এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > বিপন্ন দেশকে বাঁচাতে সেনার পোশাকে হাতে বন্দুক তুলে নিতে চলেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী?

বিপন্ন দেশকে বাঁচাতে সেনার পোশাকে হাতে বন্দুক তুলে নিতে চলেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী?



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- কোনো দেশের মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে যেমন প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকা থাকে, তেমনই দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতেও তাঁর চিন্তা থাকতে সর্বাধিক। দেশের যেকোনো বিপদ আসুক বা ভবিষ্যতে কোনো বিপদ আসতে পারে, সেই সম্ভাবনার কথাও আঁচ করতে পারলে সেই মতো ব্যবস্থা নিয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রীই। সর্বোপরি দেশের, দশের ভাবনাই তাঁর কাছে প্রধান হয়।

তবে এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারও যে দেশের মানুষের কাছে ততটাই দায়বদ্ধ সেই কথা জানা গেছে। বস্তুত, একজন প্রধানমন্ত্রীর কাজ যে শুধু তাঁর একার মধ্যে সীমাবদ্ধ না, তাঁর পরিবারের মানুষের মধ্যেও যে দেশের মানুষের জন্য কিছু করার ইচ্ছা রয়েছে সেই কথা জানা গেছে। আর যা নিয়ে রীতিমত জল্পনা শুরু হয়েছে গোটা বিশ্ব জুড়ে।

দেশের দোর গোড়ায় শত্রুপক্ষের হানাতে বিপন্ন দেশমাতৃকার ডাকে সাড়া দিয়ে এবার যুদ্ধে শামিল হতে চলেছেন আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশিনিয়ানের স্ত্রী অ্যানা হাকোবিয়ান। জানা গেছে, ককেশাস অঞ্চলে চলা এই লড়াইয়ে বিশ্ব রীতিমতো বিভক্ত হয়ে গেছে। একদিকে আজারবাইজানের পক্ষে রয়েছে তুরস্ক, পাকিস্তানের ও মুসলিম বিশ্বের একাধিক দেশ।

অন্যদিকে, আর্মেনিয়ার পক্ষে রয়েছে ফ্রান্স-সহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশ। আর এই সংঘাতে নিজেদের স্বার্থে জড়িয়ে পড়েছে আমেরিকা ও রাশিয়া। ফলে যুদ্ধের আগুন যদি না নেভানো যায়, তবে সেই আগুন বিশ্বযুদ্ধের দাবানল হিসেবে ছড়িয়ে পড়বে বলেই মনে করছেন আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা। আর সেই প্রসঙ্গই এই খবর সামনে এসেছে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসের ২৭ তারিখ থেকেই আর্মেনীয় অধ্যুষিত বিতর্কিত নাগর্নো-কারাবাখ অঞ্চলের দখল নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান লড়াই শুরু করছে বলে জানা গেছে। রুশ হস্তক্ষেপে এক্ষেত্রে দু’বার সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হলেও তা ক্ষণস্থায়ী হয়েছে বলেই জানা গেছে। তাই ককেশাস প্রদেশে শান্তি ফেরাতে কয়েকদিন আগেই মার্কিন বিদেশসচিব মাইক পম্পেও দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গে আলাদাভাবে ওয়াশিংটনে বৈঠক করেছেন বলেও জানা গেছে।

তবে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ এরপর দুই দেশের মধ্যে লড়াই আরও তীব্র হতেই দেখা গেছে। সেইসঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যুদ্ধে এপর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলেও জানিয়েছেন। আর এমন পরিস্থিতিতেই শত্রু বাহিনীকে রুখে দিতে মহিলা সেনাদলের নেতৃত্ব দিতে তৈরি হচ্ছেন অ্যানা।

৪২ বছরের এই মহিয়সী নারী এদিন ফেসবুক পোস্টে জানান, আপাতত একটি সেনঘাঁটিতে ১২ জন মহিলা সৈনিকের সঙ্গে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছেন তিনি। তবে কয়কদিনের মধ্যেই ফ্রন্টের উদ্দেশে রওনা দিতে হবে তাঁদের। তাঁর কথায় দেশের সম্মান ও মাতৃভূমি কোনওটাই শত্রুর হাতে তুলে দেবেন না বলেই স্থির করেছেন তিনি। তবে শুধু অ্যানা নয়, প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের আরও সদস্য এই লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!