এখন পড়ছেন
হোম > অন্যান্য > করোনাকালে আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে নিয়ম মাফিক জলপান! অবাক হচ্ছেন? জেনে নিন বিস্তারিতভাবে

করোনাকালে আপনাকে সুস্থ রাখতে পারে নিয়ম মাফিক জলপান! অবাক হচ্ছেন? জেনে নিন বিস্তারিতভাবে



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – জল চাই ? তা কেমন জল?? সুকুমার রায়ের সেই অবাক জলপানের গল্প পড়ে সত্যিই হাসতে হাসতে অবাক হতে হয়। অবাক জলপানই বটে! আজকাল মানুষের জল খাওয়ার অভ্যাস দেখলে মাথা খারাপ হতে হয়। কেউ এত বেশি জল খান যে জোগান দেওয়া দায়, আর কেউ একেবারেই ছুঁয়ে দেখেন না। কেউ বা একবার এসে একেবারে বোতল খালি করে দিয়ে যাচ্ছেন। তা মশাই বলছি কি সারাদিনের খাবার কি একেবারে খান নাকি? তা জলের বেলায় এমন কেনো ? শরীর সুস্থ রাখতে গেলে কিন্তু খাবারের সঙ্গে জলও খেতে হবে নিয়ম মেনে। তবেই না শরীর ভালো থাকবে! আসুন জেনে দেখি ব্যাপারটা।

ডাক্তারদের মতে জল খাওয়া উচিত মেপে। যে যেমন ব্যক্তি তার শরীরে জলের চাহিদাও সেরকম। কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা ?

নর্মাল ব্যালান্স:- ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সের গাইডলাইন মতে একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের দিনে ৩.৭ লিটার ফ্লুইড এবং একজন মহিলার ২.৭ লিটার ফ্লুইড দরকার হয়। তবে এখানে মনে রাখতে হবে ফ্লুইড মনে শুধু জল নয় কিন্তু। সেক্ষেত্রে চা-কফি, হেলথ ড্রিঙ্ক, দুধ যে কোনও লিকুইডই বোঝায়। যদি সারাদিনে চা-কফির পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে সেই অনুপাতে জল মেপে খাওয়া উচিত। তবে একবারে না খেয়ে সারাদিন ধরেই অল্প অল্প করে জল খাওয়া ভালো।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

হার্ট বা কিডনির সমস্যা থাকলে:- হার্টের রোগ থাকলেও দিনে ২-৩ লিটার জল খাওয়া যেতেই পারে। তবে সেটাও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। তবে কিডনি অকেজো হযে গেলে তা শরীর থেকে অতিরিক্ত জল বের করে দিতে পারে না। আবার কিডনির অতিসক্রিয়তায় বেশি জল বেরিয়ে যায় শরীর থেকে, তখন ডিহাইড্রেশন হতে পারে। সেক্ষেত্রে জল খাওয়ার পরিমাণ আলাদা হয়।

গর্ভবতী বা সদ্য মায়েদের জন্য:- গর্ভাবস্থায় শরীর হাইড্রেটেড থাকা খুবই জরুরি। এই সময় প্রয়োজনের কম জল খেলে বা ডিহাইড্রেশন হলে তার খারাপ প্রভাব পড়ে শরীরে। সাধারণত গর্ভবতী মায়েদের সারাদিনে কম করেও ২.৪ লিটার ফ্লুইড শরীরে প্রয়োজন হয়। আবার যে সমস্ত মায়েরা ব্রেস্ট ফিড করান তাদের ক্ষেত্রে দিনে ৩.১ লিটার ফ্লুইড দরকার হয়।

ওবেসিটি বা ওজন বাড়ার রোগ থাকলে:- ডাক্তারদের মতে, শরীরের ওজন যত তাকে ২ দিয়ে ভাগ করলে যে ফল বেরবে ততটাই জল দরকার হয় শরীরে। তবে এর সঙ্গে সারাদিনে একটা মানুষ কতটা সক্রিয়, কী পরিমাণ কাজ করছেন, শরীরকে কতটা খাটানো হচ্ছে এই বিষয়গুলোর উপরেও জলের পরিমাণ নির্ভর করে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!