এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > করোনা আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্যের অবনতি! প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

করোনা আক্রান্ত হয়ে স্বাস্থ্যের অবনতি! প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- করোনা একে একে প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের। করোনা সংক্রমনের বিস্তার যত দিন যাচ্ছে তা যে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটগুলিকেও আক্রমণ করতে ছাড়বে না সে কথাই জানা গেছে। বস্তুত করোনাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা মন্ত্রীদের আক্রান্ত হওয়ার খবর বর্তমানে মানুষের কাছে পরিচিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তার কারণ সাধারণ মানুষ গৃহবন্দি থাকলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দেশের জন্য দশের জন্য নিজেদের জীবন বিপন্ন রেখে কাজ করে চলেছেন। তাই প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন অনেকেই। সেই খবর বারবার সামনে এসেছিল।

সম্প্রতি গুজরাটের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেশুভাই প্যাটেল করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তাঁর বয়স ৯২ বছর হয়েছিল বলেও জানা যায়। গত মাসে তাঁর শরীরে করোনা সংক্রমণ হলেও তিনি উপসর্গহীন ছিলেন বলেই তথ্যসূত্র জানা গিয়েছিল। তবে আজ সকালে হঠাৎ করে তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাঁকে দ্রুত আমেদাবাদের এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানা গেছে।

তবে সেখানেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, হাসপাতাল প্রশাসনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে করোনায় তাঁর মৃত্যু হয়নি। হার্ট অ্যাটাকের কারনেই বস্তুত তিনি মারা গেছেন বলে জানানো হয়েছে। এদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে সংবাদমাধ্যমকে জানানো হয়েছে তাঁকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন তিনি অচৈতন্য অবস্থায় ছিলেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

সেইসঙ্গে, তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বলে জানা যায়। তবে তার পরে তাঁর আর কোনো সংজ্ঞা ফেরানো যায়নি। যদিও চিকিৎসকদের তরফ থেকে সবরকম চেষ্টা করা হয়েছিল বলেই জানানো হয়। সকাল ১১টা বেজে ৫৫ মিনিটে তাঁকে মৃত বলে জানানো হয়। তবে তিনি করোনাতে মারা যাননি বলেই দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

অন্যদিকে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন তিনি টুইট করে লেখেন, প্রিয় ও শ্রদ্ধেয় কেশুভাই প্রয়াত হয়েছে। তিনি গভীরভাবে বেদনা ও শোকাহত। তিনি এমন এক দুর্দান্ত নেতা ছিলেন যিনি সমাজের প্রতিটি স্তরের জন্য ভাবতেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি তাঁর জীবন গুজরাটের উন্নয়ন ও প্রত্যেক গুজরাটির ক্ষমতায়নের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

শুধু তাই নয়, কেশুভাই গুজরাটের প্রতিটি প্রান্তে জনসংঘ ও বিজেপির শক্তি বাড়াতে ঘুরেছেন বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। সেইসঙ্গে এমার্জেন্সির সময় আপ্রাণ লড়াই করা থেকে শুরু করে কৃষকদের কল্যাণের বিষয়টি তাঁর হৃদয়ের খুব কাছাকাছি ছিল বলেও বলেন মোদিজি। বিধায়ক, সাংসদ, মন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী, সব পদে থাকাকালীনই তিনি কৃষকদের জন্য বহু কল্যাণকর পদক্ষেপ করেছেন বলে জানান নরেন্দ্র মোদী।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কেশুভাই প্যাটেল ১৯৯৫ সালে প্রথমবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। তিনি নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ একজন বিজেপি নেতা ছিলেন বলে জানা যায়। ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত সময়কালেও তিনি মুখ্যমন্ত্রীর পদে ছিলেন। পরবর্তীকালে তাঁকে সরিয়ে মোদী রাজ্যের মসনদে বসেছিলেন বলে জানা যায়।

পরে ২০১২ সালে কেশুভাই বিজেপি ছেড়ে নিজের দল ‘গুজরাট পরিবর্তন পার্টি’ গঠন করেন। ২০১২ সালেই তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু জিততে পারেননি। তবে শেষপর্যন্ত আবারও তিনি বিজেপিতেই ফিরে গিয়েছিলেন ২০১৪ সালে। গুজরাট বিধানসভাতে তিনি ছ’বারের বিধায়ক ছিলেন। আর তাঁর এই প্রয়াণে তাই স্বভাবতই বিজেপি শিবিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!