এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > করোনার টিকা বেরোলেও তা কুক্ষিগত করে রাখবে ধনী দেশগুলি? WHO-এর কথায় তীব্র জল্পনা শুরু!

করোনার টিকা বেরোলেও তা কুক্ষিগত করে রাখবে ধনী দেশগুলি? WHO-এর কথায় তীব্র জল্পনা শুরু!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- কিছুদিন আগে শোনা গেছিল করোনা ভ্যাকসিনের আবিষ্কার নিয়ে বা সেই ভ্যাকসিন কিভাবে পাওয়া যাবে সেই নিয়ে কেন্দ্রীয় কমিটি দেশের সেরা ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেই বৈঠকে কেন্দ্রের তরফে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ, নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পাল-সহ অন্যান্যরা। এছাড়া মোট পাঁচটি ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক সংস্থার সঙ্গে আলাদা আলাদা ভাবে নাকি এই বিষয়ে কথা বলে কেন্দ্রীয় কমিটি।

জানা গিয়েছিল সেই পাঁচটি সংস্থা হল হায়দরাবাদের বায়োলজিক্যাল, সেরাম ইনস্টিটিউট , জাইদাস ক্যাডিলা, জেনোভা বায়োফার্মাসিউটিক্যালস এবং ভারত বায়োটেক। সম্প্রতি যেখানে কোভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে এবং যাদের মধ্যে থেকে সেরাম ইনস্টিটিউটে হওয়া অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনটি ট্রায়াল পর্বে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত হয়, যখন অক্সফোর্ডের তৈরি এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ভালো সাড়া পাওয়া যায়। এরপরই ভারতে এই টীকা তৈরির লাইসেন্স পায় সেরাম ইনস্টিটিউট। এরপর প্রথম পর্যায়ের পরীক্ষাও হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। সেই সঙ্গে বর্তমানে ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ প্রায় সফল হয়েছে বলে খবর রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাকসিনের পরীক্ষার সঙ্গে সঙ্গেই উৎপাদনেও অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রক।


দেশে যে কোনো দিন ব্যান হয়ে যেতে পারে হোয়াটস্যাপ। তাই এখন থেকে আমরা শুধুমাত্র টেলিগ্রাম ও সিগন্যাল অ্যাপে। প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার নিউজ নিয়মিতভাবে পেতে যোগ দিন –

টেলিগ্রাম গ্রূপটাচ করুন এখানে

সিগন্যাল গ্রূপটাচ করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তাদের বক্তব্য ছিল এত সংখ্যক জনসংখ্যার দেশে, প্রতি মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ভ্যাকসিন প্রস্তুত করাটাও অত্যন্ত প্রয়োজন। তাই যতটা সম্ভব সময় সাশ্রয় করা যায় সেই কথা মাথায় রেখেই এই পন্থার কথা ভাবা হয়েছিল। সেই সঙ্গে সরকারিভাবে বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সফল হলে তা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাঠানো হবে বলেও জানানো হয়।

তবে সম্প্রতি একটা সম্ভাবনার কথায় তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। WHO’র তরফে একটি কোভ্যাক্সের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা হয়েছে। আর তাতে যোগ দিতে সব দেশকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। মূলত টিকা সংক্রান্ত সবরকম আপডেট দিতেই গত এপ্রিলে এই ফোরামের কাজ শুরু করে WHO। তাদের কথায় সেখানে ১০০ টিরও বেশি দেশ যুক্ত হয়েছে। কিন্তু এখনও এমন বহু দেশ রয়েছে যারা এতে যুক্ত হয়নি। আর সেটাই সমস্যার কারণ বলে মনে করছে WHO।

তাদের কথায়, করোনা মোকাবিলায় ভ্যাকসিনের বণ্টনের ক্ষেত্রে সমান ভাবে হওয়াটা খুব জরুরি। সেক্ষেত্রে বিশ্বের বিত্তবান দেশগুলি যদি অর্থের বলে ভ্যাকসিনগুলি আগে নিজেদের করে রাখতে চায়, তাহলে সেখানেই সমস্যা হবে। তাই ভ্যাকসিন যাতে উন্নয়নশীল এবং অনুন্নত উভয় দেশগুলোই সমানভাবে পায় তা আগে নিশ্চিত করা দরকার। আর তাই তারা বিশ্বের সব দেশকে এই নতুন আন্তর্জাতিক জোটে আহ্বান করছে। কিন্তু সেখানে দেখা গেছে বিশ্বের অনেক ধনী দেশই এখানে যোগ দিতে চায় না। যাদের মধ্যে রয়েছে আমেরিকাও। আর তাতেই করোনা ভ্যাকসিনের জাতীয়তাবাদের এই প্রবণতা এই মহামারীর সময়কালকে আরো বাড়িয়ে দেবে বলেই সম্ভাবনা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!