এখন পড়ছেন
হোম > বিশেষ খবর > ডেথ সার্টিফিকেট প্রদান বিষয়ে বিশেষ সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য দপ্তরের

ডেথ সার্টিফিকেট প্রদান বিষয়ে বিশেষ সিদ্ধান্ত স্বাস্থ্য দপ্তরের



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – মৃতের ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়ার ব্যাপারে বিশেষ সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। অনেক সময় এরকম হয়ে থাকে যে, একটি হাসপাতাল বা নার্সিং হোমে উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা না থাকার কারণে, সংকটজনক অবস্থায় অন্য কোনো হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে রেফার করা হয় রোগীকে। পরবর্তী হাসপাতাল বা নার্সিং হোমে নিয়ে যাবার পথেই অনেক সময় মৃত্যু হয় সেই রোগীর। এক্ষেত্রে, রোগীর মৃত্যুর পর ডেথ সার্টিফিকেট পেতে প্রচন্ড সমস্যা হয় রোগীর পরিবারের।

কারণ, এক্ষেত্রে পূর্বের হাসপাতাল না পরের হাসপাতাল কে ডেথ সার্টিফিকেট দেবে? তা নিয়েই সমস্যা তৈরি হয়। কারণ, যে হাসপাতালে রোগীকে রেফার করা হয়েছে, সে হাসপাতালে পৌঁছাবার আগেই যদি তাঁর মৃত্যু হয়, তবে সে হাসপাতাল কখনোই তাঁর ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারে না। অন্যদিকে, যে হাসপাতাল থেকে তাকে রেফার করা হয়েছে। হাসপাতাল থেকে ইতিমধ্যেই তাকে ডিসচার্জ করা হয়েছে, সে হাসপাতালও ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারে না। এর ফলে প্রচন্ড সমস্যায় পড়তে হয় রোগীর পরিবারকে।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এই সমস্যার সমাধান করতেই এবার এক বিশেষ সিদ্ধান্ত নিল রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এক হাসপাতাল বা নার্সিংহোম থেকে আরেক হাসপাতাল বা নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার পথে কোন রোগীর মৃত্যু হলে, যে হাসপাতাল রোগীকে ডিসচার্জ করেছিল, তারাই সেই রোগীর ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করবে। স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, যে হাসপাতাল থেকে রোগীকে ডিসচার্জ করা হয়েছিল। সেই হাসপাতালের যে চিকিৎসক রোগীকে শেষবারের মতো দেখেছিলেন, তিনিই ডেথ সার্টিফিকেট দেবেন।

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বার্থ এন্ড ডেথ এক্ট ১৯৬৯ অনুযায়ী এমন ঘোষণা করেছে স্বাস্থ্য দপ্তর। রাজ্যর স্বাস্থ্য দপ্তরের এই ঘোষণার ফলে, এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে কোনো রোগীর মৃত্যু হলে মৃতের ডেথ সার্টিফিকেট পাওয়ার ব্যাপারে আর হয়রানির শিকার হতে হবে না মৃতের পরিবারকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!