এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > উত্তরবঙ্গ > সি আই ডি তদন্ত নয় সিবিআই তদন্তের দাবিতে রিলে অনশন বিজেপির

সি আই ডি তদন্ত নয় সিবিআই তদন্তের দাবিতে রিলে অনশন বিজেপির



ইসলামপুরের দাড়িভিট হাই স্কুলের ছাত্র-হত্যাকান্ডে নয়া মোড়! সিআইডির বদলে সিবিআই তদন্তের দাবীতে সরব রাজ্য বিজেপি। এই দাবী তুলেই আজ থেকে জেলা কার্যালয়ের সামনে রিলে অনশন শুরু করেছে উত্তর দিনাজপুরে জেলার রায়গঞ্জের বিজেপি শিবির। পাশাপাশি বিজেপির ধৃত নেতা কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি তুলেও এই আন্দোলন শুরু করা হয়েছে। এমনটাই রিলে অনশন মঞ্চে দাঁড়িয়ে জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির কথা জানানো হয়েছে। এদিনের দিনভর বিজেপির এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শোরগোল তুঙ্গে ছিল জেলায়।

উল্লেখ্য,উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট স্কুলে পুলিশের গুলিতে আন্দোলনরত দুই ছাত্রের মৃত্যুর পর থেকেই এখনো থমথমে হয়ে আছে এলাকা। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার জন্য পুলিশপ্রশাসন ও রাজ্যসরকারকে দায়ী করে স্থানীয়রা এখনো প্রতিবাদে সরব রয়েছে। এদের পাশে দাঁড়িয়ে বিচার চাইতে পথে নেমেছে বিরোধীরাও। ২৬ সেপ্টেম্বর বাংলা জুড়ে ১২ ঘন্টার বনধও পালন করে বিজেপি। এবার বিজেপির তরফ থেকে এই হত্যাকান্ডের জন্য সিবিআই তদন্তে দাবী জানিয়ে রিলে অনশন শুরু করা হল।

প্রসঙ্গত,মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই দুটি ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনায় দোষীদের শাস্তি দেওয়ার জন্য সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু এই সাহায্য নিতে ঘোর আপত্তি জানিয়েছে রাজেশ এবং তাপসের পরিবার। এই হত্যাকান্ডের জন্য যে রাজ্যসরকারকেই কাঠগড়ায় তুলেছে মৃত ছাত্রদের পরিবার তার প্রমান পাওয়া গেল তাপস বর্মনের মা-এর উক্তি শুনেই। এদিন সংবাদমাধ্যমের সামনে সাফ কথায় জানিয়ে দিলেন,রাজ্যসরকারের কোনো সহানুভূতি এবং আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন নেই তাঁদের। রাজ্য পুলিশের গুলিতে খুন হয়েছে তাঁদের ছেলে। তাই রাজ্যসরকারের লোকদেখানো সহানুভূতি গ্রহন করতে চায় না তাঁরা। তাই সরাসরি সিবিআই তদন্তের দাবী করেছিলেন তাঁরা।

ফেসবুকের কিছু টেকনিকাল প্রবলেমের জন্য সব খবর আপনাদের কাছে পৌঁছেছে না। তাই আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

এবার থেকে প্রিয় বন্ধুর খবর পড়া আরো সহজ, আমাদের সব খবর সারাদিন হাতের মুঠোয় পেতে যোগ দিন আমাদের হোয়াটস্যাপ গ্রূপে – ক্লিক করুন এই লিঙ্কে

এবার মৃত ছাত্রদের পরিবারের দাবীতেই সোচ্চার হতে দেখা গেল বিজেপিকে। রায়গঞ্জের বিজেপি এদিন অনশনে বসেই জানিয়ে দেয়,রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগ দিয়ে তদন্ত করালে প্রকৃত সত্য ধোঁয়াশার আড়ালেই থেকে যাবে। কোনোদিনও সামনে আসবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করেন না তাঁরা। আসলে,ছাত্রমৃত্যুর ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগার কোনো সুযোগই হারাতে চায় না এই মুহূর্তে বিজেপি। সামনেই লোকসভা নির্বাচন। তৃণমূল বিরোধীতা দেখানোর এই উর্বব সময়টাকে কাজে লাগিয়ে বাংলার বুকে পদ্ম ফোটাতে মরিয়া রাজ্যবিজেপি। আর এটাই সঠিক সময় বিজেপির ভাবমূর্তিকে স্বচ্ছভাবে আমজনতার সামনে রাখার। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগের সহায়তা নিয়ে যদি এই ছাত্র খুনের রহস্যের কিনারা করা যায় তাহলে ফের একাবার জয়জয়কার হবে মোদীসরকারের। সাধারণ মানুষকে বিজেপি দিকে টানা যেমন সহজ হবে তেমনি তৃণমূল বিদ্বেষে আরো ইন্ধন যোগানো যাবে। শাসকদল বনাম বিরোধীদের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের এই টালমাটাল পরিস্থিতিতে ছাত্রমৃত্যু নিয়ে রাজনীতির জল বহুদূর গড়াবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!