিরোধীদের কোনও কর্মসূচি নেই। তাই দর্শকদের কাছে এ সব বলছে! ”

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!