এখন পড়ছেন
হোম > জাতীয় > পরিবর্তনের অন্যতম কাণ্ডারীকে ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু বিজেপিতে? শুরু তীব্র জল্পনা

পরিবর্তনের অন্যতম কাণ্ডারীকে ছেঁটে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু বিজেপিতে? শুরু তীব্র জল্পনা



কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী – সারা দেশের বিপুল জনাদেশ নিয়ে দিল্লিতে দ্বিতীয়বারের জন্য কুর্সিতে বসেছেন নরেন্দ্র মোদী। ফলে গোটা গেরুয়া শিবিরের মধ্যেই চলছে এখন ‘ফিল গুড ফ্যাক্টর’। কিন্তু, এরমধ্যেই যেন হঠাৎ করে ছন্দপতন দীর্ঘদিনের বাম জমানার অবসান ঘটানো ত্রিপুরাতে। সেখানে পরিবর্তনের অন্যতম কাণ্ডারী বলে পরিচিত সুদীপ রায় বর্মনের বিজেপি ছাড়ার ইঙ্গিতে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

বিজেপি ত্রিপুরাতে জেতার পর থেকেই অবশ্য নব্য ও আদির লড়াই শুরু হয়েছিল। যার জেরে লোকসভা নির্বাচনের আগেই ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিল্পব দেব ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছিলেন যে ‘বিভীষনদের’ বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর সেই প্রক্রিয়া গতকাল রাত থেকেই শুরু করে দিল ত্রিপুরা বিজেপি। ত্রিপুরায় পরিবর্তনের অন্যতম কান্ডারি সুদীপ রায় বর্মণের হাতে থাকা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ, ভারী শিল্প, শিল্প ও বাণিজ্য, পূর্ত, বিজ্ঞান এবং তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রকের দায়িত্ব কেড়ে তাঁকে মন্ত্রীসভা থেকে ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিলেন বিপ্লব দেব।


WhatsApp-এ প্রিয় বন্ধু মিডিয়ার খবর পেতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া গ্রূপের লিঙ্ক – টেলিগ্রামফেসবুক গ্রূপ, ট্যুইটার, ইউটিউব, ফেসবুক পেজ

আমাদের Subscribe করতে নীচের বেল আইকনে ক্লিক করে ‘Allow‘ করুন।

এবার থেকে আমাদের খবর পড়ুন DailyHunt-এও। এই লিঙ্কে ক্লিক করুন ও ‘Follow‘ করুন।



আপনার মতামত জানান -

জানা গেছে, এইসব মন্ত্রকের দায়িত্ব আপাতত ভাগ করে নেবেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ও উপমুখ্যমন্ত্রী জিষ্ণু দেব বর্মা। প্রসঙ্গত, সুদীপবাবু প্রথমে কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে যোগ দেন এবং পরে তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসেন। দীর্ঘদিনের এই রাজনীতিবিদ আবারো কংগ্রেসেই ফেরত যেতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, এখানেই শেষ নয়, বিপ্লব দেবের কথার সূত্র ধরে শুরু হয়েছে বাকি ‘বিভীষনদের’ নিয়েও জল্পনা। ফলে, আগামী কয়েকদিনে ত্রিপুরার রাজনীতি উথালপাথাল হতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে, ত্রিপুরার এই রাজনৈতিক ডামাডোলের প্রভাব বঙ্গ রাজনীতিতেও পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কেননা, ত্রিপুরাতে বিপুল জনাদেশ নিয়ে বাম জমানার অবসান ঘটাতে এই প্রাক্তন কংগ্রেস তথা তৃণমূল নেতাদের ভূমিকা অনস্বীকার্য ছিল, কিন্তু ক্ষমতায় আসার কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের ছাঁটার প্রক্রিয়া শুরু হতেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিশেষ করে যেখানে বাংলাকে ‘পাখির চোখ’ করে বিজেপি বর্তমানে তৃণমূল ভাঙানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আর তাই ত্রিপুরার এই ঘটনা সেই ভাঙনের প্রক্রিয়াতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!