এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > সিনেমার স্ক্রিপ্টকেও হার মানিয়ে ‘জামাতার গ্যাংয়ের’ ৭ জনকে জালে তুলল লালবাজারের গোয়েন্দারা!

সিনেমার স্ক্রিপ্টকেও হার মানিয়ে ‘জামাতার গ্যাংয়ের’ ৭ জনকে জালে তুলল লালবাজারের গোয়েন্দারা!



প্রিয় বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট – বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতার বুকে শোনা যাচ্ছে অহরহ ব্যাংক জালিয়াতির কথা। পুলিশ হন্যে হয়ে এই ব্যাংক জালিয়াতির পেছনে কারা আছে তার সন্ধান করতে শুরু করে। প্রমাণ মেলে কুখ্যাত জামতাড়া দলের এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত থাকার। আর এরপরেই তাঁদের ধরতে উঠেপড়ে লাগে কলকাতা পুলিশ। সম্প্রতি রীতিমতো কোভিড কর্মী সেজে ঝাড়খন্ডে গিয়ে ঘরের ভেতর থেকেই জামতাড়া বাহিনীকে পাকড়াও করল কলকাতার পুলিশ রীতিমত সিনেমার ঢংয়ে।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে সম্প্রতি কখনো নিজেদের ব্যাঙ্ক কর্মী বলে, কখনো কেওয়াইসি আপডেট করার নামে বিভিন্ন সময় মোটা টাকা গায়েব করেছে এই জামতাড়া গ্যাং এর সদস্যরা। ঝাড়খণ্ডের এলাকার বাসিন্দাদের কাছে তাঁরা সাইবারওয়ালা বলে পরিচিত। এদের মধ্যে কেউ ফোন করত, কেউ মেসেজ পাঠাতো। আবার কেউ নিজেদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টেই জালিয়াতির টাকা জমাতো। সম্প্রতি কলকাতার লেদার কমপ্লেক্সের বাসিন্দার সঙ্গে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ব্যাঙ্ক কর্মী বলে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে 6 লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পুলিশ খবর পেয়ে কোনরকমে দেড় লাখ টাকা আটকে ফেলে। একই পদ্ধতিতে আর এক মহিলার কাছ থেকেও জামতাড়া বাহিনী আদায় করেছে 4 লক্ষ 66 হাজার টাকা। সেক্ষেত্রেও কোনরকমে এক লাখ টাকা বাঁচানো সম্ভব হয় বলে জানা গেছে। এরপরেই লালবাজারে গোয়েন্দা বিভাগের ব্যাংক জালিয়াতি শাখার আধিকারিকদের বুঝতে অসুবিধা হয়না এই কাজ জামতাড়া বাহিনী ছাড়া অন্য কারো নয়।


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

কিন্তু শনাক্ত করতে কিছুটা সময় লাগে তদন্তকারীদের। গত মাসেই পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার করে। আর এবার লালবাজারের গোয়েন্দারা করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের ছদ্মবেশ গ্রহণ করেন। মুখে মাস্ক, শিল্ড পড়ে এবং শরীরে অ্যাপ্রন পড়ে স্বাস্থ্যকর্মী সাজেন তাঁরা। কোনোভাবেই বোঝা যায়না লালবাজারের গোয়েন্দাবাহিনীর আগমন এবং জামতাড়া গ্রাম থেকে বের করে নিয়ে আসা হয় জালিয়াতদের। জানা গেছে, এখনো পর্যন্ত মোট 9 জন জালিয়াত গ্রেপ্তার হয়েছে লালবাজারের গোয়েন্দাদের হাতে।

বাকিদের সন্ধান চলছে। দীর্ঘদিন ধরেই জামতাড়া বাহিনীর লক্ষ্য শহরের আপাত সাধারণ মানুষ, যাদের ব্যাংকে রয়েছে ভালো পরিমাণ টাকা। এই টাকা হাতানোর কাজেই নামে জামতাড়া বাহিনী। জালিয়াতির চক্রান্তে পড়ে বেশ কয়েকজন টাকা হারিয়ে শরণাপন্ন হন পুলিশের। পুলিশের বেশে গিয়ে এতদিন জামতাড়া গ্যাংকে ধরা সম্ভব হয়নি। কারণ তাঁরা আগে থেকেই খবর পেয়ে চম্পট দিত। কিন্তু এবার করোনা সহায়তায় রীতিমতো সিনেমার কায়দায় গোয়েন্দারা পাকড়াও করল এই জামতাড়া বাহিনীকে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!