এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > করোনা আবহে রেলের এই কর্মীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হতে চলেছে কড়া পদক্ষেপ! পুরোটা জানলে চমকে যাবেন

করোনা আবহে রেলের এই কর্মীদের বিরুদ্ধে নেওয়া হতে চলেছে কড়া পদক্ষেপ! পুরোটা জানলে চমকে যাবেন



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ট্রেন চালানো নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে তীব্র গুঞ্জন। যদিও রেলের পক্ষ থেকে কুড়ি জোড়া দূরপাল্লার ট্রেন চালানো হবে বলে জানা গেছে। আগেই বলা হয়েছিল, ট্রেন চলা শুরু হলেই করোনার প্রকোপ অনেক বেড়ে যাবে। অন্যদিকে পূর্ব রেলের দূরপাল্লার ট্রেনগুলি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠে আসছে। পূর্ব রেলের দূরপাল্লার যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ জানানো হচ্ছে, রেল কর্মীরাই সুরক্ষার সামান্যতম বিধিও মেনে চলছেন না। যাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, টিকিট পরীক্ষকদের অনেকেই মাস্ক পড়ছেন না, অনেকেরই সর্দি-কাশি থাকলেও ট্রেনের টিকিট চেকিং করছে।

এমনকি হাওড়ার মতন গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থার্মাল চেকিং হচ্ছেনা বলে যাত্রীদের অভিযোগ। অবশ্য আরপিএফ জানিয়েছে, হাওড়ায় পুরনো স্টেশনের গেটে থার্মাল চেকিং হচ্ছে। অন্যদিকে যাত্রীদের তরফ থেকে রেল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসায় প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহণের দিকে। আর তাই নিয়েই কর্মীদের সঙ্গে রেল প্রশাসনের লেগেছে দ্বন্দ্ব। টিকিট পরীক্ষকরা তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে রেলকর্মীরা রেল কর্তৃপক্ষের কর্মপদ্ধতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাঁদের মতে, করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও সবথেকে প্রয়োজনীয় দূরত্ব বজায় রাখা। কিন্তু তা সত্বেও ট্রেনের সিটে আরএসি এবং ওয়েটিং লিস্টের যাত্রীদের ওঠার অধিকার দেওয়া হচ্ছে পূর্বরেলে। ফলে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ছে।

এই পরিস্থিতিতে সমস্ত টিকিট পরীক্ষকদেরই কাজ করানো হচ্ছে। এই অবস্থায় পূর্ব রেলের কমার্শিয়াল একা আধিকারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভাগীয় কর্মীদের উদাসীনতা সত্ত্বেও তাঁদেরকে দিয়েই কাজ করাতে হবে। কারণ বোর্ডের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করা যাবে না। এদিকে হাওড়া, শিয়ালদা, কলকাতা থেকে সমস্ত ট্রেনেরই একই অবস্থা। আর তাই এবার পূর্ব রেলের কর্মী সংগঠন মেনস ইউনিয়নের পক্ষ থেকে তীব্র বিরোধিতা করা হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অমিত ঘোষের কথা থেকে জানা গিয়েছে, রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলোতে মাত্র গুটিকয়েক ট্রেন চলছে। আগামী 21 সেপ্টেম্বর থেকে কুড়িটি ট্রেন চালানো হবে দেশে। কিন্তু তখন রাজ্য পাবে মাত্র একটি ট্রেন।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

অন্যদিকে বিহারে নির্বাচন। সেজন্য সেখানে বাকি উনিশটি ট্রেন দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। চাহিদা অনুযায়ী ট্রেন দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি সমস্যার সমাধান না করে রেল কর্মীদের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে। তবে এই কৌশল নতুন নয় বলেই জানিয়েছেন অমিত ঘোষ। জানা গেছে, কর্মীরা মাস্ক ব্যবহার করছেন, ফেস শিল্ডও কেউ কেউ ব্যবহার করছেন বলে জানা যাচ্ছে।রেল প্রথম প্রথম সুরক্ষা সরঞ্জাম দিলেও বর্তমানে আর দিচ্ছেনা। রেলের বহু যাত্রী মাস্ক ব্যবহার করছেননা যে সে কথাও স্পষ্ট। রেলের অন্যান্য শাখায় মাস্ক না পড়ে যাত্রা করলে জরিমানা ধার্য করা হচ্ছে। কিন্তু পূর্ব রেল এখনো সেরকম কিছু নিয়ম বানায়নি।

অন্যদিকে জানা গেছে, রেলের নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে বিরোধিতা না করতে পারলেও আরপিএফ এর পক্ষ থেকেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছে। কারণ প্রথম অবস্থায় রেল কম সংখ্যক লোকাল ট্রেন চালাবে বলে পরিকল্পনা নিচ্ছে। আর তাতেই যখন চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেবে তার দায় গিয়ে চাপবে আরপিএফ এর ওপর। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূরপাল্লার ট্রেন নিয়েই এত জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে বর্তমানে, সেখানে লোকাল ট্রেন চালু হলে এই জটিলতা যে কোথায় গিয়ে পৌঁছবে, তার নেই ঠিক বলে মনে করা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে প্রত্যেককেই নিয়ম-নীতি মেনে চলতে হবে। সে রেলকর্মী হোক বা যাত্রী। সেক্ষেত্রে নিয়ম না মানলে শাস্তির মুখোমুখি হওয়া উচিত প্রত্যেককে বলে মনে করা হচ্ছে।

আপনার মতামত জানান -

ট্যাগড
Top
error: Content is protected !!