এখন পড়ছেন
হোম > আন্তর্জাতিক > করোনা জয়ের দিকে এগোন গেল আরও একধাপ! অক্সফোর্ডের ভ্যাক্সিন নিয়ে এল বড়সড় ‘পজিটিভ রিপোর্ট’!

করোনা জয়ের দিকে এগোন গেল আরও একধাপ! অক্সফোর্ডের ভ্যাক্সিন নিয়ে এল বড়সড় ‘পজিটিভ রিপোর্ট’!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট –গত বছরের নভেম্বর মাসে চীনের উহানে প্রথম দেখা গিয়েছিল করোনা ভাইরাস । তারপর যতই সময় এগিয়েছে, করোনা ভাইরাস ততই নিজের শক্তি বৃদ্ধি করছে । চীন থেকে তা ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর সর্বত্র । করোনা থেকে বাঁচতে মানুষ মাস্ক, গ্লাভস এ নিজের মুখ, হাত ঢেকে রাখছে, স্যানিটাইজার দিয়ে বারবার নিজের হাত পরিষ্কার করছে সবাই । কিন্তু এভাবে যে করোনা কে রোখা সম্ভব নয়, তা জানতে বাকি নেই কারোরই । করোনা কে আটকাতে গেলে প্রয়োজন তার উপযুক্ত প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন ।

এবার এই করোনার ভ্যাকসিন নিয়েই বড়োসড়ো একটি আসার বাণী শোনালো যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি । অক্সফোর্ডের কর্মরত বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই একটি ভ্যাকসিন তৈরী করে ফেলেছেন করোনা রোধের জন্যে । যদিও তা এখনো পরীক্ষালব্ধ । সেখানকার বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ভ্যাকসিনটি মানবদেহের পক্ষ্যে অত্যন্ত নিরাপদ ও মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্যে সহায়ক । মোট ১০৭৭ জনের উপরে এই ভ্যাকসিনটি প্রয়োগ করে দেখা গেছে, এটি মানবদেহে অ্যান্টিবডি ও শ্বেতকণিকা তৈরী করতে সক্ষম, যা লড়াই করবে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে ।

এখনো পর্যন্ত এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষার ফলাফলগুলি আশাব্যাঞ্জক হলেও, এটি মানবদেহকে পুরোপুরি রক্ষা করতে পারবে কিনা, তা নিশ্চিত করে বলা যায় না । এর জন্য আরো বেশি মানুষের উপরে এর পরীক্ষা বা ট্রায়াল চলছে । ব্রিটেন ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিনের ১০০ মিলিয়ন ডোজ অর্ডার করেছে । এই ভ্যাকসিনটি নাম রাখা হয়েছে ‘ ChAdOx1 nCoV-19’ । শিম্পাঞ্জির শরীরের সাধারণ কোল্ড ভাইরাস থেকে এটি তৈরী করা হয়েছে। জিনগত ভাবে এটির অনেক পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে , যাতে এটি মানুষকে সংক্রামিত না করতে পারে।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

এছাড়াও করোনা ভাইরাস তার স্পাইক প্রোটিনের সাহায্যে মানবদেহের কোষগুলিকে প্রভাবিত করে থাকে, তাই বিজ্ঞানীরা রোরোনা ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনকে জিনগত নির্দেশের ভ্যাক্সিনে স্থানান্তরিত করেছেন । বিজ্ঞানীরা বারবার পরীক্ষা করে দেখছেন এই ভ্যাকসিন মানবদেহের পক্ষে নিরাপদ কিনা । বিজ্ঞানীরা এটাও দেখছেন, এটি মানুষকে অসুস্থ হতে বাধা দিতে পারে কিনা বা এটি করোনা ভাইরাসের লক্ষণগুলি হ্রাস করতে পারে কিনা।

পরবর্তী পর্যায়ে ১০০০ জনের বেশি মানবদেহে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা করা হবে বলে জানা যাচ্ছে । একটি চ্যালেঞ্জ ট্রায়াল এরও ব্যবস্থা করা হয়েছে, যেখানে কেউ নিজের নিজেকে করোনা সংক্রামিত করে নিজের দেহে এই ভ্যাকসিনের পরীক্ষা করতে পারবে । বিজ্ঞানীদের অনুমান চলতি বছরের শেষের দিকেই এই করোনার ভ্যাকসিনটি তার সমস্ত পরীক্ষা সফল হয়ে কার্যকর ভ্যাকসিন হিসেবে প্রমাণিত হবে । তবে বিশ্বের সব মানুষের কাছে কবে এই ভ্যাকসিন এসে পৌঁছাবে তা এখনো নিশ্চিভাবে বলা সম্ভব হয় নি ।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!