এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > ‘দিদিকে বলো’ কি চাপে? দিলীপের ‘চায়ে-পে-চর্চা’ পুরসভা আটকে দিতেই জল্পনা সর্বত্র!

‘দিদিকে বলো’ কি চাপে? দিলীপের ‘চায়ে-পে-চর্চা’ পুরসভা আটকে দিতেই জল্পনা সর্বত্র!



রাজনীতিতে সভা পালটা সভা নতুন কিছু নয়। কিন্তু পশ্চিমবাংলায় সদ্যসমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক উত্থানে কিছুটা দিশেহারা হয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সাহায্য নেয় স্বনামধন্য নির্বাচনী রণনীতি কার প্রশান্ত কিশোরের। আর সেই প্রশান্ত কিশোর দিদিকে বল নামক কর্মসূচির মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কর্মীদের দ্রুততার সঙ্গে জনসংযোগের পরামর্শ দেন।

সেই মোতাবেক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জেলা থেকে শুরু করে ব্লক অঞ্চল থেকে শুরু করে রাজ্য সর্বত্র তৃণমূল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিরা এই কর্মসূচিতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। কিন্তু রাজনীতিতে সরকারি দল কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করলে বিরোধীরা হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না তাই এই কর্মসূচিকে কিছুটা বেগ দিয়ে চায় পে চর্চা নামক কর্মসূচি শুরু করে বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। আর এই কর্মসূচিকে বারবার বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাসকদলের বিরুদ্ধে।

উল্লেখ্য তিনদিন আগে লেকটাউনে চেপে চর্চা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে গেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ সেখানে তাকে রীতিমতো হেনস্থার শিকার হতে হয় এবার আবার কৃষ্ণনগরে তার চায় পে চর্চা কর্মসূচি বানচাল করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার শহরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই কর্মসূচি শেষ মুহূর্তে প্রশাসন এই কর্মসূচির অনুমোদন বাতিল করে দেয়। আর এর পিছনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ হাত দেখতে পাচ্ছে গেরুয়া শিবির।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এই ঘটনায় প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ বিজেপি এ প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, যদি প্রয়োজন পড়ে অনুষ্ঠান রাস্তায় করবো বিকল্প জায়গায় কর্মসূচি হবে এইভাবে বিজেপিকে আটকানো যাবেনা। টাকা জমা দেওয়ার পরেও কিভাবে বুকিং বাতিল করে তা আমরা দেখছি। প্রয়োজনে আমরা আইনের পথে যাব গত। শুক্রবার লেকটাউনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দিলীপ ঘোষের চায় পে চরচা অনুষ্ঠান। যে অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে একেবারে লংকা কান্ড বেঁধে যায় সাত সকালে। তৃণমূল-বিজেপি দুইপক্ষের সংঘর্ষে ভেঙ্গে যায় টেবিল-চেয়ার ব্যানার-ফেস্টুন সেরা ইত্যাদি।

অভিযোগের পাশাপাশি বিজেপি অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেস তাদের উপরে চড়াও হলে পরে পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল আরো অভিযোগ অন্যান্য দিনের মতো শুক্রবার সকালে হাঁটতে বের হন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সাংসদ দিলীপ ঘোষ. লেকটাউনের একটি দোকানে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে যা হওয়ার কথা ছিল. তার চেপে চর্চায় যোগ দিতে ওই এলাকায় জড়ো হয় বহু বিজেপি কর্মী সমর্থক। এদিন ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সাজো সাজো রব ছিল তাদের মধ্যে। আচমকাই সাত সকালে বেশ কয়েকজন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থক ওই এলাকায় জড়ো হয় তারা কোন কথা না বলেই হঠাৎ ব্যানার খুলতে শুরু করেন। বাধা দিতে গেলে বিজেপি কর্মীদের মারধরের মুখে পড়তে হয়। শুরু হয়ে যায় হাতাহাতি একপ্রস্থ হাতাহাতি চলার পর ঘটনাস্থলে দিলীপ ঘোষ পৌঁছন। তাকে লক্ষ করে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়।

তবে এদিন কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক পড়েন পুলিশ ঘটনায় বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ সাংবাদিকদের জানান আমি প্রতিদিন সকালে হাঁটতে বেরোই কোথাও না কোথাও চা খেতে যাই আজ এখানে এসেছিলাম। তৃণমূল যে আমাকে নিয়ে এত চিন্তিত তা ভেবেই ভালো লাগছে, আমার সামনে চেয়ার-টেবিল লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হয়। এর চেয়ে বেশি তৃণমূলে কাছ থেকে আশা করি না।

তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শে যখন রাজ্যজুড়ে তৃণমূল কংগ্রেস তার স্বচ্ছ ভাবমূর্তি জনসংযোগ ইত্যাদির দিকে মনোযোগী হচ্ছে তখন যদি বিরোধীদের উপরে এইরকম হামলার অভিযোগ ওঠে তাহলে তা দলের গুড ইমেজ এর পক্ষে হিতকর হবেনা। তাই আগামী দিনে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস গোটা ব্যাপারটাকে কিভাবে সামাল দেন এখন সেটাই প্রশ্ন রাজনীতির আঙিনায়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!