এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন ছত্রধর মাহাতো

নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন ছত্রধর মাহাতো



2011 সালে রাজ্যে পালাবদলের আগে একাধিকবার তাঁকে দেখা গিয়েছিল তৎকালীন বিরোধী দলনেত্রী তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে। এরপর তৃনমূল ক্ষমতায় আসার পর তেমনভাবে আর চোখে পরেনি তাঁকে।হ্যা তিনি ছত্রধর মাহাতো। রাজ্য রাজনীতির ওঠাপড়ায় এক বিতর্কিত নাম। দীর্ঘদিন ধরেই কারাগারে বন্দী রয়েছেন তিনি।
কলকাতার একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি প্রেসিডেন্সি জেল থেকে পাচদিনের প্যারোলে ছাড়া পেয়েছেন ছত্রধর মাহাতো। আর সেই ছাড়া পাওয়ার সাথে সাথেই সময় নষ্ট না করে তৃনমূলের কয়েকজন প্রথমসারির নেতা ও রাজ্যের পুলিশকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও সেরে নিয়েছেন তিনি।

এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে জঙ্গলমহলে তৃনমূলের ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস ফেলছে বিজেপি। তাই ফের পুরোনো সঙ্গী ছত্রধরকে কাজে লাগিয়ে এই লালগড়ের মত জঙ্গলমহলের এলাকাগুলিতে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে চায় শাসকদল। জানা গেছে ছত্রধ মাহাতোকে লালগড়ের ব্লক সভাপতি হওয়ার জন্যে প্রস্তাব এসেছে তৃনমূলের তরফে। আর এতে আপত্তি এনে ছত্রধর মাহাতোরও। তবে এজন্য তাকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে,তবেই সে শাসকদলের হয়ে ফের ময়দানে নামবে বলে এক শর্ত বেধে দিয়েছেন তৃনমূল নেতা সহ রাজ্য পুলিশের কর্তাদের। সূত্রে খবর,এ ব্যাপারে ছত্রধরকেও কোনোরুপ নিরাশ করেননি পুলিশের আধিকারিকরা। পুলিশের তলফ থেকে তাঁকে বলা হয়েছে,কোনো দুশ্চিন্তার কারন নেই। সবরকম সহযোগীতা তাঁকে করা হবে।

আরো খবর পেতে চোখ রাখুন প্রিয়বন্ধু মিডিয়া-তে

জঙ্গলমহলের অনেক তৃনমূল নেতাদের মনেই এখন প্রশ্ন,তাহলে কি খুব তাড়াতাড়ি জামিনে মুক্তি পাচ্ছেন ছত্রধর মাহাতো! এ দিকে ছত্রধরের মুক্তি নিয়ে টালবাহানার জেরে এলাকাবাসীর মনে তৃনমূল নেতাদের নিয়ে একটা বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েথ ভোটের পর ছত্রদর মাহাতোকে জামিনে মুক্তি দেওয়ার কথা বললেও ভোটের পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এ নিয়ে কোনো উচ্চবাচ্চ করেননি শাসকদলের নেতারা।
অবশ্য এ প্রসঙ্গে তৃনমূলের দাবি,গ্রীষ্মের ছুটির জন্য হাইকোর্ট বন্ধ থাকায় এত দিন জামিনের শুনানি করা সম্ভব হয়নি।

ইতিমধ্যেই মাওবাদী সংক্রান্ত কাজের অভিযোগে মেদীনিপুর আদালত ছত্রধর মাহাতোকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের নির্দেশ দিয়েছে।হাইকোর্টের তরফে খবর,ছত্রধরের জামিনের আবেদন বিচারপতি মমতাজ খান ও জয় সেনগুপ্তর বেঞ্চে বিচারাধীন। আগামী 2 জুলাই তার শুনানি হওয়ারও কথা রয়েছে। এদিকে এপ্রসঙ্গে পুলিশ জানিয়েছে,তাঁরা ছত্রধর মাহাতোর জামিনের কোনোরুপ বিরোধীতা করবে না।

তবে ছত্রধরকে নিয়ে লালগড়ের ব্লক সভাপতি বনবিহারী রায় বলছেন, “ছত্রধর মাহাতো দায়িত্ব নিলেও অবস্থার পরিবর্তন হবে না।লোকসভায় লালগড়ে দলের বড় বিপর্যয় অপেক্ষা করছে।তবে ছত্রধর আমাদের ঘরের ছেলে।আমি নেতৃত্বের কাছে ইতিমধ্যেই আমার পদ থেকে অব্যাহতি চেয়েছি।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে,জঙ্গলমহলে নিজেদঃর আধিপত্য বজায় রাখতে ফের পুরোনো সঙ্গী ছত্রধরের ওপর ভরসা করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছত্রধরকে এনে এ অঞ্চলে তৃনমূল নিজের দখল বজায় রাখা অপেক্ষা 2 রা জূলাই ছত্রধর মাহাতোর জামিনের কি হয় তার দিকেই তাকিয়ে সবাই।

যদিও এই খবরের সত্যতা বা সূত্র সম্পর্কে ওই ওয়েব পোর্টালে কিছু লেখা নেই, প্রিয়বন্ধু বাংলার তরফেও এই খবরের সত্যতা যাচাই করে দেখা সম্ভব হয় নি। এই প্রবন্ধ সম্পূর্ণরূপে ওই পোর্টালে প্রকাশিত খবরের পরিপ্রেক্ষিতে করা, কোনোভাবেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নয় বা কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে রচিত নয়।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!