এখন পড়ছেন
হোম > রাজ্য > কলকাতা > রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করেই ছাড়লেন উৎসাহীরা! পুলিশ-প্রশাসন কার্যত চুপ!

রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো করেই ছাড়লেন উৎসাহীরা! পুলিশ-প্রশাসন কার্যত চুপ!



 

দুর্গাপুজো, কালীপুজো, ভাইফোঁটার পরই আসে ছটপুজো। মূলত সূর্যদেবের পুজো করে নদীর ঘাটেই পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করেন ভক্তরা। প্রতিবছর কলকাতা রবীন্দ্র সরোবরে ঘটা করে ছটপুজোর আয়োজন করা হয়। কিন্তু এবারে প্রথম থেকেই সেই রবীন্দ্রসরোবরে যাতে ছটপূজা করা হয়, তার ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। যার পরিবর্তে কলকাতা পৌরসভার তরফে নানা জলাশয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই রবীন্দ্রসরোবেই ছটপূজা করে ছাড়লেন দর্শনার্থীরা। তবে যেখানে কড়া বার্তা দিয়ে সাইনবোর্ড লাগিয়ে, নিরাপত্তা রক্ষী মোতায়েন করে সেই রবীন্দ্র সরোবরে ছটপূজা করতে বদ্ধপরিকর ছিলেন সকলে, সেখানে কিভাবে এখানে ঢুকলেন দর্শনার্থীরা!

সূত্রের খবর, শনিবার সকালে পুজোর আয়োজন করতে বেশ কিছু যুবক রবীন্দ্র সরোবরের গেটের তালা ভেঙে দেন। অভিযোগ, বেশ কিছু যুবক এখানে তালা ভাঙতে এলেও পুলিশকর্মীরা কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকায় ছিল। যা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।

দেখা যায়, এদিন রবীন্দ্র সরোবরে ঢোকার মুহূর্তে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মীর সঙ্গে বচসা শুরু করে দেন বেশকিছু দর্শনার্থীরা। কিন্তু তাদের তো নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেখানে তারা যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে দোষ কার! এদিন এই প্রসঙ্গে এক নিরাপত্তারক্ষী বলেন, “যেভাবে দলবেঁধে যুবকরা এসেছে, তাতে তাদের সীমিত ক্ষমতায় আটকানো সম্ভব ছিল না।”


ফেসবুকে আমাদের নতুন ঠিকানা, লেটেস্ট আপডেট পেতে আজই লাইক ও ফলো করুন – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের টেলিগ্রাম গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে

আমাদের সিগন্যাল গ্রূপে জয়েন করতে – ক্লিক করুন এখানে



আপনার মতামত জানান -

এদিকে এই ব্যাপারে ইতিমধ্যেই প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে শুরু করেছেন পরিবেশ কর্মীরা। এদিন এই প্রসঙ্গে পরিবেশ কর্মী সুভাষ দত্ত বলেন, “এভাবে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা উচিত নয়। রবীন্দ্র সরোবর নিয়ে আদালত নির্দেশ দিয়েছিল। অথচ সেই নির্দেশ না মেনে আইন অমান্য করা হয়েছে।”

একইভাবে রবীন্দ্র সরোবরকে বাঁচানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চালিয়ে যাওয়া স্থানীয় বাসিন্দা সুমিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “এই ঘটনা অত্যন্ত লজ্জার এবং দুঃখের। আদালতের নির্দেশ মান্য করার জন্য কোনো প্রশাসনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি। আমি আবার আদালত অবমাননার মামলা করব।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পরই এই রবীন্দ্র সরোবরকে বাঁচাতে ছটপুজো যাতে না করা হয়, তার জন্য নানা পন্থা অবলম্বন করা হয়েছিল। কিন্তু নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকলেও যেভাবে ছটপুজো করা ভক্তরা রবীন্দ্র সরোবরে ঢুকে ছটপুজো পালন করলেন, তাতে আসল উদ্দেশ্য বিঘ্নিত হল বলেই দাবি সকলের। এখন প্রশাসনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে পরিবেশপ্রেমী থেকে এই রবীন্দ্র সরোবর বাঁচানোর ব্যক্তিরা ঠিক কি উদ্যোগ নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

আপনার মতামত জানান -

Top
error: Content is protected !!