এখন পড়ছেন
হোম > রাজনীতি > তৃণমূল > করোনা আবহেও ঝড় মহুয়া-পিকে যুগলবন্দিতে! বিরোধীদের শিবিরের “স্বচ্ছ” মুখেদের ঘরে তুলছে তৃণমূল

করোনা আবহেও ঝড় মহুয়া-পিকে যুগলবন্দিতে! বিরোধীদের শিবিরের “স্বচ্ছ” মুখেদের ঘরে তুলছে তৃণমূল



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ঘর ভাঙতে এখন সবথেকে বেশি তৎপর হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোরের উদ্যোগে এখন বিরোধীদের দিক থেকে স্বচ্ছ মুখেদের নিজেদের দিকে আনাই প্রধান লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘাসফুল শিবিরের কাছে। এবার নদীয়া জেলায় একাধিক বিধানসভা থেকে বিরোধী দলের নেতাকর্মী যোগ দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসে।

জানা গেছে একসময় যারা তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়েছিলেন এদিন তাদেরই একটি অংশ মহুয়া মৈত্র হাত ধরে ফের দলে ফিরে আসেন স্বাভাবিক ভাবে গোটা ঘটনায় উজ্জীবিত তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর এবং মহুয়া মৈত্রের মত বিচক্ষণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের উদ্যোগেই নদীয়া জেলা জুড়ে বিজেপির ভোটব্যাংকে এই ভাঙন ঘটাতে সক্ষম হল তৃণমূল কংগ্রেস। লোকসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময়কালে বিভিন্ন জেলাতেই তৃণমূলে ভাঙ্গন ধরতে শুরু করেছিল।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে এখন তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের দলে যে ভাঙ্গন ঘটেছিল, তাকে মেরামতি করতে যে সমস্ত নেতারা বিরোধীদলে পা বাড়িয়েছেন, তাদের আবার নিজেদের দিকে টানতে শুরু করেছে। আর তারই অঙ্গ হিসেবে নদীয়া জেলায় মহুয়া মৈত্র এবং তৃণমূলের রাজনৈতিক পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোরের উদ্যোগে এই সাফল্য পেল ঘাসফুল শিবির বলে দাবি রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। এদিন এই প্রসঙ্গে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়ে অনিল বারুই বলেন, “করোনা আমফানে তৃণমূল যে কাজ করেছে, তা এককথায় অভাবনীয়। সেই কারণে তৃণমূলে আমরা যোগ দিতে চেয়েছিলাম। সেটাই এদিন সম্ভব হল।”

অন্যদিকে রাজকুমার ঘোষ নামে এক ব্যক্তি বলেন, “বিজেপির হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি মেনে নিতে পারছি না বলেই তৃণমূলে যোগ দিলাম।” এদিকে এই ব্যাপারে নদীয়া জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মহুয়া মৈত্র বলেন, “এটা প্রতীকী যোগদান কর্মসূচী। বুথস্তরে আরও বেশি লোক তৃণমূলে যোগদান করবেন।” তবে যেভাবে এখন তৃণমূল বিরোধী দলে ভাঙন ধরাতে শুরু করেছে, তাতে কি বিজেপি চাপে পড়ল না?

এদিন এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য নেতা মহাদেব সরকার বলেন, “গোটাটাই তৃণমূলের গিমিক। এরা কেউ বিজেপি কর্মী নয়। নদিয়া জেলায় বিজেপির অবস্থা খুব ভালো। এসব করে আই ওয়াশ করা যাবে না।” সব মিলিয়ে নদীয়া জেলায় বিরোধী দল ভেঙে ব্যাপক নেতাকর্মীর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করবে বলেই মত বিশেষজ্ঞদের। এখন গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!