এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রাজ্য-কেন্দ্রের হিসাবের ফারাকটা অনেকই বেশি! করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলার

রাজ্য-কেন্দ্রের হিসাবের ফারাকটা অনেকই বেশি! করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চিন্তা বাড়াচ্ছে বাংলার



বিশ্ব ছাড়িয়ে ভারত হয়ে এখন বাংলাকেও চরম পরিমাণে গ্রাস করতে শুরু করেছে করোনা ভাইরাস। যত দিন যাচ্ছে, ততই বাংলা এই করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বাড়ছে। কিন্তু প্রথম দিন থেকেই বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো অভিযোগ করতে শুরু করেছে, বাংলায় করোনা আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা চেপে যাচ্ছে রাজ্য সরকার। আর বিরোধীদের এই অভিযোগের মাঝেই এবার সামনে এল এক বিস্ফোরক পরিসংখ্যান।

যেখানে কেন্দ্রের রিপোর্টের সঙ্গে রাজ্যে রিপোর্টের আকাশ-পাতাল পার্থক্য লক্ষ্য করা গেল। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়েছেন 725 জন ব্যক্তি। যাদের মধ্যে 119 জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে মৃত্যু হয়েছে 22 জন ব্যক্তির। তবে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এই তথ্য দেওয়া হলেও, রাজ্য সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রের এই তথ্যের আকাশ-পাতাল পার্থক্য দেখা দিচ্ছে।

জানা গেছে, রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বাংলা এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা 522 জন। যেখানে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন 119 জন এবং মৃত্যু হয়েছে 22 জন ব্যক্তির। আর করোনা ভয়াবহতার মধ্যে রাজ্য এবং কেন্দ্রের আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে এই বিপুল পার্থক্য সামনে আসায় এখন রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কে ঠিক! কেন্দ্র নাকি রাজ্য! এই প্রশ্ন করতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহল।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

বস্তুত, মঙ্গলবার মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন যে, নতুন করে রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছে 28 জন ব্যক্তি। অন্যদিকে দুইজন ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও টেস্ট নিয়ে বিরোধীদের যে অভিযোগ রয়েছে, সেই ব্যাপারেও মঙ্গলবার দিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে তার জবাব দেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা। তিনি বলেন, “মোট স্যাম্পেল টেস্ট হয়েছে 13223 টি। এর মধ্যে একদিনে 1180 টেস্ট হয়েছে।” তবে রাজ্যের কোন কোন জেলাগুলো এখন সব থেকে বেশি বিপদজনক, তাও এদিনের সাংবাদিক বৈঠক থেকে জানিয়ে দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব।

যেখানে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর 24 পরগনা, হুগলি এবং দক্ষিণ 24 পরগনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি। একাংশ বলছেন, তথ্য-পরিসংখ্যান সবকিছু থাকবে। কিন্তু মানুষ যদি করোনা পরিস্থিতির সঠিক পরিসংখ্যান জানতে না পারে, তাহলে কোথায় এর সার্থকতা! যেখানে মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক গ্রাস করছে, সেখানে কেন্দ্র এবং রাজ্যের 2 সরকার কেন বাংলাকে নিয়ে এক এক রকমের তথ্য প্রকাশ করছেন! কেন তারা ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে সঠিক তথ্য প্রকাশ করতে পারছেন না!

কেন্দ্রের আক্রান্তের সংখ্যা যেখানে বাংলা নিয়ে 700 এর বেশি দেখানো হচ্ছে, সেখানে রাজ্যের আক্রান্ত সংখ্যায় কেন পাঁচশোর বেশি বলা হচ্ছে! কারা ঠিক! এখন এই প্রশ্নই তুলতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহল। তবে সংখ্যা যাই হোক, বাংলায় গত এক সপ্তাহে যেভাবে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে – তাতে করে ক্রমশ দুশ্চিন্তার কালো মেঘ মাথার উপর জমা হচ্ছে রাজ্যবাসীর। যতদিন না এই মারণ ভাইরাসের কোনো প্রতিষেধক বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করছেন – ততদিন সোশ্যাল ডিস্ট্যানসিং ও হোম কোয়ারেন্টাইন করে নিজেদের সুরক্ষিত রাখা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই!

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!