এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করোনা টিকার পর এবার গোমাতার টিকা নিয়ে বেসামাল কেন্দ্র! ক্ষোভের ঝড় তীব্র হচ্ছে দেশ জুড়ে

করোনা টিকার পর এবার গোমাতার টিকা নিয়ে বেসামাল কেন্দ্র! ক্ষোভের ঝড় তীব্র হচ্ছে দেশ জুড়ে



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – দেশজুড়ে চলছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। সমস্যাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে ভ্যাকসিনের নিদারুণ অভাব। ভ্যাকসিন পেতে গিয়ে নাজেহাল হচ্ছেন দেশের মানুষ। আর এবার করোনার ভ্যাকসিনের সংকটের মধ্যেই শুরু হলো গরু ও অন্যান্য গবাদিপশুর ভ্যাকসিনের সংকট। গবাদি পশুর ভ্যাকসিনে গুনগত মান খারাপ থাকার কারণে টিকাকরণ বন্ধ হয়ে গেছে। বিপুল পরিমাণ অর্থ নষ্ট হতে চলেছে কেন্দ্রের। যা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে নানা প্রশ্ন।

গরু ও গবাদি পশুর ফুট অ্যান্ড মাউথ রোগের সংক্রমণ রুখতে এর টিকা করনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এজন্য খরচ করা হয়েছিল বিপুল অর্থ। কিন্তু ভ্যাকসিনের গুনমান খারাপ থাকার কারণে, সমস্ত প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে। গরু ও গবাদি পশুর অত্যন্ত সংক্রামক রোগ হলো ফুট অ্যান্ড মাউথ। এই রোগে আক্রান্ত হলে গবাদিপশুর চোখ আক্রান্ত হয়, গর্ভে থাকা গবাদিপশুর স্তনের পরিমাণ হ্রাস পায়, দ্রুত মৃত্যু ঘটতে থাকে। দুধ ও মাংসের গুনমান খারাপ হয়ে পড়ে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে এই রোগ নির্মূল করতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে টিকাকরণের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল।

এজন্য কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। সমস্ত রাজ্যকে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছিল। এছাড়া রাজ্যগুলিকে সিরিঞ্জ ও সরঞ্জাম বাবদ ১২০০ কোটি টাকা দেয়া হয়েছিল। ভ্যাকসিনের বরাত দেওয়া হয়েছিল দুটি বেসরকারি সংস্থা ও একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাকে। যে সংস্থা গুলি হল বায়োভিট, ব্রিলিয়ান্ট বায়োফার্মা প্রাইভেট লিমিটেড ও ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিকাল প্রাইভেট লিমিটেড।
শুরু হয়েছিল গবাদি পশুর টিকাকরণের কর্মসূচি। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই তা বন্ধ হয়।

আমাদের নতুন ফেসবুক পেজ (Bloggers Park) লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

অভিযোগ ওঠে, বেশ কিছু ক্ষেত্রে ভ্যাকসিনের গুণমান যাচাই না করেই ছাড় দেয়া হয়েছিল। এই অভিযোগ সামনে আসতেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে চিঠি দিয়ে ভ্যাকসিন ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গুন মান যাচাইয়ের পর আবার ভ্যাকসিনেশনের কাজ শুরু হবে। পরীক্ষা না করে কেন ভ্যাকসিনেশনের কাজ শুরু করা হলো? তা নিয়ে যেমন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তেমনি এর ফলে যে বিপুল আর্থিক ক্ষতি হলো, তার দায়ভার কে নেবে? তা নিয়েও নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

জানা গেছে ভ্যাকসিন নির্মাণকারী সংস্থাগুলোকেই এর জরিমানা দিতে হবে। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, গত বছর করোনা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণেই এই ভ্যাকসিনের গুণমান পরীক্ষা করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি। নতুন করে ভ্যাকসিনের গুণমান যাচাই করে আগামী মাসেই আবার গবাদিপশুর টিকাকরণ এর কাজ শুরু হবার কথা জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে যেভাবে বিরোধীদের ক্ষোভের মুখে পড়েছে কেন্দ্রীয় সরকার, এবার গবাদিপশুর ভ্যাকসিনের সমস্যা কেন্দ্রকে আরও চাপের মধ্যে ফেলে দিয়েছে বলেই অভিমত রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। ঘটনায় যথেষ্ট মুখ পুড়েছে কেন্দ্রের। কেন্দ্রের দায় বদ্ধতা, পরিকল্পনা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দেশজুড়ে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!