এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > শাহিনবাগের ছায়া কি এবার নেমে আসবে বাংলার বুকে? চিন্তিত খোদ মুখ্যমন্ত্রী!

শাহিনবাগের ছায়া কি এবার নেমে আসবে বাংলার বুকে? চিন্তিত খোদ মুখ্যমন্ত্রী!



বিগত বাম আমলে বন্দুকের নল তার সামনে রাখা হলেও, প্রতিবাদ থেকে পিছিয়ে আসতে দেখা যায়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিরোধী নেত্রী হিসেবে বিগত দিনে বাম সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে ক্ষমতার কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। যার ফলস্বরূপ 2011 সালে সাধারণ মানুষের জনাদেশ নিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় রাজ্যের ক্ষমতায় বসেছে তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হলেও, প্রতিবাদ নামক শব্দটাকে এখনও পর্যন্ত নিজের সাথেই বহন করে নিয়ে চলেছেন তিনি। বর্তমানে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সরব হতে দেখা যায় তাঁকে। তবে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে যখন তিনি লাগাতার প্রতিবাদ করছেন, ঠিক তখনই তার প্রতিবাদকে ভেস্তে দেওয়া হতে পারে বলে এবার আশঙ্কার সুর শোনা গেল সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়।

শুধু তাই নয়, শাহীনবাগের প্রতিবাদীদের কথা তুলে ধরে বাংলার প্রতিবাদীদের ওপরেও হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন তৃণমূল নেত্রী। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আশঙ্কা নিয়েই এখন নানা মহলে তৈরি হয়েছে শোরগোল। সূত্রের খবর, এদিন কৃষ্ণনগরের কলেজ ময়দানে দলীয় কর্মী সম্মেলনে উপস্থিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন ইস্যুতে বিজেপির বিরুদ্ধে সব থেকে বেশি সুর চড়ান তিনি।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

তবে এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আইন বাতিলের দাবি জানালেও, এবার অন্য আশঙ্কার সুর শোনা গেল তার গলায়। তিনি বলেন, “শাহীনবাগে প্রতিবাদ করলেই গুলি। কোনোদিন হয়তো দেখবেন, আমরা যারা প্রতিবাদ করছি, তাদের কারও কারও উপর মুখোশ, মুখ ঢেকে গুলি চালাতে পারে। কিন্তু গুলি, বন্দুক দেখে আমি ভয় পাই না। বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করব। বাংলা বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল।”

কিন্তু হঠাৎ এমন কেন আশঙ্কা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়! এদিন এই প্রসঙ্গেও মঞ্চ থেকেই তার উত্তর দিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। তিনি বলেন, “সংবিধানের নামে শপথ নিয়ে সাংবিধানিক পদে বসেছেন বিজেপির অনেক নেতা। তারা বলছেন, গদ্দারো কো গুলি মারো। ওই যে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী। অনেকে বলেন, ভোগী। তা ভোগ করতেই পারেন। আমার কোনো আপত্তি নেই। তিনি আবার বলছেন, শুনো বুলি, নেহি তো চলেগা গুলি। এসব বলা যায়! কতগুলো উন্মাদ আর মূর্খ এসব করছে।”

বিশেষজ্ঞদের একাংশ বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিজেপি নেতাদের হুঁশিয়ারিমূলক মন্তব্যকে বেশি করে তুলে ধরে সাধারণ মানুষের কাছে প্রমাণ করতে চাইলেন, বিজেপি প্রতিবাদীদের আন্দোলনকে নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা করছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন মন্তব্য এখন বিজেপিকে কতটা বিপাকে ফেলে এবং বিজেপি নেতারা আদৌ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা মন্তব্য করে অস্বস্তিতে ফেলতে পারেন কিনা! সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!