এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > অবশেষে দিলীপ ঘোষকে মান্যতা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী! জেনে নিন!

অবশেষে দিলীপ ঘোষকে মান্যতা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী! জেনে নিন!



করোনা ভাইরাস আটকাতে কিছুদিন আগে একটি মন্তব্য করেছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, এই করোনা ভাইরাস একটা বড় ভাইরাস। অন্য কোনো মাস্ক না থাকলে বাড়িতে পরিষ্কার পাতলা সুতির কাপড় দিয়ে মাস্ক তৈরি করুন। আর দীলিপবাবুর এই মন্তব্যের সাথে সাথেই তাকে নিয়ে ট্রোল করতে শুরু করে তৃণমূলের একাংশ।

সোশ্যাল মিডিয়া সেলের শাসক দলের নেতাদের তরফ থেকে দাবি করা হয়, দীলিপবাবু যেমন গরুর দুধে সোনা পান, ঠিক তেমনই করোনা ভাইরাস নিয়েও ভিত্তিহীন মন্তব্য করে বিভ্রান্তিতে ফেলতে চাইছেন সকলকে। তবে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা যে কথাই বলুন না কেন, এবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যকেই কার্যত মান্যতা দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, শুক্রবার নবান্নে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই করোনা ভাইরাসকে প্রতিরোধ করার জন্য বেশ কিছু বার্তা দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি বলেন, “রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে নিমপাতা। এই সময় নিম পাতা খাওয়া খুব ভাল। আমার বাড়ির সামনে নিমগাছ আছে। এখন কাঁচা শাক-সবজি, স্যালাড এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। শাক সবজি সেদ্ধ করে খান। মাস্কের বিকল্প হিসেবে গেঞ্জি কাপড়ের মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন। তাও একবার ডাক্তারের পরামর্শ নিলে ভালো হয়।” আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে কার্যত পরিষ্কার যে দীলিপবাবু খুব একটা ভুল কথা বলেননি।

ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দীলিপবাবুর সেই মন্তব্যকে কোট করে তাকে খাটো করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এদিনের কথা থেকেই পরিষ্কার যে, তিনিও পরোক্ষে দিলীপ ঘোষের সেই মন্তব্যকে মান্যতা দিলেন। এদিন এই ভাইরাসকে আটকাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কাছেও বেশ কিছু অনুরোধ করেন।

তিনি বলেন, “দুই থেকে চার জনের বেশি একসঙ্গে দেখা করা চলবে না। এটা কোনো রাজনৈতিক লড়াই নয়, রোগের বিরুদ্ধে লড়াই। চারদিন ঘর থেকে না বেরোলে যদি সুস্থ থাকা যায়, তাহলে সেটাই করা উচিত। রেস্তোরাঁ মালিকদের বলা হয়েছে, নিয়ম মেনে সতর্ক হয়ে রেস্তোরাঁ চালান।” অন্যদিকে আইসোলেশন নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে, এদিন তার ব্যাপারেও বার্তা দেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। তিনি বলেন, “বাড়ির মতই থাকতে হয়। কিন্তু একটা ঘরে থাকতে হবে। সেই ঘরের বাথরুম অন্য কেউ ব্যবহার করবেন না। জামা কাপড় যারা পরিষ্কার করবেন, তাদেরও সাবধানে থাকতে হবে। পাশাপাশি মানসিক ভাবে শক্ত হতে হবে। আগে পক্স হলে জামাকাপড় পুড়িয়ে ফেলা হত। মশারির মধ্যে থাকতে হত।”

সবশেষে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হলেই এই রোগ রোখা সম্ভব বলেও দাবি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন করোনা ভাইরাস নিয়ে যে সমস্ত কথা বলেছেন, তার মধ্যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কাপড় দিয়ে মাস্ক তৈরি করার কথা। যে মন্তব্য করে কিছুদিন আগেই দিলীপ ঘোষকে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল, পরোক্ষে দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যতেই সীলমোহর দিয়ে তৃণমূলের সমালোচনা করা নেতাকর্মীদের অস্বস্তিকেই বাড়িয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!